শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

রাজশাহী বিভাগের ১৪,২৫৫ জন আক্রান্ত ॥ ১৯৩ জনের মৃত্যু

রাজশাহী অফিস : রাজশাহী বিভাগের আট জেলার মধ্যে ছয় জেলায় ২৪ ঘণ্টায় ১৬১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। একই সময় রাজশাহীতে একজন ও বগুড়ায় দুইজন করোনা আক্রান্ত রোগী মারা গেছেন। এদিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক)-এর বন্ধ থাকা ল্যাব পুনরায় চালু হয়েছে বলে জানাগেছে।
রোববার দুপুর পর্যন্ত রাজশাহী বিভাগে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ২৫৫ জনে। এ বিভাগে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১৯৩ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৮ হাজার ৬৬৮ জন। দুপুরে এক প্রতিবেদনে রাজশাহী বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তারের পরিচালক ডা. গোপেন্দ্র নাথ আচার্য্য জানান, ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্তের মধ্যে রাজশাহীর ৪২ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৯ জন, নওগাঁর ৯ জন, জয়পুরহাটে ১১ জন, বগুড়ায় ৫৬ জন ও সিরাজগঞ্জে ১৪ জন। তিনি জানান, রাজশাহী বিভাগে আক্রান্তদের মধ্যে সর্বোচ্চ বগুড়ায় ৫ হাজার ২৩৬ জন। এছাড়াও রাজশাহীতে ৩ হাজার ৫৭৪ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৪৮ জন, নওগাঁয় ৯৯৯ জন, নাটোরে ৬২৮ জন, জয়পুরহাটে ৮১৬ জন, সিরাজগঞ্জে ১ হাজার ৫৮৩ জন ও পাবনায় ৮৭১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।
তিনি বলেন, সরকারি হিসেবে এ পর্যন্ত বিভাগের আট জেলার মধ্যে ছয় জেলায় মৃতের সংখ্যা ১৯৩ জন। এর মধ্যে রাজশাহীতে ২৯ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে আটজন, নওগাঁয় ১৪ জন, নাটোরে একজন, জয়পুরহাটে চারজন, বগুড়ায় ১১৭ জন, সিরাজগঞ্জে ১১ জন ও পাবনায় নয়জনের মৃত্যু হয়েছে করোনাভাইরাসে।
পাঁচ দিন পর নমুনা পরীক্ষা শুরু
পাঁচ দিন বন্ধ থাকার পর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (রামেক) পিসিআর ল্যাবে আবারো করোনার নমুনা পরীক্ষা শুরু হয়েছে। শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ল্যাবটিতে ৯৪ জনের নমুনার রিপোর্ট হয়েছে। এতে ১৮টি নমুনা করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে। বাকিগুলো নেগেটিভ। রামেক হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস জানান, নতুন শনাক্তদের মধ্যে ১০ জন রামেক হাসপাতালের রোগী ও চিকিৎসক। এছাড়া তিনজন পুলিশ সদস্য, দুইজন র‌্যাব সদস্য, নগরীর দুই এলাকার ২ জন এবং জেলার দুর্গাপুর উপজেলার ২ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া যায়। ল্যাবটিতে গত একসপ্তাহ ধরে নমুনা পরীক্ষা ঠিকমত হচ্ছিল না। সর্বশেষ ২ আগস্ট ল্যাব থেকে ৯৪ জনের রিপোর্ট হয়। এর আগে গত ৩১ জুলাই পিসিআর মেশিনের ত্রুটির কারণে ৯৪টি নমুনার সবগুলোর রিপোর্টই আসে করোনা পজিটিভ। পিসিআর মেশিনে ত্রুটির কারণে এমন হয়েছে ধরে নিয়ে সে ফলাফল আর ঘোষণা করা হয়নি। এরপর ১ ও ২ আগস্ট নমুনা পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু পরে আবারো ত্রুটি দেখা দেয়। এরপর থেকে মেশিনের ত্রুটি সারানোর কাজ চলছিল।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ