শনিবার ০৪ জুলাই ২০২০
Online Edition

জাতিসংঘের ডব্লিউএফপি ও অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশন বাংলাদেশকে ৩ লাখ গগলস-মাস্ক অনুদান দিয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার: জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) এবং অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশন যৌথভাবে বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) কাছে ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম হস্তান্তর করেছে। অস্ট্রেলিয়ার আর্থিক সহযোগিতায় জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) বাংলাদেশ সরকারকে দেড় লাখ গগলস ও দেড় লাখ এন-৯৫ মাস্ক অনুদান হিসেবে দিয়েছে।
গতকাল সোমবার ডব্লিউএফপির ঢাকা অফিস পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়। এতে উল্লেখ করা হয়, অস্ট্রেলিয়া সরকারের আর্থিক সহযোগিতায় দেওয়া এসব সরঞ্জামাদি কোভিড-১৯ মোকাবিলায় ব্যবহার করা হবে। এসব সরঞ্জামাদির মধ্যে এক লাখ ৫০ হাজার পিস গগলস, এক লাখ ৫০ হাজার পিস রেসপিরেটর মাস্ক (এন-৯৫) এবং ৬৫ হাজার পিস ফেস শিল্ড।
অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনার জেরেমি ব্রুয়ের বলেন, অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশন মনে করে সামনের সারিতে থাকা স্বাস্থ্যকর্মীদের একনিষ্ঠতা এবং যেসব বাধা তাদের অতিক্রম করতে হয় তা প্রশংসনীয়। ডব্লিউএফপির মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারকে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় সহযোগিতা করতে পেরে আমরা আনন্দিত।
এ পর্যন্ত বাংলাদেশে এক লাখ ৩৭ হাজার ৭৮৭ জনের করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে এক হাজার ১৭০ জন ডাক্তার, এক হাজার ১২০ জন নার্স এবং ২০০ জন টেকনিক্যাল সহায়তাকারী রয়েছেন। ডিজিএইচএস’র মহাপরিচালক প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ বলেন, এই সরঞ্জামগুলো সংকটময় এক সময়ে এসেছে। বিশেষ করে যখন কোভিড-১৯ এ সংক্রমণের সংখ্যা বাংলাদেশে বেড়েই চলেছে। তাই অস্ট্রেলিয়া সরকার ও ডব্লিউএফপিকে তাদের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানাতে চাই।
বাংলাদেশে ডব্লিউএফপির কান্ট্রি ডিরেক্টর রিচার্ড রাগান বলেন, স্বাস্থ্যকর্মীরা কোভিড-১৯ প্রতিরোধে সামনের কাতারে দাঁড়িয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। নিজেদের নিরাপদ রাখা এবং কার্যকরভাবে তাদের কাজ চালিয়ে যাবার জন্য সঠিক সরঞ্জামের প্রয়োজন। অরক্ষিত পরিবারগুলোকে খাদ্যসেবা দেওয়ার পাশাপাশি ডব্লিউএফপি বাংলাদেশ সরকারকে সরঞ্জামাদি সরবরাহের মাধ্যমে কোভিড-১৯ বিস্তার রোধে সহযোগিতা করে যাচ্ছে।
এদিকে গতকাল সোমবার দুপুরে নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, আমরা কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই ডাব্লিউএফপি ও অস্ট্রেলিয়াকে। বাংলাদেশের চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও সংশ্লিষ্টদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন, তাদের জন্য এ অনুদানটি পাঠিয়েছেন তারা।
নাসিমা সুলতানা আরও বলেন, এ পর্যন্ত ২৫ লাখ ২৮ হাজার ২৪৫টি ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী সংগ্রহীত হয়েছে। এ পর্যন্ত বিতরণ হয়েছে ২৩ লাখ ৮১ হাজার ১৬৪টি। ২৪ ঘণ্টায় বিতরণ হয়েছে চার হাজার ৬০০টি। বর্তমানে মজুদ আছে এক লাখ ৪৭ হাজার ৮১টি ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ