সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের পদচারণা

কামাল হোসেন আজাদ, কক্সবাজার: করোনা সংক্রমণ স্বাভাবিক হওয়ার পর লকডাউন পরিস্থিতির শীতিলতায় পুরোনো রূপে ফিরতে শুরু করেছে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। নানান সতর্কতা ও নির্দেশনা মানতে গিয়ে কোনভাবেই সৈকতে ভ্রমণে আসতে পারেনি পর্যটক। এমনকি স্থানীয়রাও এ বিনোদন থেকে বিরত থাকে স্বাস্থ্যবিভাগ ও প্রশাসনের নির্দেশনায়। বর্তমানে সেই সংকট কিছুটা হলেও কাটিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে বিরাজ করায় এখন আগের চিরচেনা চিত্রগুলো দৃশ্যমাণ হচ্ছে।
সূত্রমতে, দীর্ঘ ৫ মাস যাবত মহামারি করোনার লকডাউনে বন্ধ থাকার পর ৪দিন আগে পর্যটন দুয়ার খুলে দেয়ায় কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে গত দুইদিন বন্ধ সময়ে ও বাদলা দিনে পর্যটকদের পদচারণা পরিলক্ষিত হয়েছে। হোটেল মোটেল ও রেস্টুরেন্টে পর্যটকদের ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। কলাতলী, সুগন্ধা পয়েন্ট ও লাবনী পয়েন্টে দূর-দূরান্তের পর্যটকদের দেখা মেলে। কিটকট বর্ণিল ছাতার নীচে বসে সূর্যাস্ত দেখা ও লাবনী মার্কেটে কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় পার করছে পর্যটকরা। কক্সবাজারে  ৪৭০টি হোটেল-মোটেলের ৩০ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারি ও দেড় শতাধিক ট্যুর অপারেটরসহ দেড় লক্ষাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারিগণ পর্যটন শিল্পের দ্বার উন্মোচন হওয়ায় আশান্বিত।
কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের এসপি জিল্লুর রহমান জানিয়েছেন- পর্যটক এবং পর্যটন শিল্প সংশ্লিষ্টদের সার্বিক নিরাপত্তায় পুলিশ বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সকলে যেন স্বাস্থ্যবিধি মেনেই সৈকতসহ সকল স্থানে বিচরণ করে তা কড়াকড়ি ভাবে লক্ষ্য রাখা হবে। 
এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, কক্সবাজারের পর্যটন শিল্প ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসা বাণিজ্য কঠিন শর্ত সাপেক্ষে খুলে দেওয়া হয়েছে। গত ১৯ জুলাই আবাসিক হোটেল মোটেলের কর্মকর্তা-কর্মচারিগণ প্রধানমন্ত্রীর কাছে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে পর্যটনের দুয়ার খুলে দেয়ার আবেদন জানান। তারই আলোকে আবাসিক হোটেল, রেষ্টুরেন্টসহ পর্যটন শিল্প সংশ্লিষ্ট যে সকল প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত কোভিড-১৯ সংক্রমণ প্রতিরোধ ব্যবস্থা থাকবে এবং স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলবে শুধুমাত্র সেসব প্রতিষ্ঠানকে খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রে প্রকাশ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ