সোমবার ১০ আগস্ট ২০২০
Online Edition

২ কোটি ২৮ লাখ টাকার ক্ষতি বিপাকে মাগুরার লিচু চাষিরা

মোঃ ওয়ালিয়র রহমান মাগুরা সংবাদদাতা: আম্ফান ও করোনার প্রভাবে, মাগুরার লিচু চাষিরা বিপাকে পড়েছেন। চাষিরা জানান এ বছর আবহয়া তাদের অনুকূলে থাকলেও সর্বনাশা ঝর আম্ফান ও করোনা ভাইরাসের কারণে মাগুরার বাইরে থেকে কোন লিচু ব্যবসায়ীরা আসেননি তাদের বাগানে লিচু কিনতে। লিচুর দাম না পেয়ে চাষিরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। দুই দশক ধরে তারা লিচু চাষ করছেন কিন্তু এবারের মত ক্ষতির সম্মুক্ষীণ তারা হননি। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে মাগুরা শ্রীপুর শালিখা ও মহম্মাদপুর উপজেলার ৩৫টি গ্রামে ৫৮০ হেক্টর জমি লিচু চাষের আওতায় আনা হয়। চাষিদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা ও  তারা করেছেন। সদরে ৪৬০ হেক্টর শ্রীপুরে ৮০ হেক্টর শালিখা ২০ হেক্টর মহম্মদপুরে ২০ হেক্টর জমিতে লিচুর আবাদ হয় কিন্তু ঝড়ের কারণে ৫৮ হেক্টর জমির লিচু নষ্ট হয়। ক্ষতির পরিমাণ দাড়াঁয় ২কোটি ২৮ লাখ টাকা। ইছাখাদা গ্রামের লিচু চাষি রাজু বিশ^াস স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান,ধান পাট সহ অন্যন্য ফসল চাষে অভ্যস্থ ছিলাম কিন্তু উৎপাদন খরচ না উঠায় লাভজনক ফসল পেঁপে পেয়ারার পাশাপাশি লিচু চাষে আগ্রহী হয়েছি। লিচু চাষে তুলনামূলক ভাবে উৎপাদন খরচ কম লাভ হয় বেশি।

আলাইপুর গ্রামের লিচু চাষি মোঃ সিদ্দিকুর রহমান জানান গত বছর তার ৬৫০ টি লিচু গাছ থেকে ১৫ লক্ষ টাকার লিচু বিক্রি করে লাভবান হয়েছেন কিন্তু এ বছর মাত্র ৬ লক্ষ টাকার লিচু বিক্রি করেছেন। ঝড়ের লিচু গাছের ৪০ শতাংশ লিচু নষ্ট হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোঃ জাহিদুল ইসলাম জানান চাষিদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে লিচুর ফলনও ভাল হয়েছে। ক্রেতা নেই ব্যাপারি নেই দাম ও  কম ১ হাজার ৫ শতা ৩৬টি বাগানের লিচু চাষিরা পড়েছেন বিপাকে। লিচুর ভরা মওসুমে  লক ডাউনের কারনে ঢাকা থেকে কোন ব্যবসায়ী মাগুরায়  লিচু কিনতে আসতে পারেননি। লিচুর সঠিক দাম পেলে চাষিরা লাভবান হত।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ