বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

তামিমের সহযোগিতায় হাসপাতাল পেলেন বিপ্লবের বাবা

স্পোর্টস রিপোর্টার: শ্বাসকষ্টের সমস্যা আগে থেকেই, তবে গত দুই দিন অবস্থা আরও খারাপের দিকে যায় বাংলাদেশের লেগ স্পিনার আমিনুল ইসলাম বিপ্লবের বাবা আব্দুল কুদ্দুসের। অসুস্থ বাবাকে নিয়ে অন্তত পাঁচটি হাসপাতালে ঘুরেছেন তিনি, কিন্তু কোথাও জায়গায় হয়নি। করোনাভাইরাসের কঠিন সময়ে শ্বাসকষ্টের কারণে কোনও হাসপাতাল ভর্তি নেয়নি। অবশেষে তামিম ইকবালের সহযোগিতায় বুধবার সন্ধ্যায় মিরপুরের হার্ট ফাউন্ডেশনে বাবাকে ভর্তি করিয়েছেন বিপ্লব।খিলগাঁওয়ের বাসায় শ্বাসকষ্টে কাতরানো বাবাকে নিয়ে বেশ কয়েকটি হাসপাতাল ঘুরে শ্যামলীতে এসে আশার মুখ দেখেছিলেন বিপ্লব। যদিও সেখানকার ডাক্তাররা হার্টের সমস্যার কারণে হার্ট ফাউন্ডেশনে ভর্তির পরামর্শ দেন। কিন্তু হার্ট ফাউন্ডেশনও শুরুতে ভর্তি করাতে রাজি ছিল না। এরপর উপায় না দেখে তামিমকে ফোন দেন বিপ্লব। অতঃপর তামিমের সহযোগিতায় হাসপাতাল পান ৬০ বছর বয়সী কুদ্দুস।

গতকাল বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ছোটাছুটির কঠিন সেই মুহূর্তের বর্ণনা দিয়েছেন বিপ্লব বলেন, ‘খুব চিন্তায় ছিলাম। দুদিন ধরে ঘুরছিলাম। হাসপাতালে নিয়ে যাই, কিন্তু করোনা আতঙ্কে কেউ ভর্তি নিচ্ছিল না। টেস্ট করায়, রিপোর্টও দেখে, কিন্তু বলে ভর্তি নেবে না।’ বিপ্লব বলেন, ‘শেষে শ্যামলীতে একটা হাসপাতাল আছে, সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ। মনে করেছিলাম ওরা নেবে। কিন্তু ওখানে টেস্ট করানোর পর ওরাও রিফিউজ করে। পরে রিপোর্ট দেখে ডাক্তাররা বলেন যে, শ্বাসকষ্ট হলেও এটা হার্টের সমস্যা থেকে হচ্ছে। তারা হার্ট ফাউন্ডেশনে নিয়ে আসার পরামর্শ দেন। হার্ট ফাউন্ডেশনও কনফিউজ হয়ে পড়েছিল, ভর্তি নেবে কী নেবে না। কোনো অপশন ছিল না। তারপর তামিম ভাইকে ফোন দেই। সব্বির খানকেও ফোন দেই। এরপর তামিম ভাই খুব তাড়াতাড়ি এখানকার ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে ভর্তি নিয়েছে।’ যেহেতু শ্বাসকষ্ট আছে, তাই করোনা পরীক্ষা করা হবে বিপ্লবের বাবার। তবে আপাতত তিনি ভালো আছেন বলেই জানিয়েছেন এই লেগ স্পিনার, ‘এখন মোটামুটি ভালো। করোনা পরীক্ষা করাবে। এখন আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। করোনা পরীক্ষার পর তারা সিদ্ধান্ত নেবে।’ বিপ্লব বলেছেন, ‘বিসিবি চিকিৎসক দেবাশিষ চৌধুরী ফোনে খোঁজ-খবর নিচ্ছেন।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ