মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট ২০২০
Online Edition

বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত সাড়ে ৭৭ লক্ষাধিক ॥ মৃত্যু ৪ লাখ ২৮ হাজারের বেশি॥ সুস্থ সাড়ে ২৯ লাখ

# চীনে আবার যুদ্ধকালীন জরুরি অবস্থা  # একদিনে সর্বোচ্চ ৩৮৬ জনের মৃত্যু ভারতে
স্টাফ রিপোর্টার : মহামারি করোনা ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে মারা গেছে প্রায় ৪ লাখ ২৮ হাজারের বেশি মানুষ। আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৭৭ লাখ। তবে এর মধ্যেও আশার ব্যাপার হলো এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছে সাড়ে ৩৯ লাখ মানুষ।
আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে আক্রান্ত হয়েছে ৭৭ লাখ ৬৫ হাজার ৮৭৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ৪০ হাজার ৯১৭ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছে ৩৯ লাখ ৬৭ হাজার ৪১৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছে ৮৬ হাজার ২৪১ জন। মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ২৮ হাজার ৭৫৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে সাড়ে ৪ হাজারের বেশি মানুষের।
 করোনা ভাইরাস সংক্রমণে বর্তমানে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে মোট আক্রান্ত ২১ লাখ ১৭ হাজার ২৭, সুস্থ হয়েছে ৮ লাখ ৪১ হাজার ৯৩৬, মারা গেছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৮৩১ জন। এখন পর্যন্ত করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যু এবং আক্রান্ত যুক্তরাষ্ট্রে।
ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৪৫৮। এসময়ের মধ্যে এ রোগে ৩৮৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা একদিনের ব্যবধানে সর্বোচ্চ। শনিবার (১৩ জুন) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ তথ্য জানায়।
আর যেসব দেশে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যু হয়েছে, সেগুলো হলো- ব্রাজিলে আক্রান্ত ৮ লাখ ২৯ হাজার ৯০২, সুস্থ হয়েছে ৪ লাখ ২৭ হাজার ৬১০, মারা গেছে ৪১ হাজার ৯০১ জন। রাশিয়ায় আক্রান্ত ৫ লাখ ১১ হাজার ৪২৩, সুস্থ হয়েছে ২ লাখ ৬৯ হাজার ৩৭০, মারা গেছে ৬ হাজার ৭১৫ জন। যুক্তরাজ্যে আক্রান্ত ২ লাখ ৯২ হাজার ১৪৩, মারা গেছে ৪১ হাজার ৪৮১ জন। স্পেনে আক্রান্ত ২ লাখ ৯০ হাজার ২৮৯, মারা গেছে ২৭ হাজার ১৩৬ জন। ইতালিতে আক্রান্ত ২ লাখ ৩৬ হাজার ৩০৫, সুস্থ হয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৮৫, মারা গেছে ৩৪ হাজার ২২৩ জন। পেরুতে আক্রান্ত ২ লাখ ২০ হাজার ৭৪৯, সুস্থ হয়েছে ১ লাখ ৭ হাজার ১৩৩, মারা গেছে ৬ হাজার ৩০৮ জন। জার্মানিতে আক্রান্ত ১ লাখ ৮৭ হাজার ২৫১, সুস্থ হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার ৬০০, মারা গেছে ৮ হাজার ৮৬৩ জন।
এছাড়া ইরানে আক্রান্ত ১ লাখ ৮২ হাজার ৫২৫, সুস্থ হয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৬৪৯, মারা গেছে ৮ হাজার ৬৫৯ জন। তুরস্কে আক্রান্ত ১ লাখ ৭৫ হাজার ২১৮, সুস্থ হয়েছে ১ লাখ ৪৯ হাজার ১০২, মারা গেছে ৪ হাজার ৭৭৮ জন। চিলিতে আক্রান্ত ১ লাখ ৬০ হাজার ৮৪৬, সুস্থ হয়েছে ১ লাখ ৩১ হাজার ৩৫৮, মারা গেছে ২ হাজার ৮৭০ জন। ফ্রান্সে আক্রান্ত ১ লাখ ৫৬ হাজার ২৮৭, সুস্থ হয়েছে ৭২ হাজার ৫৭২, মারা গেছে ২৯ হাজার ৩৭৪ জন। মেক্সিকোতে আক্রান্ত ১ লাখ ৩৯ হাজার ১৯৬, সুস্থ হয়েছে ১ লাখ ১ হাজার ৭৬৭, মারা গেছে ১৬ হাজার ৪৪৮ জন। কানাডাতে আক্রান্ত ৯৭ হাজার ৯৪৩, সুস্থ হয়েছে ৫৮ হাজার ৫২৩, মারা গেছে ৮ হাজার ৪৯ জন।
এদিকে, ইন্দোনেশিয়ায় আক্রান্ত ৩৬ হাজার ৪০৬, সুস্থ হয়েছে ১৩ হাজার ২১৩, মারা গেছে ২ হাজার ৪৮ জন। সুইজারল্যান্ডে আক্রান্ত ৩১ হাজার ৬৩, সুস্থ হয়েছে ২৮ হাজার ৮০০, মারা গেছে ১ হাজার ৯৩৮ জন। পোলান্ডে আক্রান্ত ২৮ হাজার ৫৭৭, সুস্থ হয়েছে ১৩ হাজার ৮০৫, মারা গেছে ১ হাজার ২২২ জন। আয়ারল্যান্ডে আক্রান্ত ২৫ হাজার ২৫০, সুস্থ হয়েছে ২২ হাজার ৬৯৮, মারা গেছে ১ হাজার ৭০৫ জন। ফিলিপাইনে আক্রান্ত ২৪ হাজার ৭৮৭, সুস্থ হয়েছে ৫ হাজার ৪৫৪, মারা গেছে ১ হাজার ৫২ জন। রোমানিয়ায় আক্রান্ত ২১ হাজার ৪০৪, সুস্থ হয়েছে ১৫ হাজার ৪০৫, মারা গেছে ১ হাজার ৩৮০ জন।
 দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতে আক্রান্ত ৩ লাখ ৯ হাজার ৬০৩, সুস্থ হয়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৩৩০, মারা গেছে ৮ হাজার ৮৯০ জন। পাকিস্তানে আক্রান্ত ১ লাখ ৩২ হাজার ৪০৫, সুস্থ হয়েছে ৫০ হাজার ৫৬, মারা গেছে ২ হাজার ৫৫১ জন। বাংলাদেশে আক্রান্ত ৮১ হাজার ৫২৩, সুস্থ হয়েছে ১৭ হাজার ২৪৯, মারা গেছে ১ হাজার ৯৫ জন।
এদিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে শুরু হয়ে মহামারিতে পরিণত হয়েছে কোভিড-১৯। তবে পরিস্থিতি প্রায় সম্পূর্ণই নিয়ন্ত্রণে এনেছিল চীন, শুরু হয়েছিল স্বাভাবিক জীবনযাপন। এবার দেশটির রাজধানী বেইজিংয়ের একটি জেলায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়া গেছে। ফলে জেলাটিতে ‘যুদ্ধকালীন জরুরি অবস্থা’ জারি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে বেইজিংয়ে পর্যটন, খেলা এবং জনসমাবেশের সব স্থান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানায়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ