বৃহস্পতিবার ০১ অক্টোবর ২০২০
Online Edition

কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তে বাংলাদেশীকে গুলী করে হত্যা করল ভারতীয়রা

সিলেট ব্যুরো : সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার উৎমা সীমান্তে ভারতীয় নাগরিকদের গুলীতে  আমির হোসেন নামের এক বাংলাদেশী নিহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার বিকাল চার টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে আরেক বাংলাদেশী আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উৎমা বিওপি সংলগ্ন সীমান্তে ভারতীয় খাসিয়ারা গুলী ছুঁড়ে। এতে আমির হোসেন নামের এক ব্যক্তি মারা যান। তিনি ওই এলাকার মো. বাবুল হোসেনের ছেলে। এছাড়া মো. কয়েছ মিয়া নামের এক বাংলাদেশী আহত হন। এ নিয়ে গত দেড় মাসে কেবল কোম্পানিগঞ্জ সীমান্তেই ভারতীয় খাশিয়ার গুলতে ৫ জন নিহত হলেন।
সিলেট বিজিবি সূত্রে জানা যায় যে, শনিবার দুপুরে সিলেট ব্যাটালিয়ন (৪৮ বিজিবি) এর অধীনস্থ কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার উৎমা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ১২৫৭/৯-এস সংলগ্ন দিয়ে ২ জন বাংলাদেশী নাগরিক ভারতের  ৮০০ গজ অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। এ সময় ভারতীয় খাসিয়া নাগরিকরা তাদের গুলী করে। এতে একজন নিহত ও একজন আহত হন। নিহত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা সম্ভব হলেও আহত ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন বলে বিজিবি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে বিজিবি'র ৪৮ ব্যাটেলিয়ানের অধিনায়ক লে. কর্ণেল আহমেদ ইউসুফ জামিল, পিএসসি বলেন, সীমান্তে অবৈধ চলাচল রোধে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যেও  টহল এবং নজরদারী অব্যাহত রেখেছে বিজিবি। সীমান্তবর্তী এলাকার বাংলাদেশী নাগরিকদের অবৈধভাবে প্রবেশ না করার জন্য বারবার অনুরোধ জানানো হয়েছে। তবু কিছু কিছু ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ কেউ অবৈধভাবে ভারতে ঢুকে পড়েন।

স্বামীকে হত্যাচেষ্টায়
ছেলেসহ স্ত্রী কারাগারে
পারিবারিক কলহের জেরে আব্দুর রহমান নামের ষাটোর্ধ স্বামীকে হত্যার চেষ্টা করেছেন তারই স্ত্রী। আব্দুর রহমান সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার অলংকারী ইউনিয়নের লালটেক গ্রামের মৃত মরম আলীর ছেলে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের পর তার স্ত্রী লাল বিবি (৪৬) ও ছেলে রুহেল মিয়াকে (১৯) আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ। গতকাল শনিবার দুপুরে তাদর দুজনকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার রাতে স্ত্রীর নিকট পানি চাইলে গ্লাসের পানিতে বিষ মিশিয়ে স্বামী আব্দুর রহমানকে পান করতে দেন তার স্ত্রী লাল বিবি। এ সময় গ্লাস হাতে নিয়ে পানিতে বিষের গন্ধ পেয়ে পুলিশে খবর দেন আব্দুর রহমান। খবর পেয়ে থানা পুলিশের এসআই ইমরুলসহ একদল পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছেন। এ সময় অভিযোগের সত্যতা আব্দুর রহমানের স্ত্রী ও ছেলেকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। গতকাল শনিবার  সকালে আব্দুর রহমান বাদী হয়ে স্ত্রী-সন্তানকে অভিযুক্ত করে থানায় একটি হত্যার চেষ্টা মামলা দায়ের করেন (মামলা নং ১০)। বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শামীম মুসা বলেন, আব্দুর রহমানের মামলার প্রেক্ষিতে তার স্ত্রী ও ছেলেকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ