সোমবার ২৯ নবেম্বর ২০২১
Online Edition

লিবিয়ায় সেনা পাঠালে ঝুঁকি ডেকে আনবে মিশর---তুরস্ক

২৩ জুলাই, আল জাজিরা : লিবিয়ায় যুদ্ধ বিরতির জন্য চাপ দেয়ার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে তুরস্ক এবং রাশিয়া। দেশটির গৃহযুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া দুইপক্ষকে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে দেশ দুইটি। 

গত বুধবার যুদ্ধ বিরতির ব্যাপারে সম্মত হলেও পরবর্তীতে আঙ্কারা জানায় যে, লিবিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় বাহিনীর নেতা  অবৈধ এবং যুদ্ধবিরতির বিশ্বাসযোগ্যতার জন্য তাকে অবশ্যই প্রধান অবস্থানগুলো সরে আসতে হবে।

লিবিয়ায় একটি বিশ্বাসযোগ্য এবং স্থিতিশীল যুদ্ধবিরতির ব্যাপারে তুরস্ক রাশিয়ার সঙ্গে একযোগে কাজ করতে সম্মত হয়েছে বলে তুরস্কের প্রেসিডেন্টের শীর্ষ নিরাপত্তা উপদেষ্টা ইব্রাহিম কালিন এক বিবৃতিতে জানান।   

তবে তিনি বলেন, একটি স্থিতিশীল যুদ্ধবিরতির জন্য জাফরা এবং সিরতে থেকে হাফতার বাহিনীকে সরিয়ে নিতে হবে। মস্কো এবং আঙ্কারা লিবিয়ার গৃহযুদ্ধে দুই পক্ষের প্রধান সহায়ক শক্তি। পশ্চিমাঞ্চলীয় বাহিনীর নেতা হাফতারকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে রাশিয়া। অন্যদিকে তুরস্ক সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে ত্রিপলির আন্তর্জাতিক স্বীকৃত সরকার জিএনএ'কে। 

এদিকে মিসরও হাফতারের নিজস্ব লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি-এলএনএ'কে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। সেইসঙ্গে দেশটি হুমকি দিয়েছে, জিএনএ এবং তুরস্ক বাহিনী যদি সিতরে নিয়ন্ত্রণে নেয়ার চেষ্টা করে কায়রো লিবিয়াই সেনা পাঠাবে।

এ ব্যাপারে রবিবার মিসরের পার্লামেন্ট ‘সবুজ সংকেত’ দিয়ে রেখেছে। লিবিয়ায় সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তে দেশটির পার্লামেন্টের আইনপ্রণেতারা একমত হন।

তবে লিবিয়া সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তে কায়রোকে সতর্ক করে দেন তুরস্ক প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা কালিন।  তিনি বলেন, মিসরের কোনো ধরনের সেনা অভিযান লিবিয়ায় যুদ্ধের অবসানকে বাধাগ্রস্ত করবে এবং সেটি কায়রোর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হবে। 

ইব্রাহিম কালিন আরও বলেন, আমি বিশ্বাস করি এটি হবে মিসরের জন্য বিপজ্জনক সামরিক ‘অ্যাডভেঞ্চার'। এর আগে লিবিয়ার জিএনএ সরকারকে হুমকি দেন মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাতাহ আল-সিসি। 

বেনগাজির হাফতার বাহিনী সমর্থিত নেতারা কায়রোতে সিসির সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন। তারা মিসরকে আহ্বান করেন, লিবিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপ করতে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ