শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসা ঢাকায় জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধুর ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী পালন

তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসা, ঢাকা কর্তৃক  ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৫ তম শাহাদাৎবার্ষিকী -২০২০" পালন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দু'আ অনুষ্ঠান হয়। মাদরাসার শিক্ষক মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক মাওলানা আব্দুস সামাদের সঞ্চালনায় এবং মাদরাসার অধ্যক্ষ ড. মুহাম্মাদ আবু ইউছুফ খানের সভাপতিত্বে শিক্ষকবৃন্দের উপস্থিতে এ আলোচনা সভার শুরুতে কুরআন তেলাওয়াত করেন মাওলানা কামারুজ্জামান খিজির, দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেন বিপিএড শিক্ষক জিয়াউর রহমান।  আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদান করেন মুহাদ্দিস আ ন ম হেলালুদ্দীন সিদ্দিকী, মুফাস্সির মাওলানা জাকির হোসাইন শেখ, ইংরেজি বিভাগের সিনিয়র প্রভাষক আব্দুস সামাদ আযাদ প্রমুখ।

আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ শায়খুল হাদীস ড. মুহাম্মাদ আবু ইউছুফ খান বলেন, আজ জাতীয় শোকদিবস। বাঙ্গালী জাতির ইতিহাসের একটি কলঙ্কিত দিন। এই দিনে  একদল বিপথগামী সেনা বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহান স্থপতি, অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যা করে। তিনি শুধু স্বাধীনতার স্থপতিই ছিলেন না তিনি ছিলেন দুর্নীতি ও দারিদ্রমুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নদ্রষ্টা। 

তিনি বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদান এবং ১৯৭০ সালে তাঁর দেয়া বক্তব্য তুলে ধরে বলেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে বিনিয়োগ সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ। শিক্ষার উন্নয়ন ছাড়া জাতির ভবিষ্যৎ বিনির্মাণ করা যাবেনা। টেকসই উন্নয়নের জন্য শিক্ষার কোন বিকল্প নেই।

অন্যান্য বক্তারা তাদের বক্তব্যে বঙ্গবন্ধুসহ সকল অন্যায় হত্যাকান্ডের নিন্দা জানিয়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। দিবসটি পালন উপলক্ষে বাদ ফজর কুরআন খানি, সুর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা অর্ধনমনসহ বিভিন্ন কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়। 

সবশেষে বঙ্গবন্ধু পরিবারের নিহতদের আত্মার মাগফিরাত, করোনা মহামারি থেকে দেশবাসীর হেফাজত এবং জাতির সমৃদ্ধি কামনা করে সভাপতি দু’আ ও মুনাজাত পরিচালনা করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ