শনিবার ০৪ জুলাই ২০২০
Online Edition

টেলিযোগাযোগ সেবায় কর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত হবে আত্মঘাতী --- মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশন

গতকাল বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, টেলিযোগাযোগ সেবার কর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত হবে আত্মঘাতীমূলক। কারণ দেশে এখনো ৫০ শতাংশ নাগরিক টেলিযোগাযোগ সেবার বাইরে রয়েছে। তাছাড়া বর্তমানে করোনা মহামারী থাকায় ঘরে বসে যেখানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও সরকার ও অনলাইন সেবায় কার্যক্রম পরিচালনা করতে বলছে সে সময় এই খাতে কর বৃদ্ধি একটি দ্বিমুখী নীতি।  তিনি বলেন, বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা অর্থাৎ আমাদের ভাইবার, ফেসবুক, টুইটার বিভিন্ন মাধ্যমে কথা বলছে। এই সকল অপারেটরদের সাথে সরকারের কোন চুক্তি না থাকায় সরকার বিপুল অংকের রাজস্ব হারিয়েছে। আগামীতে কর বৃদ্ধি হলে এই সকল মাধ্যমের ব্যবহারও বৃদ্ধি পাবে। এতে করে একদিকে যেমন এ সকল প্রযুক্তি ব্যবহারের হলে অপারেরটরা ব্যবসায়ীকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে তেমনি সরকারও বিপুল পরিমান রাজস্ব হারাবে। শুধুমাত্র প্রান্তিক জনগোষ্ঠি ও টু জি সেবা গ্রহণকারীদের ব্যয় বাড়বে। সরকারের উচিত হবে কর না বাড়িয়ে নতুন করে করের বিস্তার বাড়িয়ে কর আরোহন করা।  বিবৃতিতে বলা হয়, এমনিতেই গ্রাহকরা এখন সরকারকে সরাসরি ২৮ শতাংশ কর দিয়ে থাকে। তাছাড়া অপারেটরদের কর্পোরেট ট্যাক্স, সীম ট্যাক্স, উন্নয়ন ট্যাক্স, রাজস্ব ভাগাভাগি ও সামাজিক নিরাপত্তা তহবিলসহ ১০০ টাকায় ৫৭ টাকা  সরকারকে দিয়ে থাকে। যার ফলে অধিক সেবা ও মানসম্মত সেবা থেকে গ্রাহকরা বঞ্চিত হচ্ছে। এখাতে কর বাড়ালে গ্রাহকরা আরো সমস্যার সম্মুখীন হবে। মাননীয় অর্থমন্ত্রীকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে, গত ৫ বছরে এ খাতে দফায় দফায় শুধু কর বাড়ানো হয়েছে। নতুন কোন বিনিয়োগ আসেনি। বরং দেশীয় একটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়েছে সেই সাথে ভারতীয় টেলিকম  মার্জার করে চলে গেছে। আমাদের পরামর্শ কর হার কমিয়ে দেশের সেবাদানকারী অপারেটরদের এ, বি ও সি এই তিন ক্যাটাগরীতে ভাগ করে রাজস্ব আদায়ের ব্যবস্থা নিতে। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ