ঢাকা, শনিবার 4 July 2020, ২০ আষাঢ় ১৪২৭, ১২ জিলক্বদ ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

এখনই মোবাইলের খরচ বাড়ার কারণ জানতে চাইল বিটিআরসি

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: বাজেট পাসের আগে মোবাইলের কলরেট, এসএমএস এবং ইন্টারনেট সেবায় খরচ বাড়ানোর কারণ জানতে চেয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

সংস্থাটি অপারেটরদের বলেছে, বাজেটে যে সম্পূরক শুল্ক বাড়ানো হয়েছে, তা ইতিমধ্যেই আরোপ করা শুরু করেছে অপারেটরেরা। বিষয়টি বিটিআরসির নজরে এসেছে। এটা প্রমাণিত হলে নজিরবিহীন কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কঠোর শাস্তি কী কী হতে পারে, তাও উল্লেখ করেছে বিটিআরসি। এর মধ্যে রয়েছে সব ধরনের অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া। সব সেবা ও ট্যারিফ অনুমোদন বন্ধ করে দেওয়া।

বিটিআরসির জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ফারহান আলম শনিবার অপারেটরগুলোকে এ ই-মেইল পাঠান বলে জানা গেছে।

ই-মেইলে বিটিআরসি আরও বলেছে, বাজেটে মোবাইল সেবার ওপর যে সম্পূরক শুল্ক বাড়ানো হয়েছে, তা ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়ার কথা।

অবশ্য জাতীয় সংসদে যেদিন বাজেট ঘোষণা হয়, সেদিন থেকেই নতুন শুল্ক কার্যকর হয়। অর্থবিলের ৮৮ পাতায় কোন কোন দফা অবিলম্বে কার্যকর হবে, তা উল্লেখ করে দেওয়া হয়েছে। এর আওতায় ৮০ নম্বর দফাও আছে। এই দফার অন্তর্ভুক্ত মোবাইল সেবা।

এ বিষয়ে বিটিআরসির একজন কর্মকর্তা বলেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে জনস্বার্থে অপারেটরগুলোর কাছে জানতে চাইতেই পারি। আমরা তো বাড়াতে বলিনি। মার্কেটে বেড়ে গেলে জানতে চাইতে পারি। চিঠির জবাব পেলে পরে নীতিগত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

গত ১১ জুন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল আসন্ন বাজেটে মোবাইল ফোনের সিম কার্ডের সেবায় সম্পূরক শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেন। ৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বাড়ানোর ফলে মোবাইল ফোনের সেবায় ১৫ শতাংশ ভ্যাট, ১ শতাংশ সারচার্জ, ১৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক এবং অন্য খরচ মিলে ২৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৩৩ দশমিক ২৫ শতাংশ।

মোবাইল ফোন অপারেটররা বলছে, আগে ১০০ টাকা খরচ করলে সরকারকে ২১ টাকা ৫৭ পয়সা দিতে হতো। ৫ শতাংশ সম্পুরক শুল্ক বাড়ায় এখন তা হবে ২৪ টাকা ৯৫ পয়সা। এ বাড়তি খরচ ১১ জুন দিনগত মধ্যরাত থেকেই কার্যকর হয়েছে।

তবে ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে ভ্যাট ৫ শতাংশ হওয়ায় ডেটা ব্যবহারে কিছুটা কম খরচ হবে বলে জানান অপারেটররা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ