বৃহস্পতিবার ২৬ নবেম্বর ২০২০
Online Edition

খালেদা জিয়ার আরও ৪ মামলার স্থগিতাদেশ আপিলে বহাল

স্টাফ রিপোর্টার: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নাশকতার অভিযোগে রাজধানীর দারুস সালাম থানায় তিনটি এবং রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে একটিসহ মোট চারটি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন ও ব্যারিস্টার একেএম এহসানুর রহমান।
হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদেন নিষ্পত্তি করে গতকাল রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন শুনানি শেষে সিনিয়র বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীর নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল আপিল বিভাগের বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
ভার্চুয়াল আদালতে গতকাল শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোমতাজ উদ্দিন ফকির। খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন।
ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন সাংবাদিকদের বলেন, ২০১৫ সালে বিএনপি জোটের হরতালের সময় নাশকতার ও সহিংসতার অভিযোগে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাজধানীর দারুস সালাম থানায় করা তিন মামলা এবং রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগের করা মামলার কার্যক্রমের ওপর হাইকোর্টের দেয়া স্থগিতাদেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।
তিনি বলেন, ওই চার মামলার অভিযোগ আমলে নেয়ার আদেশ বাতিল প্রশ্নে হাইকোর্টের জারি করা রুল নিষ্পত্তি করতে বলেছেন আদালত। তবে, আপিল বিভাগ রুল নিষ্পত্তির দিন-তারিখ এখনো উল্লেখ করেননি।
এর আগে গত ১৭ আগস্ট ও ২৩ আগস্ট চারটি করে মোট আট মামলার বিষয়ে একই আদেশ দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ।
২০১৫ সালে করা নাশকতাসহ সহিংসতার অভিযোগে দারুস সালাম থানায় করা তিনটি মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১৭ সালে ওই আবেদন করেছিলেন খালেদা জিয়া। একই বছর হাইকোর্ট মামলাগুলোর কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়ে রুল জারি করেন। হাইকোর্টের ওই আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।
এদিকে ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে খালেদা জিয়া ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্কিত’ মন্তব্য করেছেন বলে অভিযোগ এনে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাটি করেন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী। ওই মামলার বৈধতা নিয়ে আবেদনের পর ২০১৭ সালের ২৯ মার্চ হাইকোর্ট স্থগিতাদেশ নিয়ে রুল জারি করেন। এর বিরুদ্ধেও রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ