শনিবার ০৪ জুলাই ২০২০
Online Edition

বিসিবি’র করোনা অ্যাপের প্রশংসা করলেন পেসার রাহি

স্পোর্টস রিপোর্টার : করোনা ভাইরাসে ক্রিকেটারদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত খোঁজ-খবর রাখতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ‘কভিড-১৯ ওয়েল বিয়িং অ্যাপ’ নামে একটি অ্যাপ বানিয়েছে। বিসিবি’র এই উদ্যোগকে ভালো পদক্ষেপ বলে মনে করেন টাইগার পেসার আবু জায়েদ রাহি। কারণ করোনা ভাইরাস যেভাবে সংক্রমিত হচ্ছে সেটা এক ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। এরইমধ্যে তিন ক্রিকেটার-মাশরাফি বিন মর্তুজা, নাজমুল ইসলাম অপু ও নাফিস ইকবাল করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ক্রিকেটারদের মধ্যে এটা ইতিমধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। অজানা এক ভয় রাহিকেও পেয়ে বসেছে। ঠিক এমন সময় দারুণ এক প্রযুক্তি নিয়ে ত্রাতার ভূমিকায় আবির্ভুত হলো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড-বিসিবি। রাহি মনে করেন, বিসিবির এই অ্যাপের মাধ্যমে কিছুটা হলেও চিন্তামুক্ত থাকা যাবে। ক্রিকেটাররা কতটুকু করোনা ঝুঁকিতে আছে সেটা অন্তত বিসিবির নজরদারিতে থাকবে। রাহি বলেন, ‘আমার মতে খুবই ভালো একটা পদক্ষেপ। 

কারণ দেশের করোনার যে পরিস্থিতিম, তাতে আমরা সবাই আতঙ্কের মধ্যে আছি। করোনার প্রথম দিকে ক্রিকেটাররা খুব বেশি আক্রান্ত ছিল না। ইংল্যান্ড ও অন্যান্য দেশে ফুটবলাররা বেশি আক্রান্ত ছিল। এখন কিন্তু ক্রিকেটাররা আক্রান্ত হচ্ছে। তো আমাদেরও ভয় বেড়েছে। সেই বিবেচনায় এটা আমাদের জন্য খুবই ভালো। আমাদের কিছু হলে আগেভাগেই জানাতে পারছি।’ প্রাথমিকভাবে ৪০ জন ক্রিকেটার এই অ্যাপের সুবিধা পাচ্ছেন। এরপর ধীরে ধীরে সকল ক্রিকেটার এর আওতায় চলে আসবেন। গত ২৪ জুন বিসিবি এই অ্যাপটি চালু করেছে। অ্যাপটির কার্যক্রম নিয়ে রাহি বলেন, ‘প্রতিদিন সকাল ৮টায় অ্যাপের মাধ্যমে ৮টা প্রশ্নের যে ফর্মটা আছে ওইটা পূরণ করি, এরপর পাঠিয়ে দেই। আমার বিশ্বাস এটা আমাদের কারোরই খারাপ লাগছে না। আমার কাছে মনে হচ্ছে এটা আমাদের জন্য খুবই সময়োপযোগী একটি পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে আমরা যেমন নিরাপদে থাকতে পারব, তেমনি আমাদের ম্যানেজমেন্টও বুঝতে পারবে আমরা কে কী অবস্থায় আছি।’ মহামারিকালে অদৃশ্য শত্রুর সঙ্গে নিরন্তর লড়াইয়টিতে বিসিবি'ও নেওয়া দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপকে তাই তিনি স্বাগত জানিয়েছেন। রাহির স্বস্তির অন্যতম প্রধান কারণ হলো, ওই অ্যাপের মাধ্যমে এখন প্রতিদিনই তিনি নিজের স্বাস্থ্যের আপডেট বিসিবিকে দিতে পারছেন এবং নিজেও জানতে পারছেন। শরীরের কী অবস্থা, করোনার কোনো লক্ষণ আছে কীনা সব তথ্যই এই অ্যাপ তাকে দিচ্ছে। রাহি বলেন,‘করোনার প্রথম দিকে ক্রিকেট প্লেয়াররা খুব বেশি আক্রান্ত ছিল না। ইংল্যান্ড ও অন্যান্য দেশে ফুটবল প্লেয়াররাই বেশি আক্রান্ত ছিল। এখন কিন্তু ক্রিকেট প্লেয়াররাও আক্রান্ত হচ্ছে। তো আমাদেরও ভয় বেড়েছে। সেই বিবেচনায় এটা আমাদের জন্য খুবই ভালো একটি পদক্ষেপ। আমাদের কিছু হলে আগেভাগেই জানাতে পারছি।’ কারোনাকালে ক্রিকেটারদের স্বাস্থ্যগত বিষয়ের প্রতিদিনের আপডেট জানতে ২৪ জুন থেকে বিসিবি চালু করেছে ‘কভিড-১৯ ওয়েল বিয়িং অ্যাপ’। এই অ্যাপের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে ৪০ জন ক্রিকেটার বিসিবি'র ম্যানেজমন্টে অ্যান্ড ইনফরমেশন বিভাগের তৈরী কেন্দ্রীয় সার্ভারে যুক্ত হয়েছেন। নিজ নিজ  মোবাইলে ডাউনলোড করা অ্যাপে প্রতিদিন বিসিবি থেকে ৮টি প্রশ্ন পেয়ে থাকেন ক্রিকেটাররা। তাদের দেওয়া উত্তর সার্ভারে জমা হয়। সেই উত্তরের মাধ্যমে বিসিবি বুঝতে পারে কার শরীরের কী অবস্থা। এবং মেডিকেল বিভাগ তদানুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ