ঢাকা, শনিবার 4 July 2020, ২০ আষাঢ় ১৪২৭, ১২ জিলক্বদ ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্রে, ট্রাম্পের পাশে জাকারবার্গ

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার প্রতিবাদে দেশটিতে চলমান বিক্ষোভ নিয়ে গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তার বিরুদ্ধে কথা বলতে শুরু করেছে ফেসবুকের কর্মীরা। সেই সঙ্গে ফেসবুক কর্মীরা ট্রাম্পের বিতর্কিত পোস্ট অপসারণ না করার বিরুদ্ধেও আওয়াজ তুলছেন।

পুলিশ হেফাজতে জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর পর মিনিয়াপলিসের ব্যাপক বিক্ষোভ নিয়ে একটি বিতর্কিত টুইট বার্তার পুনরাবৃত্তি করতে চেয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। টুইটার ট্রাম্পের দেওয়া ওই টুইট বার্তাকে ‘সহিংসতা’ বলে সতর্কতা জারি করে রাখলেও ফেসবুক বলছে, ওই পোস্ট তাদের কোম্পানির নীতি লঙ্ঘন করে না।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি ন্যাশনাল গার্ড পাঠাবেন। ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "যখন লুটপাট শুরু হবে, তখন গুলিও শুরু হবে।"

তবে ফেসবুকের কিছু কর্মী বলছে বিষয়টিতে তারা লজ্জিত হয়েছেন। তবে প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ বলেছিলেন যে, এটি সহিংসতার জন্য উস্কানি নিয়ে ফেসবুকের নীতি লঙ্ঘন করে না। তবে এরপর ট্রাম্পের সেই পোস্টটি ফেসবুকের কেউ ছুঁয়েও দেখেনি।

জুকারবার্গ বলেছিলেন, আমরা মনে করি মানুষ আমাদের উদ্দেশ্য নিয়ে একমত পোষণ করুক আর না করুক, আমরা আশা করি তারা আমাদের সামগ্রিক দর্শন বুঝতে পেরেছে। বিশেষ করে যখন কোন বিষয়ে বেশি পদক্ষেপ নেওয়া হয় তখন বিষয়টি খোলামেলা আলোচনা হওয়া ভালো।

জুকারবার্গ বলেন, আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বক্তব্যের সঙ্গে দৃঢ়ভাবে একমত নই। তবে আমি বিশ্বাস করি যে লোকেরা নিজেরাই এটি বুঝতে পারবে যে, ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তিদের জন্য জবাবদিহিতা তখনই ঘটবে যখন তাদের বক্তৃতাকে খোলাখুলিভাবে তদন্ত করা হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে বেশ কয়েকজন কর্মচারী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে হতাশা প্রকাশ করেছেন।

ফেসবুকের এক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার লরেন ট্যান লিখেছেন, “সহিংসতা প্ররোচিত করার কারণে ট্রাম্পকে পদত্যাগ করাতে ফেসবুকের নিষ্ক্রিয়তায় আমি লজ্জিত। আমি একেবারে এর সঙ্গে একমত নই .... নীরবতা জটিলতা।”

আবার কেউ কেউ মনে করেন এ ক্ষেত্রে ফেসবুকের নীতিমালাটি বাদ দেওয়া উচিত ছিল। ফেসবুকের প্রোডাক্ট ডিজাইনের পরিচালক ডেভিড গিলিস বলেন, " একটি সংস্থা এবং শিল্প প্রতিষ্ঠন হিসাবে আমাদের কৃষ্ণাঙ্গ সহকর্মীদের কথা বিবেচনায় নিয়ে আরও কঠোর প্রচেষ্টা করা দরকার ছিল।

দ্য ভার্জ রিপোর্টে বলা হয়, অন্যান্য কর্মীরা তাদের উদ্বেগ উপস্থাপনের জন্য ফেসবুকের অভ্যন্তরীণ বার্তাপ্রেরণ সিস্টেম ব্যবহার করেছিলেন। ফেসবুক বলছে, অনেক কর্মীর অনুভব করা ব্যথাকে স্বীকৃতি দিয়েছে তারা। বিবিসি।

ডিএস/এএইচ

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ