রবিবার ২৮ নবেম্বর ২০২১
Online Edition

ঈদে রাজধানীর নিরাপত্তায় ডিএমপির ৬ নির্দেশনা

 

স্টাফ রিপোর্টার: ঈদুল আজহার ছুটিতে রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, মার্কেট ও বাসাবাড়ির নিরাপত্তা নিশ্চিতে ছয় নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ডিএমপি বলছে, উৎসবমুখর ও নিরাপদ পরিবেশে ঈদুল আজহা সম্পন্নের লক্ষ্যে সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। কোরবানির পশুর হাট সমূহের ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ ঢাকা মহানগরীর সকল বিপণি বিতান, ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান/ব্যক্তির টাকা লেনদেন ও পরিবহনে মানি এস্কর্ট ব্যবস্থা প্রবর্তন, সকল লঞ্চ ও বাস টার্মিনাল কেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে দেয়া হয়েছে ছয় নির্দেশনা।

বুধবার ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পত্রে ঈদুল আজহার ছুটিতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তায় নির্দেশনা দেয়া হয়। নির্দেশনায় বলা হয়, ঈদুল ফিতরে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে ডিএমপি যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল তা সর্বমহলে প্রশংসিত হয়। তারই ধারবাহিকতায় আসন্ন ঈদুল-আজহায় বিস্তারিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।

ডিএমপির জনবল স্বল্পতা সত্ত্বেও ঈদের ছুটির সময়ে পুলিশি টহল বৃদ্ধিসহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্ট স্থাপন ও গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই রোধে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি পুলিশের গৃহীত পদক্ষেপের পাশাপাশি ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে যদি নিরাপত্তা সচেতনতা তৈরি হয় তাহলে পুলিশ এবং ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগ ও অংশগ্রহণে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও অপরাধ দমনে অনেক বেশি সফল হওয়া সম্ভব।

সে লক্ষ্যে আসন্ন ঈদে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, বিপণি বিতান, আবাসনের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য পুলিশের গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি নিম্নোক্ত নির্দেশনাসমূহ অনুসরণে বিনীতভাবে অনুরোধ জানিয়েছে ডিএমপি কমিশনার।

নির্দেশনাসমূহ : 

১. নিজস্ব প্রতিষ্ঠান, আবাসন, অ্যাপার্টমেন্ট, বিপণি বিতানে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত সিকিউরিটি গার্ডের ডিউটি জোরদার এবং যে কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে ২৪ ঘণ্টা নজরদারির ব্যবস্থা রাখা। সিকিউরিটি গার্ডের ডিউটি তদারকির জন্য মার্কেট মালিক সমিতি, ফ্ল্যাট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন ইত্যাদি কর্তৃক তদারকি কমিটি করে ২৪ ঘণ্টা পালাক্রমে উক্ত কমিটি দায়িত্ব পালন করবেন।

২. দায়িত্বরত নিরাপত্তা কর্মীদের ব্যক্তিগত প্রাক-পরিচিতি পুলিশের মাধ্যমে যাচাইয়ের ব্যবস্থা করা।

৩. প্রতিষ্ঠান, বিপণি বিতান ও আবাসনকে সিসি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসা।

৪. প্রতিষ্ঠানের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে একসঙ্গে ছুটি না দিয়ে একটি অংশকে দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত রাখা। যাতে তারা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা তদারকি করতে পারে।

৫. সিসি ক্যামেরার ক্ষেত্রে ধারণকৃত ভিডিও হার্ড ডিস্কে ঠিকমত রেকর্ড হচ্ছে কিনা তা নিয়মিত পরীক্ষা করা।

৬. দায়িত্বরত গার্ড এবং প্রতিষ্ঠানের কাছে নিকটস্থ থানা, সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার ইনচার্জ এবং পুলিশ কন্ট্রোলরুমের মোবাইল এবং ল্যান্ড ফোনের নম্বর রাখা, যাতে যে কোনো দুর্ঘটনা বা অপরাধ সংঘটনের আশংকা তৈরি হলে দ্রুত পুলিশকে জানানো যায়।  

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ