ঢাকা, বৃহস্পতিবার 6 August 2020, ২২ শ্রাবণ ১৪২৭, ১৫ জিলহজ্ব ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

বগুড়া-১ ও যশোর-৬ আসনের স্থগিত উপনির্বাচন ১৪ জুলাই

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: করোনাভাইরাসের কারণে এতদিন স্থগিত থাকা বগুড়া-১ ও যশোর-৬ আসনের উপনির্বাচন আগামী ১৪ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে। 

আজ শনিবার (৪ জুলাই) বিকেলে কমিশনের নিয়মিত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব মো. আলমগীর।তিনি আরো জানান, করোনাভাইরাসের মধ্যে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামী ১৪ জুলাই ওই দু’টি আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। আজকের সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে চার নির্বাচন কমিশনার ও সিনিয়র সচিব উপস্থিত ছিলেন।

ইসি সচিব বলেন, ‘উপনির্বাচনের জন্য নতুন করে কোনো মনোনয়নপত্র জমা কিংবা দাখিলের প্রয়োজন নেই। নির্বাচনে যেসব প্রার্থী ছিলেন এবং যে অবস্থায় নির্বাচন স্থগিত হয়েছিল, সে অবস্থা থেকেই আবার নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু হবে।’

তিনি বলেন, ‘গত ২৯ মার্চ উল্লিখিত দুই সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত থাকলেও করোনাভাইরাসের কারণে স্থগিত করা হয়। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে ওই দুই আসনে নির্বাচন করা হচ্ছে। কারণ ১৫ জুলাই বগুড়া-১ এবং ১৮ জুলাই যশোর-৬ আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সংবিধান নির্ধারিত ১৮০ দিন শেষ হতে যাচ্ছে।’

গত ২১ জানুয়ারি যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের সংসদ সদস্য ইসমাত আরা সাদেক মারা গেলে তাদের সংসদীয় আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়। ১৬ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশন যশোর-৬ আসনের উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে।

এদিকে তফসিল ঘোষণার একদিন আগেই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ তাদের প্রার্থী চূড়ান্ত করে। দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ১৫ ফেব্রুয়ারি দলের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভায় যশোর-৬ আসনে নৌকা প্রতীকে শাহীন চাকলাদারকে প্রার্থী চূড়ান্ত করে আওয়ামী লীগ। একইদিন বগুড়া-১ আসন উপনির্বাচনে নৌকার প্রার্থী করা হয় এই আসনের প্রয়াত সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নানের স্ত্রী শাহাদারা মান্নান শিল্পীকে।

এছাড়া যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের উপনির্বাচনে জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন হাবিবুর রহমান। তিনি জাতীয় পার্টির নির্বাহী কমিটির সদস্য।

উল্লেখ্য, সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদের ৪ দফায় বলা হয়েছে, ‘সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া ব্যতীত অন্য কোনো কারণে সংসদের কোনো সদস্যপদ শূন্য হইলে পদটি শূন্য হইবার নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত শূন্যপদ পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে। তবে শর্ত থাকে যে, যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মতে, কোনো দৈব-দুর্বিপাকের কারণে এই দফার নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হয়, তাহা হইলে উক্ত মেয়াদের শেষ দিনের পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে’।

ডিএস/এএইচ

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ