বৃহস্পতিবার ০১ অক্টোবর ২০২০
Online Edition

২০২০ সালে নিবন্ধিত হজ্বযাত্রীদের জন্য জরুরি বিজ্ঞপ্তি জারি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের

স্টাফ রিপোর্টার: মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে এ বছর কোনো দেশ থেকে কোনো হজ্বযাত্রী পবিত্র হজ্ব পালন করতে সৌদি আরব যেতে পারবেন না। এর আওতায় পড়েছে বাংলাদেশও। এ পরিপ্রেক্ষিতে এ বছর নিবন্ধিত ও প্রাক-নিবন্ধিত হজ্বযাত্রীদের জন্য জরুরি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।
গতকাল রোববার (১২ জুলাই) মন্ত্রণালয়ের হজ্ব অনু বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ বছর সৌদি আরবে অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের নাগরিক এবং সৌদি নাগরিকদের অংশগ্রহণে সীমিত পরিসরে হজ্ব অনুষ্ঠিত হবে। এমতাবস্থায় বাংলাদেশ থেকে পবিত্র হজ্ব পালনের জন্য প্রাক-নিবন্ধিত ও নিবন্ধিত ব্যক্তিদের জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয় নিম্নোক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
১. ২০২০ সালে পবিত্র হজ্ব পালনের জন্য যাদের প্রাক-নিবন্ধনের মেয়াদ বৈধ ছিল তা ২০২১ সালের জন্য বলবৎ থাকবে।
২. সরকারি ও বেসরকারি উভয় ব্যবস্থাপনার যেসব প্রাক-নিবন্ধিত ব্যক্তি ২০২০ সালের হজে¦র জন্য নিবন্ধন করেছিলেন তাদের নিবন্ধন ২০২১ সালের জন্য বৈধ থাকবে। নিবন্ধনকারী হজ্বযাত্রীদের জমাকৃত টাকা ২০২১ সালের প্যাকেজ মূল্যের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।
৩. ২০২০ সালের হজযাত্রী নিবন্ধন বাতিল বিষয়ে ই-হজ সিস্টেমের ওপর সকল ব্যাংকের প্রতিনিধি, নিবন্ধন কেন্দ্রের প্রতিনিধি এবং হজ্বযাত্রী নিবন্ধনকারী এজেন্সির প্রতিনিধিদের ১৩ জুলাই থেকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। পবিত্র হজ পালনের জন্য সরকারি ও বেসকারি ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধিত কোনো হজযাত্রী নিবন্ধন বাতিল করতে চাইলে হজ পাের্টালে বা এই লিংকে নিজে বা নিবন্ধন কেন্দ্র থেকে আবেদন করতে পারবেন।
৪. আবেদন অনুমোদিত হলে তার অনুকূলে নিবন্ধন বাতিল ভাউচার তৈরি হবে এবং ২০২০ সালের নিবন্ধন ও প্রাক-নিবন্ধন উভয়ে বাতিল হবে। ভবিষ্যতে হজে যেতে চাইলে নতুন করে প্রাক-নিবন্ধন এবং নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধন বাতিলকারী ব্যক্তিকে কোনো প্রকার কর্তন ব্যতীত তার প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধনের টাকা ফেরত প্রদান করা হবে।
৫. সরকারি ব্যবস্থাপনার হজ্ব নিবন্ধন বাতিলকারী ব্যক্তির ক্ষেত্র সোনালী ব্যাংক থেকে প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধনের জন্য জমাকৃত সমুদয় অর্থ অনলাইনে সরাসরি হজযাত্রীর অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হবে। কোনো হজযাত্রীর ব্যাংক হিসাব না থাকলে আর ইচ্ছানুযায়ী পে-অর্ডারের মাধ্যমে পরিশোধ করা হবে। এ জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে নিবন্ধন বাতিল ভাউচার ও জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদর্শন করতে হবে।
৬. বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজ্বযাত্রীদের ক্ষেত্রে নিবন্ধনের জন্য জমাকৃত সমুদয় অর্থ হজ্বযাত্রীর অনুযায়ী সরাসরি নিবন্ধনকারী ব্যাংক থেকে অনলাইনে হজ্বযাত্রীর অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর অথবা এজেন্সির মাধ্যমে প্রদান করা হবে। একেক নিবন্ধনের জন্য জমাকৃত অর্থ পূর্বের ন্যায় পরিচালক, হজ্ব অফিস, ঢাকা থেকে হজযাত্রীর ইচ্ছানুযায়ী সরাসরি তাকে অথবা এজেন্সির মাধ্যমে ফেরত প্রদান করা হবে।
৭. নিবন্ধিত হজ্বযাত্রীদের ক্ষেত্রে নিবন্ধনের সময় জমাকৃত অর্থ, কোনো অবস্থাতেই বাংলাদেশে ব্যয় করা হবে না এবং সৌদি আরবেও প্রেরণ করা যাবে না। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ব্যতীত কোনো এজেন্সি ব্যাংক থেকে এ টাকা উত্তোলন করতে পারবে না। ২০২০ সালে নিবন্ধনকারী হজ্বযাত্রীদের জমাকৃত টাকা ২০২১ সালের প্যাকেজ মূল্য সাথে সমন্বয় করা হবে।
৮. ২০২০ সালে নিবন্ধনকারী হজ্বযাত্রীদের জমাকৃত টাকা যেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ছাড়া কোনো এজেন্সি তুলতে না পারে সে ব্যাপারে হজ্বযাত্রী নিবন্ধনকারী সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপকদের দৃষ্টি রাখার জন্য অনুরোধ করা হলো। ব্যাংক কর্মকর্তারা হজ্ব নিবন্ধন বাতিলকারীর অর্থছাড় করার পূর্বে যাত্রীদের পরিচয়পত্রের সঙ্গে ভাউডারের নিশ্চিত করে নেবেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ