ঢাকা, বৃহস্পতিবার 3 December 2020, ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৭ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী
Online Edition

বুড়িগঙ্গায় ডুবে যাওয়া ‘মর্নিংবার্ড' লঞ্চ উদ্ধার

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: প্রায় ২৬ ঘণ্টা পর পানির নিচ থেকে টেনে তোলা হলো বুড়িগঙ্গায় ডুবে যাওয়া লঞ্চ 'মর্নিং বার্ড'কে। এয়ারলিফটিং করে সকাল ১১টার দিকে, লঞ্চটিকে তীরের কাছাকাছি আনা হয়। 

গতকাল কয়েক দফা চেষ্টা চালালেও লঞ্চটি উদ্ধারে ব্যর্থ হয় ফায়ার সার্ভিস।

এয়ার ব্যাগের সাহায্যে উদ্ধারে মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে চেষ্টা চালায় নৌবাহিনীর উদ্ধারকারী দল।লঞ্চটিকে এয়ার ব্যাগের মাধ্যমে ধীরে ধীরে বুড়িগঙ্গা নদীর মাঝ থেকে ঢাকার কেরানীগঞ্জের মীরেরবাগ চরের দিকে আনা হয়।

উদ্ধারকারী জাহাজ আসতে না পারায় ম্যানুয়াল পদ্ধতিতেই লঞ্চটি তোলার চেষ্টা হয়। এছাড়া লঞ্চের ভেতরে আর কোনো মৃতদেহ আছে কিনা, তা-ও নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করছেন উদ্ধারকর্মীরা।

এদিকে মর্নিং বার্ডকে ধাক্কা দেয়া ‘ময়ূর-২’ লঞ্চের মালিক ও চালকসহ ৬ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানায়।

ডুবে যাওয়া লঞ্চ থেকে উদ্ধার ৩২ জনের মৃতদেহ গত রাতেই, স্বজনদের কাছে হস্তান্তর সম্পন্ন হয়েছে। এ সময় সলিমুল্লাহ মেডিকেলে তৈরি হয় হৃদয়বিদারক দৃশ্যের। সোমবার সকাল নয়টায় সদরঘাটের উল্টো পাশে ডুবে যায় মর্নিং বার্ড।

লঞ্চডুবির ১৩ ঘণ্টা পর সুমন ব্যাপারী (৫৫) নামে এক ফল ব্যবসায়ীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। মুন্সীগঞ্জ জেলার টংগীবাড়ি থানার আব্দুল্লাহপুর এলাকার বাসিন্দা সুমন মিটফোর্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

অন্যদিকে, উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয়ের ধাক্কায় পোস্তগোলার চীন মৈত্রী সেতুর একটি ঘাটার তিন ফুট ভেঙে সরে গেছে। তাই সোমবার থেকে সেতুটি দিয়ে ভারি যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে, এক পাশ থেকে সীমিত আকারে হালকা যান চলাচল করছে।

এদিকে, সোমবার রাতে সদরঘাট নৌ থানার পুলিশ বাদী হয়ে ময়ুর-২ লঞ্চের মালিক, মাস্টার ও সারেংসহ সাতজনের বিরুদ্ধে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পর লঞ্চটি জব্দ করে থানা হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

লঞ্চডুবির ঘটনায় আর কোনো যাত্রী নিখোঁজ নেই বলে নিশ্চিত করেছেন বিআইডাব্লুউটিএর যুগ্ম পরিচালক একেএম আরিফ উদ্দিন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ