বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

২৩ জুন বেদনা বিধুর পলাশী দিবস

মো. আবুল হাসান/খনরঞ্জন রায়: আজ ২৩ জুন ২০২০ রক্তস্নাত পলাশী দিবস। এবছর পলাশী যুদ্ধের ২৬৩ বছর পূর্ণ হলো। পলাশীর যুদ্ধ নিয়ে আবেগনির্ভর রচনা অনেক হয়েছে। আবেগবর্জিত ও বস্তুনিষ্ঠ রচনার পরিমাণ তুলনামূলক কম। যুদ্ধটি ছিল সংক্ষিপ্ত মাত্র নয় ঘন্টার। সকাল আটটা থেকে বিকাল পাচঁটা পর্যন্ত। তাও আবার জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছিল শেষ দ্ইু ঘন্টায়। এ সময়ে ক্লাইভের মাত্র তিন হাজার সৈন্য নবাবের প্রায় ৫০ হাজার সৈন্যকে আতর্কিত আক্রমণে কাবু করেছিল। এই ছোট যুদ্ধটির তাৎক্ষণিক ও সুদূরপ্রসারী বড় তাৎপর্য ছিল। আসলে যুদ্ধটি ছিল আগাগোড়া এক গভীর ও সুবিন্যস্ত ষড়যন্ত্রের অংশ। প্রতীকী অর্থে পলাশীর যুদ্ধ শুধু ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ও নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার সৈন্যদের মধ্যে হয়নি। যুদ্ধটি পশ্চিমের বণিকপুঁজি তৃতীয় দুনিয়ায় মুনাফার স্বার্থে অনুপ্রবেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। পলাশীর ফলাফল ছিল, অবিভক্ত বাংলা তথা ভারত উপমহাদেশে সাম্রাজ্যবাদ, উপনিবেশবাদের অনুঘটক। সে কারণে পলাশীর যুদ্ধ একটি বাঁক বদলকারী যুদ্ধ বা ডিসিসিভ ব্যাটল হিসাবে চিহ্নিত। 

পলাশীযুদ্ধের তাৎক্ষণিক ফল ছিল বাংলায় নবাবী শাসনের সমাপ্তি ও ইংরেজ ঔপনিবেশিক অনুপ্রবেশের সূচনা। পশ্চিম ইউরোপের বণিকপুঁজির প্রতিনিধি হিসেবে বাংলায় প্রথম আগমন হয়েছিল পর্তুগিজের। 

তারপর একে একে এল ওলন্দাজ, ফরাসি এবং সবশেষে ইংরেজ। আর শেষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলো ফরাসি ও ইংরেজদের মধ্যে, বিজয়ী হয়েছিল ইংরেজ ও ফরাসি বণিকপুঁজি স্বার্থের সংঘাত চলছিল দুই গোলার্ধ্যব্যাপী এবং এর একটি অংশ ছিল পলাশীর যুদ্ধ। পলাশীর যুদ্ধে ফরাসিরা সিরাজের পক্ষে লড়েছিল। ইতিহাস সাহিত্যে ফরাসিদের এই যুদ্ধ মানবিকতা হিসেবে কীর্তিত হয়েছে। ফরাসিরা সিরাজের বা বাংলার স্বাধীনতার পক্ষে নয় বরং ইংরেজদের বিপক্ষে লড়েছিল। ১৭৫৭ থেকে ১৭৬৩ এ সাত বছরের যুদ্ধে ইংরেজরাই জয়ী হয়েছিল। এই জয়ের পরই দুই গোলার্ধব্যাপী ইংরেজ বণিক পুঁজিভিত্তিক সাম্রাজ্যবাদ উপনিবেশবাদের অব্যাহত অগ্রযাত্রার সূচনা হয়। 

তৎকালীন সময়ে কু-মানসে ইংরেজরা নবাবের আদেশ অমান্য করে ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ নির্মাণ, সরকারি তহবিল তছরূপকারী রাজবল্লভের পুত্র কৃষ্ণদাসকে আশ্রয়দান, শুল্ক ফাঁকি দেওয়াসহ বাদশাহি দস্তকের যথেচ্ছ ব্যবহারের ফলে ক্ষুব্ধ নবাব ১৭৫৬ সালের ২০ জুন কলকাতা আক্রমণ করে তা অধিকার করে নেন। 

১৭৫৬ সালের ১৬ জুন ৩০ হাজার সেনা নিয়ে নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ আক্রমণ করেন। দুদিন ক্রমাগত যুদ্ধের পর ইংরেজ গর্ভনর ড্রেক পরাজয় নিশ্চিত জেনে ১৯ জুন দুর্গে অবস্থানরত ইংরেজদের বড় অংশ নিয়ে দুর্গের পিছন দিয়ে নৌকাযোগে পালিয়ে যান। কলকাতা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত ইংরেজ সেনাপতি জেঁ হলওয়েল অন্যান্য ইউরোপীয় ও আর্মেনীয়সহ প্রায় ১৭০ জন সেনা নিয়ে দুর্গে থেকে যান। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল কোনো রকম যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া, যাতে ড্রেকের নেতৃত্বে পালিয়ে যাওয়া ইংরেজরা সহজে নিরাপদ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে এবং পর দিন ২০ জুন থেকে যে নির্দেশ আসবে তা পালন করতে পারে। কিন্তু সিরাজের বন্ধুকধারী সেনাবাহিনীর কাছে হলওয়েল-বাহিনীর টিকে থাকা সম্ভব হয় না। ইংরেজ বাহিনীর ৫৩ জন্য সেনা অধিকাংশই ছিল ওলন্দাজ, রাতে পালিয়ে গিয়ে সিরাজের বাহিনীতে যোগ দেয়। 

২০ জুন সকাল থেকে দুপুরের মধ্যেই ২৫ জন ইংরেজ সেনা নিহত ও ৭০ জন আহত হয়। ইংরেজদের অবস্থা এমনই দাঁড়ায় যে কামান ব্যবহারের জন্য ১৪ জন গোলন্দাজ সার্জেন্ট বিশ্বাসঘাতকতা করে দুর্গের নদীর দিকের তোরণটি সিরাজের বাহিনীর জন্য খুলে দেয়। এ সময় নবাবের সেনাদের প্রবেশ ঠেকাতে কিছু ইংরেজ সেনা নিহত হয়। ইংরেজরা সিরাজের কাছে পরাজিত হয়। হলওয়েলসহ সবাই আত্মসমর্পন করতে বাধ্য হন।

ইংরেজদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল নবাব ইংরেজ বন্দীদের ১৮ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১৪ ফুট ১০ ইঞ্চি প্রস্থের একটি কক্ষে বন্দী করে রাখেন। কক্ষটিতে একটি ক্ষুদ্র জানালা ছিল। কলকাতায় জুনের প্রচ- গরমে সেই রাতে ওই কক্ষে গাদাগাদি করে রাখা ১৪৬ জন বন্দীর ১২৩ জন আহত অবস্থায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যায়। যুদ্ধ বিজয়ের পরপরই সিরাজ রাজধানীর মুর্শিদাবাদে ফিরে যান। এ ঘটনার প্রতিশোধ নিতে ও হারানো কলকাতা উদ্ধার করতে মাদ্রাজ থেকে রবার্ট ক্লাইভ আসেন, তাঁর নেতৃত্বে ১৭৫৭ সালের জানুয়ারিতে ইংরেজরা কলকাতা অধিকার করে, এর ধারাবাহিকতায় একই বছরের জুনে পলাশীর যুদ্ধে সিরাজ-উদ-দৌলাকে পরাজিত করে। 

১৭৫৭ সালের ২৩ জুন তারিখে যে যুগান্তকারী ঘটনা পলাশীর আ¤্রকাননে ঘটেছিল, তাতে ইংরেজ বাহিনীর প্রধান কর্নেল ক্লাইভের অধীনে ছিল ৬০০ পদাতিক গোরা সৈন্য, ৫০ নৌসেন্যসহ ১৫০ জন গোলন্দাজ সৈন্য, ২১০০ সিপাহী অর্থাৎ দক্ষিণ ভারতীয় তেলেঙ্গা সৈন্য, অতি স্বল্পসংখ্যাক পর্তুগীজ সৈন্য- সর্বমোট ৩০০০ সৈন্যের সামান্য বেশি। ক্লাইভের সঙ্গে ছিল মোট ৬টি কামান। তিনি ২২ জুন দিনগত রাত একটার দিকে পলাশীর আ¤্রকাননে শিবির স্থাপন করেন। 

বিভিন্ন ইউরোপীয় ইতিহাসবিদ যে বর্ণনা দিয়ে গেছেন, তাতে কম করে ধরলেও নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার অধীনে ছিল ৫০,০০০ পদাতিক সৈন্য, ১৫,০০০ সুশিক্ষিত অশ্বারোহী সৈন্য ও ৫০টি কামান। যুদ্ধ কিছুক্ষণ চলার পরই তাঁর দলের লোকক্ষয় দেখে কর্নেল ক্লাইভ হতাশ হয়ে পিছু হটতে বাধ্য হলেন এবং দুটিমাত্র কামানের সাহায্যে নবাবের বাহিনীকে কোনোমতে ঠেকিয়ে রেখে রাতের অন্ধকারে নবাবের বাহিনীকে অতর্কিতে আক্রমণ করার আশায় বাকি চারটি কামান ও সৈন্যদের নিয়ে আমবাগানের নিরাপদ স্থানে আশ্রয় গ্রহণ করেন। 

যদি নবাবের বাহিনী তাদের অবস্থানস্থল থেকে শুধু আক্রমণ চালিয়ে যেত, তবে দিন শেষে ক্লাইভের মুষ্টিমেয় তিন হাজার সৈন্যের মধ্যে একজনও তাঁদের পরিণতির কথা পৃথিবীকে জানাবার জন্য বেঁেচ থাকতে না। কিন্তু মীরজাফর আলী খানদের স্মরণীয় বিশ্বাসঘাতকতার পরিণতি বাংলার গৌরবোজ্জ্বল্যকে ম্লান ও কলঙ্কিত করেছিল। 

বর্তমানে ঐতিহাসিকগণ মোটামুটি একমত যে, বাংলায় একটি ব্রিটিশ রাজত্ব প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা আসে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর ওই সব কর্মকর্তাদের মধ্যে থেকে, যাঁরা বাংলায় ব্যাপকভাবে প্রাইভেট ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন। তাঁদের ব্যবসায়ী স্বার্থে পলাশীর চক্রান্ত পাকান এবং ঘটান। কোম্পানির স্বার্থকে শিকেয় তুলে নিজেদের ব্যক্তিগত স্বার্থ চরিতার্থ করার লক্ষ্যে তাঁরা স্থানীয় বণিকশ্রেণির সঙ্গে আঁতাত করে নবাবি সরকারকে আর্থিকভাবে দুর্বল করে তোলেন। এ আতাঁতের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করেছিল সাতসমুদ্র পরিব্যাপ্ত চলমান সপ্তবর্ষী ইঙ্গ-ফরাসি যুদ্ধ। আধুনিক বিশ্বে ব্রিটিশরাই সর্বপ্রথম ঔপনিবেশিক সা¤্রাজ্য স্থাপন করে এবং এ সা¤্রাজ্য প্রথম স্থাপিত হয় ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে। পলাশী যুদ্ধ থেকে এর যাত্রা। এ জন্য ঐতিহাসিকদের চোখে বিশ্বের সেরা যুদ্ধগুলোর মধ্যে পলাশী যুদ্ধ একটি অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা বলে বিবেচিত। ব্রিটিশরা এর নায়ক রবার্ট ক্লাইভকে সম্মানিত করেছে ‘লর্ড ক্লাইভ অব পলাশী’ উপাধি দিয়ে। এর পরের ইতিহাস কেবল ইংরেজদের ভারতীয় উপমহাদেশে আধিপত্যবাদ পাকাপোক্ত করার ইতিহাস। ভারতের সম্পদ ঐশ্বর্য, জীবনীশক্তি, লৌকজ প্রযুক্তিবিদ্যা পাচারের স্বীকৃতি আদায়ে। 

১৮৯২ তে মার্কিন ইতিহাসবিদ রবার্ট ব্রুকস উইলিয়াম বেশ জোরালো তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে দেখিয়েছিলেন, বাংলা থেকে লুণ্ঠিত সম্পদ কীভাবে ইংল্যান্ডে শিল্পবিপ্লব ত্বরাণি¦ত করেছিল। কার্ল মার্কস সামগ্রিক পরিপ্রেক্ষিতে ভারতে ব্রিটিশ উপনিবেশবাদের চরিত্র নির্দেশ করেছিলেন ‘তাস্করিক পুঁজিবাদী উপনিবেশবাদ’ হিসেবে। সিরাজের পরাজয় যেমন ব্রিটিশদের ভারত দখলের পথ সুগম করল, তেমনই বাংলার সম্পদও হলো তাদের হস্তগত। ব্রিটেনে শিল্পবিপ্লব তখন সবে শুরু হয়েছে। স্টিম ইঞ্জিনের পথিকৃৎ জেমস ওয়াট, পাওয়ার লুমের আবিস্কারক এডমন্ড কার্টরাইট, স্পিনিং মেশিনের আবিস্কারক জেসমস থারথ্রিভস- এঁদের সবার আবিস্কারের পেছনে বাংলার ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা প্রয়োজনীয় অর্থ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মাধ্যমে বাংলার টাকা দিয়েই মেটানো হয়েছিল। 

নিকট ইতিহাসে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি তাদের ব্যবসা ও শোষণের স্বার্থেই এদেশে আইন-কানুন প্রণয়ন করে তা বাস্তবায়নের জন্য প্রতিষ্ঠা করে কোর্টকাচারি। বাতিল করে সুলতানি ও নবাবি আমলের আইন-কানুন। কিন্তু তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল শোষণ এবং শাসনব্যবস্থাও হবে শোষণের সহায়ক। তাঁদের উদ্দেশ্য পূরণের জন্য সহায়ক বলে বিবেচনা করে দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে চালু করে ইংরেজি ভাষা। শিক্ষাব্যবস্থায় আদর্শিক চিন্তায় প্রতিষ্ঠা করে কারিগরি শিক্ষার ট্রেনিং নির্ভর কিছু তাবেদারি প্রতিষ্ঠান। 

স্বাধীন দেশে আমরা কিন্তু ট্রেনিং শিক্ষাব্যবস্থার মৌলিক পরিবর্তন আনিনি। এর কারণে দেশে অর্থনৈতিক বৈষম্যের প্রসার ঘটে চলেছে অনবরত। কিছু নগণ্যসংখ্যক মানুষ আকাশচুম্বি ভবনে সকল নাগরিক সুবিধা নিয়ে বাস করছে, বিপরীত দিকে গ্রামের অধিকাংশ কৃষক, তাঁতি, জেলে, কুমার সম্প্রদায় অস্বিত্বহীন শংকায় মানবেতর জীবনযাপন করছে। 

এ প্রসঙ্গে আমরা প্রতিবেশী ভারতের দিকে তাকালে দেখতে পাই, গেল শতকের তিরিশের দশকে স্বাধীনতাকামী ভারতবাসী যখন ব্রিটিশ শাসনের নাগপাশ থেকে বেরিয়ে আসার আন্দোলনে উত্তাল, পরাধীন দেশটির চিন্তাশীল ব্যক্তিরা- যাঁদের মধ্যে ছিলেন রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক শিক্ষাবিদ- স্বাধীন ভারতে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলার গবেষণা ও রূপরেখা তৈরিতে ব্যস্ত। আগামীদিনের ভারতের সার্বিক উন্নয়নে প্রযুক্তি উৎকর্ষতার ডিপ্লোমা শিক্ষার ভূমিকা, এর ব্যাপ্তি ও প্রয়োগের কথা মাথায় রেখে তাঁরা এক সুদূরপ্রসারী রূপকল্প তৈরি করেছিলেন। 

আজ থেকে প্রায় ৭০ বছর আগে ভারত তৃণমূলে ডিপ্লোমা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে। আজ দেশটি তার ফল পাচ্ছে। শিক্ষা গবেষক ও পরিকল্পনাবিদদের পরামর্শে ১৯৫০ সালে ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (আইআইটি) নামে প্রথম বিশ্বমানের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলার উদ্যাগ নেন। ১৯৫১ সালে প্রথম শিক্ষামন্ত্রী মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ভারতের শিক্ষার ঐতিহাসিক স্তর বিন্যাস করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এরপর পর্যায়ক্রমে মুম্বাই, কানপুর, মাদ্রাজ ও দিল্লীতে তৈরি করা হয় উন্নতমানের প্রযুক্তি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। যেখানে মধ্যম সারির কর্মকেন্দ্রিক শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় গড়ে উঠেছে প্রায় ৮০ হাজার বিশেষায়িত প্রযুক্তি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সেখানে কর্মকেন্দ্রীক ডিপ্লোমা শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। 

বাংলার মাটি থেকে পলাশীর ক্ষত মুছতে হলে আমাদের অন্তত ভারতীয় শিক্ষা দর্শন অনুসরণ করতে হবে। যুব তরুণদের প্রযুক্তি শিক্ষা অন্বেষণ সুযোগ দিতে হবে। কর্মবাজারে প্রবেশের আগেই তাঁদের দক্ষতা অর্জনে মনোনিবেশ ঘটাতে হবে। আমাদের শস্যশ্যামল পরিবেশ প্রকৃতির রূপ-বৈচিত্র্যের সন্ধান লাভের শিক্ষায় তরুণদের নিক্ষিপ্ত করতে হবে। আর তা না করতে পারলে জগৎশেঠ উর্মিচাঁদীয় কাসিমবাজার কুঠির খোঁয়াড়ে আবদ্ধ থাকতেই হবে আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মকে। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ