বৃহস্পতিবার ০১ অক্টোবর ২০২০
Online Edition

ওয়ারীতে আরও কঠোর লকডাউন 

স্টাফ রিপোর্টার : আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ওয়ারীতে আরও কঠোরভাবে লকডাউন বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। একইসঙ্গে তিনি লকডাউনের আওতায় থাকা এলাকার বাসিন্দাদের আরও কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনসহ লকডাউন কার্যকর করতে সর্বাত্মক সহযোগিতার অনুরোধ জানিয়েছেন।

গতকাল  বৃহস্পতিবার  নগর ভবনে ওয়ারী লকডাউন নিয়ে কেন্দ্রীয় বাস্তবায়ন কমিটির দ্বিতীয় পর্যালোচনা সভায় তিনি এই নির্দেশনা দেন।

এসময় মেয়র বলেন, করোনা মহামারির সময় ব্যবসা মুখ্য উদ্দেশ্য হতে পারে না। আগে জীবন, পরে জীবিকা। তাই জনগণের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর।

মেয়র আরও বলেন, লকডাউন এলাকায় অবস্থিত প্যাসিফিক ফার্মাসিউক্যালসহ অন্যান্য সরকারি-বেসরকারি কার্যালয় এবং তিনটি সুপারশপের মধ্যে যৌক্তিকতা বিবেচনায় যেকোনো একটি সুপারশপ খোলা রেখে বাকি দু’টো বন্ধ করার নির্দেশনা দিয়েছি। সেই সঙ্গে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে খাদ্য সরবরাহকারী ব্যক্তিদের সুনির্দিষ্ট নামের তালিকা রেখে বাকি সবার যাতায়াত বন্ধ করারও নির্দেশ দিয়েছি। তবে বাসিন্দাদের প্রতি অনুরোধ, স্বতঃস্ফূর্তভাবে স্যাম্পল দিতে আরও বেশি সচেতন হোন।

প্রায় লক্ষাধিক লোকের আবাসস্থলে গত ১১ দিনে মাত্র ১৪৮ জন ব্যক্তির নমুনা পরীক্ষার বিষয়টি বাস্তব চিত্রের প্রতিফলন হতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তাপস। তিনি বলেন, জনগণকে আরও বেশি পরিমাণে নমুনা দিতে সচেতন করুন, উদ্বুদ্ধ করুন। কারণ, প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত বলছে, লকডাউন শুরুর সময়কার সংক্রমণের হার এবং বর্তমান সংক্রমণের হার প্রায় একই, যা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না। তাই যেসব বাসাবাড়িতে এখন পর্যন্ত কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত রোগী রয়েছে, সেসব বাড়ির বাসিন্দারা যেন বাড়ির বাইরে যেতে না পারেন, সেটাও নিশ্চিত করতে হবে।

এ সময় ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সারোয়ার হোসেন আলো ও আইইডিসিআরের প্রতিনিধি জানান, এলাকার জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে বৃহস্পতিবার থেকে ২৮টি টিম বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনগণকে করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দিতে আহ্বান জানাবে। তারা আরও জানান, লকডাউন এলাকার ব্যক্তিদের নমুনা পরীক্ষার জন্য সরকার নির্ধারিত ২০০ টাকা করেও দিতে হবে না। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে নমুনা পরীক্ষা করা হবে।

সভায় জানানো হয়, স্থানীয় কাউন্সিলরের মাধ্যমে প্রতিদিন ৬০০ লোককে তিন বেলা খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে এবং প্রতিদিন সকালবেলা প্রায় ৩০০ পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে সবজি সরবরাহ করা হচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ