শনিবার ০৮ আগস্ট ২০২০
Online Edition

সোনামসজিদে কর জটিলতায় আটকে আছে পণ্যবোঝাই ১শ’ ট্রাক

শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) সংবাদদাতা: অগ্রিম কর প্রদান সংক্রান্ত জটিলতায় ভারত থেকে আমদানিকৃত ৮০ ট্রাক ভর্তি ৩ হাজার ১০০ টন মাছের খাবার তৈরির কাঁচামাল (রিপ সুইড এক্সটেনশান) ছাড় করছে না সোনামসজিদ স্থলবন্দর ও রাজশাহী বিভাগীয় শুল্ক রাজস্ব বিভাগ। ফলে বিপাকে পড়েছে ছয় আমদানিকারক। আমদানিকারকরা বলছেন, করোনা পরিস্থিতিতে কৃষি ও মৎস্যসহ সহায়ক শিল্পকে বাঁচাতে সম্প্রতি কৃষি উপকরণ, মৎস্য ও পশুখাদ্যের কাঁচামাল ও সহায়ক উপকরণ আমদানির ওপর থেকে শতকরা ৫ ভাগ অগ্রিম কর (এটি) মওকুফের পরিপত্র জারি করেন। কিন্তু সেই পরিপত্র এখন পর্যন্ত সোনামসজিদ স্থলবন্দরে ও রাজশাহী বিভাগীয় শুল্ক দফতরে না পৌঁছানোয় তারা এসব পণ্যের শুল্কায়ন করতে পারছেন না। ফলে গত ৫দিন ধরে এসব মালামাল ভর্তি ১শ টি ট্রাক বন্দর পরিচালনাকারী ইজারাদার পানামার ইয়ার্ডে পড়ে রয়েছে। আমদানিকারকের প্রতিনিধি তাসনীন এন্টারপ্রাইজের সত্তাধিকারী বাবুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন লকডাউনের কারণে এসব মালামাল কয়েক মাস ধরে আটকা পড়েছিল। এ কারণ আমদানিকারকদের বিপুল আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এখন গত সপ্তাহে বন্দর কার্যক্রম সচল হওয়ায় মালগুলি সোনামসজিদ স্থলবন্দরে ঢুকেছে। কিন্তু শুল্ক জটিলতায় এস মালামাল ছাড় করা যাচ্ছে না।শুল্ক কর্মকর্তারা বলছেন, শতকরা ৫ ভাগ অগ্রিম কর ছাড় সংক্রান্ত পরিপত্রটি তারা এখনো হাতে পাননি। ফলে আমদানিকারকদের দাবি মতে, ৫ ভাগ এটি ছাড়া মালামাল তারা ছাড় করতে পারছেন না। সোনামসজিদ স্থলবন্দরের দায়িত্বে নিয়োজিত শুল্ক রাজস্ব বিভাগের সহকারী কমিশনার সাইফুর রহমান জানান, আমদানিকৃত এসব কাঁচামাল ও উপকরণে রাজস্ব বোর্ড ৫ ভাগ অগ্রিম কর ছাড় করেছেন বলে আমরাও শুনেছি। কিন্তু সেই এসআরও বা জারিকৃত নির্দেশনাপত্র তারা হাত পাননি। ফলে এসব মালামাল ভর্তি ভারতীয় ট্রাকগুলি আটকা পড়ে আছে। বিষয়টি সম্পর্কে জানতে রাজশাহীর বিভাগীয় শুল্ক কমিশনারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ