শনিবার ০৪ জুলাই ২০২০
Online Edition

বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবি ৩২ লাশ উদ্ধার

গতকাল সোমবার সকালে রাজধানীর শ্যামবাজার এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীতে লঞ্চডুবিতে উদ্ধারকৃত লাশের সাড়ি -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার : বুড়িগঙ্গা নদীতে অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে একটি লঞ্চ ডুবে গেছে। এ ঘটনায় গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৩২ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে সকাল নয়টার দিকে এমএল মর্নিং বার্ড নামের লঞ্চটি মুন্সিগঞ্জের কাঠপট্টি এলাকা থেকে ঢাকার সদরঘাটের উদ্দেশে রওনা হয়। সদরঘাটের কাছেই ফরাশগঞ্জ ঘাট এলাকায় নদীতে লঞ্চটি ডুবে যায়।
উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থল থেকে ৩০টি লাশ উদ্ধার করেন। এছাড়া স্থানীয়রা আরও দুজনকে উদ্ধার করে মিটফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন বলে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরদার জানান।
স্থানীয়রা জানান , এমভি মর্নিং বার্ড নামের ওই লঞ্চটি মুন্সিগঞ্জের কাঠপট্টি থেকে যাত্রী নিয়ে সদরঘাটের দিকে আসছিল। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শ্যামবাজারের কাছে নদীতে চাঁদপুর থেকে আসা ময়ূর-২ লঞ্চের ধাক্কায় সেটি ডুবে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীসহ সংশ্লিষ্টরা জানান , ফরাশগঞ্জ ঘাট এলাকায় শ্যামবাজারের কাছে বুড়িগঙ্গা নদীতে বড় লঞ্চের ধাক্কায়  ছোট লঞ্চটি ডুবে যাওয়ার ঘটনায় ডুবুরিদের উদ্ধার অভিযানে বিকেল পর্যন্ত যে ৩০ জনের যে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে ১৯ জন পুরৃষ, ৮ নারী এবং তিনজন শিশু রয়েছে । ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকেও এর সত্যতা দাবী করা হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিএর ঢাকা নদীবন্দরের যুগ্ম পরিচালক এ কে এম আরিফউদ্দিন জানান, ধাক্কা দেওয়া লঞ্চ ময়ূর-২ জব্দ করা হয়েছে। তবে লঞ্চের চালক পালিয়ে গেছেন।
ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্মকর্তা রোজিনা ইসলাম প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে দুর্ঘটনার বর্ণনা দিয়ে গণমাধ্যমকে বলেন, গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনার পর তাদের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে। পাশাপাশি নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএর কর্মীরাও সেখানে উদ্ধার অভিযানে অংশ নেন।
বিআইডব্লিউটিএ এর পরিবহন পরিদর্শক মো. সেলিম জানান, এমভি মর্নিং বার্ড নামের ওই লঞ্চটি মুন্সিগঞ্জের কাঠপট্টি থেকে যাত্রী নিয়ে সদরঘাটের দিকে আসছিল। শ্যামবাজারের কাছে নদীতে চাঁদপুর থেকে আসা ময়ূর-২ লঞ্চের ধাক্কায় সেটি ডুবে যায়। মর্নিং বার্ড নামের ওই লঞ্চে অর্ধশতাধিক যাত্রী ছিলেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও অনেকেই ভেতরে আটকা পড়েন। তবে ঠিক কতজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন, তা স্পষ্ট নয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চাঁদপুর থেকে আসা ময়ূর-২ ভোর সাড়ে ৪টার দিকে লালকুঠী ঘাটে যাত্রী নামিয়ে সদরঘাটের চাঁদপুর ঘাটে গিয়ে নোঙ্গর করার জন্য ব্যাক গিয়ারে ঘুরছিল। ওই সময় পেছনে নদীতে থাকা এমভি মর্নিং বার্ডের সঙ্গে ধাক্কা লাগে।
এদিকে দুর্ঘটনার পর হাজার হাজার মানুষ ঘাটে এসে ভিড় করেন। মর্নিং বার্ডের নিখোঁজ যাত্রীদের খোঁজে ঘাটে আসা স্বাজনদের বিলাপ করতে দেখ যায়।
ফায়ার সার্ভিস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসাইন বিকালে বলেন, যেখানে দুর্ঘটনা ঘটেছে, তার কাছাকাছি এলাকায় নদীর মাঝখানে ডুবে যাওয়া লঞ্চটি উল্টে রয়েছে। তাই ভেতরে কোনো মৃতদেহ আছে কিনা তা তল্লাশি করা যায়নি। কথা ছিল তল্লাশি শেষ হলে বিআইডব্লিউটিএর উদ্ধারকারী নৌযান ডুবে যাওয়া লঞ্চটি টেনে তুলে সরিয়ে নেবে। কিন্তু বাবুবাজার ব্রিজের নিচ দিয়ে উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় আসতে না পারায় তা সম্ভব হয়নি।
ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা যেসব লাশ উদ্ধার করেছেন, তাদের মধ্যে যমুনা ব্যাংকের ইসলামপুর শাখার কর্মচারী সুমন তালুকদারকে শনাক্ত করেন তার বড় ভাই নয়ন তালুকদার। তিনি জানান, তাদের বাড়ি মুন্সীগঞ্জের মিরকাদিমে। প্রতিদিন বাড়ি থেকে এসে পুরান ঢাকার ইসলামপুরে অফিস করতেন সুমন।
প্রতিদিনের মত সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লঞ্চে উঠে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন এক সন্তানের বাবা সুমন। পরে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে এবং তার ফোন বন্ধ পেয়ে সদরঘাটে ছুটে আসেন তার ভাই।
উদ্ধারকাজে অংশ নেওয়া ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা জানান, যেখানে দুর্ঘটনা ঘটেছে, তার কাছাকাছি এলাকায় নদীর মাঝখানে ডুবে যাওয়া লঞ্চটি শনাক্ত করা হয়েছে। ভেতরে আর কারও লাশ আছে কি না, তা তল্লাশি করে দেখা হবে। তল্লাশি শেষ হলে বিআইডব্লিউটিএর উদ্ধারকারী নৌযান ডুবে যাওয়া লঞ্চটি টেনে তুলে সরিয়ে নেবে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান কমোডর গোলাম সাদেক সাংবাদিকদের বলেন, দুই লঞ্চের কর্মীদের অসতর্কতায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে তারা মনে করছেন। উদ্ধার অভিযান শেষে এ বিষয়ে তদন্ত শুরু হবে।
তবে দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, একটি সিসিটিভি ফুটেজে যেভাবে ঘটনাটি দেখতে দেখা গেছে তাতে মনে হয়েছে ধাক্কা দেওয়ার বিষয়টি ‘পরিকল্পিত’।
এ দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে সাত সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। যুগ্ম সচিব (উন্নয়ন) মো. রফিকুল ইসলাম খানকে আহ্বায়ক এবং বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক (নৌ নিরাপত্তা) মো. রফিকুল ইসলামকে সদস্য সচিব করে গঠিত এই কমিটিকে সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
প্রাণ গেল যাদের
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা ওসি মোহাম্মদ শাহজামান জানান, যে ৩২ জনের লাশ মর্গে এসেছে, তাদের সবাইকে শনাক্ত করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের সবার বাড়ি় মুন্সীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায়। এরা হলেন- শাহাদাত হোসেন (৪৪), আবু তাহের বেপারী (৫৮), সুমন তালুকদার (৩৫), ময়না বেগম (৩৫), তার মেয়ে মুক্তা আক্তার (১৩), আফজাল শেখ (৪৮), মনিরুজ্জামান মনির (৪২), গোলাপ হোসেন (৫০), সুবর্ণা বেগম (৩৮), তার ছেলে তামিম (১০), আবু সাঈদ (৩৯), সুফিয়া বেগম (৫০), শহিদুল ইসলাম (৬১), মিজানুর রহমান কনক (৩২), সত্য রঞ্জন বনিক (৬৫), শামীম বৈপারী (৪৪), বিউটি আক্তার (৩৮), আয়শা বেগম (৩৫), মো. মিল্লাত (৩৫), মো. আমির হোসেন (৫৫), সুমনা আক্তার (৩২), পাপ্পু (৩২), মো. মহিম (১৭), দিদার হোসেন (৪৫), হাফেজা খাতুন (৩৮), হাসিনা রহমান (৩৫), সিফাত (৮), আলম বেপারী, তালহা (২), ইসমাইল শরীফ (৩৫), সাইফুল ইসলাম (৪২) ও বাসুদেব নাথ (৪৫)।
নেী প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, লঞ্চডুবিতে মারা যাওয়া প্রত্যেকের পরিবারকে দেড় লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। পাশপাশি লাশ দাফনের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রত্যেক পরিবারকে তাৎক্ষণিকভাবে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে বলে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোসেন জানান।
বিআইডিব্লিউটিএ’র পক্ষ থেকেও নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে ১০ হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়া হয়েছে জানিয়ে পরিচালক রফিকুল ইসলাম বলেন, ময়ূর-২ লঞ্চটি জব্দ করা হয়েছে। এ বিষয়ে তারা আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।
নদীর তলদেশে লঞ্চটি উল্টে আছে
ডুবে যাওয়া লঞ্চটি নদীর তলদেশে উপুড় হয়ে আছে। ভেতরে কত জনের লাশ আছে তা বোঝা যাচ্ছে না এখনও। শেষ য়ে ৭-৮টি লাশ ডুবে থাকা লঞ্চটির আশপাশে ভাসমান অবস্থায় পেয়েছেন বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ডুবুরিরা তাদের  সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।
বিআইডব্লিউটিএ’র হয়ে কাজ করছেন ডুবুরি জাহাঙ্গীর আলম শিকদার। ৯টি লাশ লঞ্চ থেকে উদ্ধার করেছেন তিনি। তিনি বলেন, ‘আমি সকাল ১০টার দিকে খবর পেয়ে এখানে আসি। এসে দেখি ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ড্রাইভে রয়েছে। আমাকে তারা কাজ করতে বললো। এরপর আমি নামলাম। লঞ্চটি ৬০-৭০ ফুট পানির নিচে কাত হয়ে রয়েছে। একটু তল্লাশি করার পরই দু’টি লাশ পেলাম। এরপর আবার যখন যাই তখন দেখি লঞ্চটি উপুড় হয়ে আছে। এরপর একে একে শিশুসহ আরও সাতটি লাশ উদ্ধার করে নিয়ে আসি। এরমধ্যে দু’জন নারী রয়েছে।’
আরেক বেসরকারি ডুবুরি মো. কালু ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে কাজ করছেন। তিনি বলেন, ‘পানির নিচে লঞ্চটি উপুড় হয়ে আছে। আমি দু’টি লাশ লঞ্চের বাইরে পেয়েছি। ধারণা করছি কিছু লাশ হয়তো বের হয়েছে।’
নজরুল ইসলাম নামে আরেক ডুবুরি বলেন, ‘আমি দুটি লাশ উদ্ধার করেছি। ভেতরে আর লাশ দেখলাম না। তবে লঞ্চটি উপুড় হয়ে রয়েছে, অন্য কোথাও লাশ থাকতে পারে।’
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ম্যানেজার শহীদুল ইসলাম সুমনা ঘটনাস্থলে লাশ গ্রহণ ও লাশ তীরে হস্তান্তর করছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের ডুবুরিরা কাজ করছেন। সব প্রতিষ্ঠান মিলে কাজ করছে। অভিযানের শেষ পর্যন্ত আমরা কাজ করবো।’
সিসিটিভি ফুটেজে দুর্ঘটনা- মুহূর্তে তলিয়ে যায় ‘মর্নিং বার্ড’
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেল কীভাবে ‘ময়ূরের’ এক ধাক্কায় ডুবে গেল ‘মর্নিং বার্ড’ নামের ছোট লঞ্চটি। ৩৭ সেকেন্ডর ভিডিওটি অনুযায়ী সকাল ৯টা ১২ মিনিটে ঘটনাটি ঘটে। ঘাট থেকে পিছন দিকে (ব্যাকে) যেতে গিয়েই ময়ূর এই দুর্ঘটনা ঘটায়। এবং মুহূর্তে ডুবন্ত ছোট লঞ্চটির ওপর পুরো শরীর উঠিয়ে দেয়।
ঘটনার পরেই সিসিটিভি ফুটেজটি পাওয়া যায়। কর্তৃপক্ষ জানায়, পল্টুুনগুলোতে বিআইডব্লিটিউএ নৌপুলিশের সিসি ক্যামেরা আছে। তারই একটার ছোট একটি ফুটেজ গনমাধ্যমের হাতে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে বড় লঞ্চ ‘ময়ূর’ ঘাট থেকে পিছনের দিকে (ব্যাকে) যাচ্ছিল আর ছোট লঞ্চটি মুন্সীগঞ্জ থেকে ঘাটের দিকে। হঠাৎই ব্যাকে আসা ময়ূরের ধাক্কায় মুহূর্তে উল্টে যায় ঘাটের দিকে যেতে থাকা ‘মর্নিং বার্ড’।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষে (বিআইডব্লিউটিএ) যুগ্ম পরিচালক (বন্দর ও পরিবহন বিভাগ) একেএম আরিফ উদ্দিন বলেন, সিসি ক্যামেরায় দুর্ঘটনার বিষয়টি ধরা পড়েছে। সেটাতে দেখা যাচ্ছে কীভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। তদন্ত টিম অবশ্যই তদন্তে এই বিষয়টি কাজে লাগাতে পারবেন।
 পোস্তগোলা ব্রিজে আটকে গেছে উদ্ধারকারী জাহাজ
ডুবে যাওয়া যাত্রীবাহী লঞ্চটি উদ্ধারের আসার পথে পোস্তগোলা ব্রীজে আটকে গেছে উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয়। তাই ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে জাহাজটি উদ্ধারের কাজ শুরু করে সংশ্লিষ্টরা। বিকালে বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমোডর গোলাম সাদিক এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘প্রত্যয় জাহাজটি উদ্ধারের জন্য আসার পথে পোস্তগোলা ব্রিজে আটকে যায়। কারণ নদীতে পানি বেশি। তাই সে এপাশে আসতে পারেনি। তাই আমরা এখন ম্যানুয়াল ও সনাতন পদ্ধতিতে লঞ্চটিকে ভাসিয়ে তোলার কাজ শুরু করছি। আমাদের ডুবুরিরা কাজ করছে। সব সেক্টরের কর্মীরা এখানে যোথভাবে কাজ করে। এতো দ্রুত আমরা সব করতে পেরেছি যা অকল্পনীয়।’ তিনি বলেন, ডুবুরীরা এখন ঘটনাস্থল থেকে দূরে গিয়ে খোঁজ করছে, কোথাও লাশ ভেসে যাচ্ছে কিনা।’
জানা গেছে, আরও অনেকে এখনও নিখোঁজ আছেন। তাদের সন্ধানে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট, নৌবাহিনীর ডুবুরি দলের সদস্য ও স্থানীয়রা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ