রবিবার ০৯ আগস্ট ২০২০
Online Edition

চাঁদাবাজি-মাস্তানি বরদাস্ত করা হবে না ---মেয়র আতিক

স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর কোরবানির পশুর হাটগুলোতে কোনও প্রকার চাঁদাবাজি বা মাস্তানি বরদাস্ত করা হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন-ডিএনসিসি’র মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্বাচল ব্রিজ সংলগ্ন মস্তুল ডুমনী বাজারমুখী রাস্তার উভয় পাশের খালি জায়গায় স্থাপিত অস্থায়ী পশুর হাট পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন। তিনি পশুর হাট ঘুরে দেখেন এবং গবাদি পশু ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি সবাইকে করোনা থেকে সুরক্ষিত থাকার জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেন।

হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন মেয়র আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘‘এবছর মহামারির মাঝেই পশু কোরবানি দিতে হচ্ছে। মহামারি মোকাবিলা করেই পশু কোরবানি দিতে হবে। এটি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং ব্যাপার। আমরা দেখতে পাচ্ছি, বারবার বলা সত্তে¡ও দুই-একজন হাটে শিশুদের নিয়ে এসেছেন। উনারা যদি নিজেদের সুরক্ষার বিষয়টি না বোঝেন, তাহলে বুঝানো দুরূহ  ব্যাপার। এখানে পশু বিক্রেতারা আমাকে বলেছেন, ‘আমরা গরু বিক্রয় করবো না, যদি ক্রেতারা মাস্ক না পরে থাকেন।’ আমি তাদেরকে ধন্যবাদ দিয়েছি, এটাই হওয়া উচিত। আমাদের হাট মনিটরিং কমিটি বিভিন্ন হাট নিয়মিত পরিদর্শন করছে। প্রতিটি হাটে ম্যাজিস্ট্রেট আছেন। আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করছি। আপনারা মেহেরবানি করে নিজেদের সুরক্ষা নিজেরা ‘মেন্টেন’ করবেন। তাহলেই মহামারির চ্যালেঞ্জকে আমরা মোকাবিলা করতে পারবো।’’

আতিকুল ইসলাম আরও বলেন, ‘হাটে কোনও প্রকার চাঁদাবাজি ও মাস্তানি বরদাস্ত করা হবে না।’ ক্রেতাদেরকে হাটে না এসে পশু ক্রয় করার পরামর্শ দিয়ে মেয়র বলেন, ‘ডিএনসিসির ডিজিটাল গরুর হাট আছে। সেখান থেকেও পশু কিনতে পারেন। আমি অনুরোধ করবো, ডিজিটাল হাট থেকে পশু কোরবানি দিন। অনলাইনে পশু কোরবানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। বসিলায় পশুকে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে হালাল উপায়ে কোরবানি দিয়ে মাংস প্রস্তুত করে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়াও ২৫৬টি স্থানে কোরবানি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আপনারা মেহেরবানি করে পশু কোরবানি দেওয়ার পরে বর্জ্য নির্দিষ্ট ব্যাগে রেখে দিন। ডিএনসিসির পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা তা সংগ্রহ করে নেবেন।’

হাট পরিদর্শনকালে ডিএনসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হক, ১৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাকির হোসেন, ১৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মফিজুর রহমান, ৫১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শরিফুর রহমানসহ  পশুর হাট মনিটরিং কমিটির সব সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ