ঢাকা, শনিবার 4 July 2020, ২০ আষাঢ় ১৪২৭, ১২ জিলক্বদ ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

চাঁদপুরে জ্বর ও সর্দি নিয়ে নারীসহ ৫ জনের মৃত্যু

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: চাঁদপুরের জ্বর-সর্দি নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশন ইউনিটে চিকিৎসাধীন এক নারী ও পল্লী চিকিৎসকসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।

চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতাল, মৃত ব্যক্তিদের স্বজন ও দাফনকারী স্বেচ্ছাসেবকদের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।

তারা জানান, মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে চিকিৎসাধীন সদর উপজেলার বাগাদী ইউনিয়নের পশ্চিম বাগাদী গ্রামের ভুইয়া বাড়ির পল্লী চিকিৎসক আবু তাহের ভুঁইয়া (৬০), রাত ২টায় সদর উপজেলার কল্যান্দী গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক (৭০) ও বুধবার সকালে একই গ্রামের লাকী বেগম (৩৪) মারা যান।

চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সুজাউদ্দৌলা রুবেল ও কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মিজানুর রহমান জানান, মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি হওয়ার পর পল্লী চিকিৎসক আবু তাহের ভুইয়া (৬০) মারা যান। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর আব্দুর রাজ্জাক মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টায় মারা যান। বুধবার সকালে একই গ্রামের লাকী বেগম আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যুবরণ করেন।

তাদের সকলেরই করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে দাফন করা হচ্ছে বলে জানান তারা।

অপরিদকে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টায় হাজীগঞ্জ উপজেলার হাটিলা পূর্ব ইউনিয়নের বলিয়া গ্রামে মজিবুর রহমান (৭০) এবং বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় একই গ্রামের বাসিন্দা ও হাজীগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলমের (৬০) মৃত্যু হয়েছে।

মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে মনির হোসেন জানান, তার বাবা কয়েকদিন দিন ধরে জ্বর, সর্দি, কাশিসহ আরও নানান রোগে ভুগছিলেন। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিনি মার যান। লাশ দাফনে এলাকার লোকেরা সহযোগিতা না করে সবাই পালিয়ে রয়েছে।

পরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাজীগঞ্জ ও কচুয়া র্সাকলে) আফাজাল হোসেনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি নিজেই এসে উপজেলা দাফন কমিটির সহযোগিতায় বুধবার সকাল সাড়ে ৭টায় দাফন সম্পন্ন করা হয়, বলেন তিনি।

বুধবার সকালে একই গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম মারা গেলে ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের স্বেচ্ছাসেবক টিম মৃতের নামাজে জানাজা ও দাফনের ব্যবস্থা করেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফজাল হোসেন বলেন, হাজীগঞ্জের বলিয়ার মজিবুর রহমানের মৃতদেহ রাতে বাড়িতে পড়ে থাকলেও এলাকার কোনো জনপ্রতিনিধি এগিয়ে আসেনি। ভোরে আমি নিজে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদেরকে ফোন করলে তারা এগিয়ে আসেন।

তিনি আরও বলেন, মৃত ব্যাক্তিদের দাফন-কাফনে এগিয়ে আসা সামাজিকভাবে সবার কর্তব্য।

-ইউএনবি

 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ