বৃহস্পতিবার ০১ অক্টোবর ২০২০
Online Edition

সন্ত্রাসবাদ বিরোধী কার্যক্রম জোরদার করেছে বাংলাদেশ -মার্কিন রাষ্ট্রদূত মিলার

স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার বলেছেন, বাংলাদেশ বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ গ্রহণের মধ্য দিয়ে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী কার্যক্রম জোরদার করেছে।
গত সোমবার  ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ওয়েবিনার সিরিজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত এ কথা বলেন। এতে উল্লেখ করা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের ওভারসিজ প্রসিকিউটোরিয়াল ডেভেলপমেন্ট, অ্যাসিস্টেন্স অ্যান্ড ট্রেনিং (ওপিডিএটি) ‘ক্রিমিনাল ইনফ্লুয়েন্স অন দি ডার্ক ওয়েব অ্যান্ড ইন দি ইউজ অফ ক্রিপ্টোকারেন্সি’- শীর্ষক তিন পর্বের একটি ওয়েবিনার সিরিজ উদ্বোধন করেছে। বাংলাদেশের প্রায় ৫০ জন প্রসিকিউটর, তদন্তকারী, বিচারক, আর্থিক বিশ্লেষক, এবং সরকারি কর্মকর্তা ইন্টারনেটের মাধ্যমে একটি অনলাইন প্লাটফর্মে যুক্ত হয়ে জানবেন কীভাবে অপরাধী সংস্থাগুলো ডার্ক ওয়েব ও ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রযুক্তি ব্যবহার করে মাদক পাচার, অর্থ পাচার এবং অন্যান্য ভয়ংকর ধরনের বে আইনি কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে থাকে। কোর্সের প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের ডার্ক ওয়েব ও ক্রিপ্টোকারেন্সি বিষয়ক ইন্টারন্যাশনাল কমপিউটার হ্যাকিং অ্যান্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অ্যাটর্নি জন ঘোষ।
যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার ওয়েবিনার সিরিজের উদ্বোধন করে অংশগ্রহণকারীসহ কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় সাহসিকতার সঙ্গে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করার জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, তাদের জন্য আমার শ্রদ্ধা, প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা, কারণ তারা খুব কঠিন ও বিপজ্জনক কাজ খুব ভালোভাবে করছে।
রাষ্ট্রদূত মিলার সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় বাংলাদেশের কাজের প্রশংসা করে আরও বলেন, বাংলাদেশ বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ গ্রহণের মধ্য দিয়ে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী কার্যক্রম জোরদার করেছে। অর্থপাচার রোধে শক্তিশালী ও কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে, দেশজুড়ে সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী ট্রাইবুনাল পরিচালনা করছে, এবং কম্পিউটার ও ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে সংঘটিত সন্ত্রাসী কার্যক্রমের তদন্ত ও বিচারে ডিজিটাল প্রমাণাদির ব্যবহার বাড়িয়েছে।
এই সিরিজের প্রথম অধিবেশন ‘কমব্যাটিং ক্রিমিনাল ডার্ক ওয়েব মার্কেটপ্লেসেস ডিউরিং দি কোভিড-১৯ প্যানডেমিক’-এ মহামারি থেকে তৈরি হওয়া উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠাকে পুঁজি করে লাভবান হওয়ার জন্য অপরাধীরা কীভাবে বেনামি ব্রাউজার ও ইন্টারনেটের গোপন বিষয়াদির মাধ্যমে ডার্ক ওয়েব ব্যবহার করে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
এই অঞ্চলে সন্ত্রাসবাদ ও আন্তঃদেশীয় অপরাধমূলক কার্যক্রম মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে অনেক ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তারই অংশ হিসেবে ‘ক্রিমিনাল ইনফ্লুয়েন্স অন দি ডার্ক ওয়েব অ্যান্ড ইন দি ইউজ অফ ক্রিপ্টোকারেন্সি’- শীর্ষক তিন পর্বের এই ওয়েবিনার সিরিজ পরিচালনা করা হচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ