মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

অনার্স ৪র্থ বর্ষের ফল প্রকাশের দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

গাজীপুর সংবাদদাতা: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত অনার্স ৪র্থ বর্ষের ফল প্রকাশের দাবিতে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে। গতকাল রোববার দুপুরে গাজীপুর মহানগরীর বোর্ড বাজারে অবস্থিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা জানায়, করানো পরিস্থিতির কারণে গত ১৮ ই মার্চ থেকে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছুটি ঘোষণা করায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স চতুর্থ বর্ষের চলমান পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়। যার ফলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আরো একধাপ পিছিয়ে পড়ে। আমাদের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত অধিকাংশ শিক্ষার্থীই নি¤œমধ্যবিত্ত। পড়াশুনার জন্য প্রায় শিক্ষার্থীরাই বিশ্ববিদ্যালয় হোস্টেল কিংবা বিভিন্ন মেসে অবস্থান করে। বর্তমানে করোনা পরিস্থিতির কারণে শহরে অবস্থানরত ৯৫ ভাগ শিক্ষার্থী আর্থিক এবং মানসিক দুর্বলতার জন্য গ্রামে গিয়ে নিজেদের বাড়িতে অবস্থান করছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে সকল শিক্ষার্থীই মানসিক এবং আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত। মেস ভাড়া না দিতে পারায় অনেক শিক্ষার্থী গ্রামে চলে যাওয়ায় অনেকে তাদের প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস হারিয়ে ফেলেছে। এমন অবস্থায় ৮০ ভাগ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেওয়ার মানসিকতা হারিয়ে ফেলেছে। তাই সেশনজট নিরসনসহ চাকরির পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ পাওয়ার জন্য পরীক্ষা না নিয়ে কিছু বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করলে তারা অনেক উপকৃত হবে বলে জানায়।  শিক্ষার্থীদের পক্ষে পরীক্ষার্থী আরাফাত হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা না নিয়ে বিকল্প পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের ফলাফল ঘোষণা দিতে পারে। শিক্ষার্থীরা দাবি করেন যে, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষে যাদের ইমপ্রুভমেন্ট আছে সেটা বাকী বিষয়গুলোর ফলাফলের উপর ভিত্তি করে ন্যূনতম পাশ দিতে হবে। বিগত তিন বছরের ফলাফলের ভিত্তিতে সিজিপিএ নির্ধারণ করে ৪র্থ বর্ষের অনুষ্ঠিত পরীক্ষাগুলোর সাথে সমন্বয় করে অনার্সের ফলাফল ঘোষণা করার দাবি জানান তারা। চলমান পাঁচটি পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করা এবং বিশেষ সুবিধা দিয়ে বিশেষ পদ্ধতিতে বাকি চারটি বিষয়ের নম্বর মূল্যায়ন, মৌখিক ও বিজ্ঞান বিভাগের ব্যবহারিক পরীক্ষার ক্ষেত্রেও বিশেষ গড় পদ্ধতি অনুসরন করা এবং সর্বোচ্চ ৩০ দিনের ভেতর ফলাফল ঘোষণা দাবি জানানো হয়। পরে শিক্ষার্থীরা তাদের এ দাবি সংবলিত একটি আবেদন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর পেশ করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ