ঢাকা, বৃহস্পতিবার 6 August 2020, ২২ শ্রাবণ ১৪২৭, ১৫ জিলহজ্ব ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

সাহেদের দুর্নীতি অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত দুদকের

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: বিতর্কিত ব্যবসায়ী মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে উত্থাপিত জালিয়াতি-দুর্নীতির অভিযোগ সমূহ খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ সোমবার (১৩ জুলাই) দুদকের পরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মাইক্রোক্রেডিট ও এমএলএম ব্যবসার নামে জনসাধারণের সঙ্গে প্রতারণা করে কোটি কোটি টাকা সংগ্রহ, বহুমাত্রিক জাল-জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে পরস্পর যোগসাজশে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, আয়কর ফাঁকি, ভুয়া নাম ও পরিচয়ে ব্যাংক ঋণ গ্রহণ করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।

এর আগে কমিশনের সংশ্লিষ্ট অনুবিভাগগুলো বিভিন্ন ব্যক্তি, গণমাধ্যম, ভার্চুয়াল মাধ্যমসহ বিভিন্ন্ উৎস হতে সাহেদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ সংগ্রহ করে।

এসব তথ্য-উপাত্ত সংবলিত অভিযোগসমূহ কমিশনের দৈনিক ও সাম্প্রতিক অভিযোগ সেল কমিশনে উপস্থাপন করলে কমিশন এ সিদ্ধান্ত নেয়। কমিশনের বিশেষ তদন্ত অনুবিভাগের মাধ্যমে এই অভিযোগটি অনুসন্ধান করা হবে।

কমিশনের উপপরিচালক মো. আবু বকর সিদ্দিকের নেতৃত্বে তিন সদস্যেরে একটি অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়েছে। এ দলের অন্য সদস্যরা হলেন- মো. নেয়ামুল হাসান গাজী ও শেখ মো. গোলাম মাওলা।

করোনার ভুয়া সনদ দেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগে সাহেদের দুটি হাসপাতালে অভিযান, সিলগালা ও বন্ধ করার পর মঙ্গলবার সাহেদসহ রিজেন্ট হাসপাতাল ও রিজেন্ট গ্রুপের ১৭ জনের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করে র‌্যাব।

ওই মামলায় প্রথমে ৭ জন ও পরে সাহেদের অপর সহযোগী তারেক শিবলীকে গ্রেপ্তার করা করে রিমান্ডে নেওয়া হয়। কিন্তু অভিযানের সাত দিন পেরিয়ে গেলেও সাহেদকে ‘খুঁজে পায়নি’ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা।

ডিএস/এএইচ

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ