শনিবার ০৪ জুলাই ২০২০
Online Edition

বিশ্বে করোনায় মৃত্যু ৫ লাখ ৮ হাজার

স্টাফ রিপোর্টার: করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) স্তব্ধ গোটা দুনিয়া। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাস মোকাবিলায় দেশে দেশে চলছে লকডাউন, জরুরি অবস্থাসহ নানা বিধি নিষেধ। যদিও কিছু দেশ সংক্রমণ কমতে থাকায় লকডাউন শিথিল করছে। তারপরও এতে পুরো দুনিয়া বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত ডিসেম্বরে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বজুড়ে। এরপর ছয় মাস পেরোলেও নিয়ন্ত্রণের কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। যদিও এর ভ্যাকসিন আবিষ্কারে উঠে পড়ে লেগেছেন বিজ্ঞানীরা। এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা এক কোটি ৪ লাখ ছাড়িয়েছে। মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে ৫ লাখ ৮ হাজার। তবে এর মধ্যেও আশার ব্যাপার হলো এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছে সাড়ে ৫৬ লাখেরও বেশি মানুষ।
আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে এখন পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৮ হাজার ২২৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৪১৫ জনের। আক্রান্ত হয়েছে ১ কোটি ৪ লাখ ১২ হাজার ৪৩৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার ৯৮৫ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছে ৫৬ লাখ ৬৮ হাজার ৭৫৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছে ১ লাখ ৯ হাজার ৩৭৪ জন। 
বিশ্বে বর্তমানে ৪২ লাখ ৩৫ হাজার ৪৮৪ জন শনাক্ত করোনা রোগী রয়েছে। তাদের মধ্যে ৪১ লাখ ৭৭ হাজার ৭০২ জন চিকিৎসাধীন, যাদের অবস্থা স্থিতিশীল। আর বাকি ৫৭ হাজার ৭৮২ জনের অবস্থা গুরুতর, যাদের অধিকাংশই আইসিউতে রয়েছে।
করোনা ভাইরাসে বর্তমানে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে মোট আক্রান্ত ২৬ লাখ ৮১ হাজার ৮১১, সুস্থ হয়েছে ১১ লাখ ১৭ হাজার ১৭৭, মারা গেছে ১ লাখ ২৮ হাজার ৭৮৩ জন। এখন পর্যন্ত করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যু এবং আক্রান্ত যুক্তরাষ্ট্রে। আর করোনার উৎপত্তিস্থল চীনে আক্রান্ত ৮৩ হাজার ৫৩১, সুস্থ হয়েছে ৭৮ হাজার ৪৬৯, মারা গেছে ৪ হাজার ৬৩৪ জন।
দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে খারাপ অবস্থা ভারতের। সেখানে আক্রান্ত ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৫৩৬, সুস্থ হয়েছে ৩ লাখ ৩৫ হাজার ২৭১, মারা গেছে ১৬ হাজার ৯০৪ জন। পাকিস্তানে আক্রান্ত ২ লাখ ৯ হাজার ৩৩৭, সুস্থ হয়েছে ৯৮ হাজার ৫০৩, মারা গেছে ৪ হাজার ৩০৪ জন। বাংলাদেশে আক্রান্ত ১ লাখ ৪১ হাজার ৮০১, সুস্থ হয়েছে ৫৭ হাজার ৭৮০, মারা গেছে ১ হাজার ৭৮৩ জন।
আর যেসব দেশে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যু হয়েছে, সেগুলো হলো- ব্রাজিলে বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আক্রান্ত এবং মৃত্যু। সেখানে আক্রান্ত ১৩ লাখ ৭০ হাজার ৪৮৮, সুস্থ হয়েছে ৭ লাখ ৫৭ হাজার ৪৬২, মারা গেছে ৫৮ হাজার ৩৮৫ জন। রাশিয়ায় আক্রান্ত ৬ লাখ ৪১ হাজার ১৫৬, সুস্থ হয়েছে ৪ লাখ ৩ হাজার ৪৩০, মারা গেছে ৯ হাজার ১৬৬ জন। যুক্তরাজ্যে আক্রান্ত ৩ লাখ ১১ হাজার ৯৬৫, মারা গেছে ৪৩ হাজার ৫৭৫ জন। স্পেনে আক্রান্ত ২ লাখ ৯৬ হাজার ৫০, মারা গেছে ২৮ হাজার ৩৪৬ জন। পেরুতে আক্রান্ত ২ লাখ ৮২ হাজার ৩৬৫, সুস্থ হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার ১৫৯, মারা গেছে ৯ হাজার ৫০৪ জন। চিলিতে আক্রান্ত ২ লাখ ৭৫ হাজার ৯৯৯, সুস্থ হয়েছে ২ লাখ ৩৬ হাজার ১৫৪, মারা গেছে ৫ হাজার ৫৭৫ জন। ইতালিতে আক্রান্ত ২ লাখ ৪০ হাজার ৪৩৬, সুস্থ হয়েছে ১ লাখ ৮৯ হাজার ১৯৬, মারা গেছে ৩৪ হাজার ৭৪৪ জন। ইরানে আক্রান্ত ২ লাখ ২৫ হাজার ২০৫, সুস্থ হয়েছে ১ লাখ ৮৬ হাজার ১৮০, মারা গেছে ১০ হাজার ৬৭০ জন।
এছাড়া মেক্সিকোতে আক্রান্ত ২ লাখ ২০ হাজার ৬৫৭, সুস্থ হয়েছে ১ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪, মারা গেছে ২৭ হাজার ১২১ জন। তুরস্কে আক্রান্ত ১ লাখ ৯৮ হাজার ৬১৩, সুস্থ হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার ৮০৯, মারা গেছে ৫ হাজার ১১৫ জন। জার্মানিতে আক্রান্ত ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৯২, সুস্থ হয়েছে ১ লাখ ৭৯ হাজার ১০০, মারা গেছে ৯ হাজার ৪১ জন। সৌদি আরবে আক্রান্ত ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৩৬, সুস্থ হয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার ১১৮, মারা গেছে ১ হাজার ৫৯৯ জন। ফ্রান্সে আক্রান্ত ১ লাখ ৬৪ হাজার ২৬০, সুস্থ হয়েছে ৭৫ হাজার ৬৪৯, মারা গেছে ২৯ হাজার ৮১৩ জন। দক্ষিণ আফ্রিকায় আক্রান্ত ১ লাখ ৪৪ হাজার ২৬৪, সুস্থ হয়েছে ৭০ হাজার ৬১৪, মারা গেছে ২ হাজার ৫২৯ জন। কানাডাতে আক্রান্ত ১ লাখ ৩ হাজার ৯১৮, সুস্থ হয়েছে ৬৭ হাজার ১৭৮, মারা গেছে ৮ হাজার ৫৫৬ জন।
প্রসঙ্গত, এ রোগের কোনো উপসর্গ যেমন জ্বর, গলা ব্যথা, শুকনো কাশি, শ্বাসকষ্ট, শরীর ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া, বারবার কাঁপুনি, পেশিতে ব্যথা, মাথা ব্যথা এবং স্বাদ বা গন্ধ না পাওয়া। তাই এগুলো দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। বাইরে চলাফেরার সময় মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। বাড়িঘর পরিষ্কার রাখতে হবে। বাইরে থেকে ঘরে ফিরে এবং খাবার আগে সাবান দিয়ে হাত পরিষ্কার করতে হবে। খাবার ভালোভাবে সিদ্ধ করে খেতে হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ