ঢাকা, বুধবার 15 July 2020, ৩১ আষাঢ় ১৪২৭, ২৩ জিলক্বদ ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

রোববার থেকে চলবে বাস-লঞ্চ-ট্রেন, বাড়বে গণপরিবহনের ভাড়া 

স্টাফ রিপোর্টার: করোনা ভাইরাসে সংক্রমণ ঠেকাতে চলমান সাধারণ ছুটি শেষ হচ্ছে ৩০শে মে। ৩১ মে থেকে সীমিতভাবে খুলছে সরকারি-বেসরকারি অফিস। একই সঙ্গে সীমিত পরিসরে চলবে গণপরিবহন। বাস ও লঞ্চ মালিকরা ভাড়া বেশী নিয়ে সীমিত পরিসরে তাদের পরিহন চালানো সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে রেল চালানোর কথা জানিয়েছে রেল মন্ত্রী । ভাড়া পুনবিন্যাস করে বাস চালনোর ঘোষণা দিয়েছে বাস মালিকারা।  অপর দিকে দোকান মালিক সমিত সকল দোকানপাট খোলার সিদ্ধান্তের পাশাপাশি সরকারি নির্দেশনা না মানলে ১হাজার টাকা জরিমানার বিধান করার দাবী জানিয়েছে। তবে নুতন করে খুলছে না কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। 

জানা যায়,  ৩০ মে শেষ হচ্ছে সরকারী ছুটি । করোনা দুর্যোগের কারনে  কয়েক দফা ছুটি   বাড়নো হলেও আগামী ৩০ মে আর বাড়ানো হচ্ছে না ছুটি বরং ৩১ মে থেকে মানুষের জন্য ১৫ নির্দেশনা দিয়ে পরিপত্র জারি করেছে  সরকার। মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের  সিনিয়র সহকারী সচিব তৌহিদ এলাহি স্বাক্ষরিত পরিপত্র বৃহস্পতিবার দুপুরে জারি করা হয়।

পরিপত্রে বলা হয়, 

১. আগামী ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। ৫, ৬, ১২ ও ১৩ জুন সাপ্তাহিক ছুটি এ নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

২. নিষেধাজ্ঞাকালে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় জনসাধারণের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত থাকবে। প্রতিটি জেলার প্রবেশ ও বহির্গমন পথে চেকপোস্টের ব্যবস্থা থাকবে। জেলাপ্রশাসন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় এ নিয়ন্ত্রণ সতর্কভাবে বাস্তবায়ন করবে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধকল্পে চলাচলে নিষেধাজ্ঞাকালে জনগণকে অবশ্যই ঘরে অবস্থান করতে হবে। রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত অতীব জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত (প্রয়োজনীয় কেনা-বেচা, কর্মস্থলে যাতায়াত, ওষুধ কেনা, চিকিৎসাসেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে আসা যাবে না।

তবে সর্বাবস্থায়ই বাইরে চলাচলের সময় মাস্ক পরিধানসহ অন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। অন্যথায় নির্দেশ অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।

৩. নিষেধাজ্ঞাকালীন জনসাধারণ ও সব কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ জারি করা নির্দেশমালা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

৪. হাটবাজার, দোকান-পাটে ক্রয়-বিক্রয়কালে পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ অন্য স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালন করতে হবে। শপিংমলের প্রবেশমুখে হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে। শপিংমলে আগত যানবাহনকে অবশ্যই জীবাণুমুক্ত করার ব্যবস্থা রাখতে হবে। হাটবাজার, দোকানপাট ও শপিংমল আবশ্যিকভাবে বিকেল ৪টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে।

৫. আইন-শৃঙ্খলা, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা কাজে নিয়োজিত সংস্থা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন- ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরসমূহের (স্থলবন্দর, নদীবন্দর এবং সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবাসহ অন্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিস, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত থাকবে।

৬. সড়ক ও নৌপথে সব ধরনের পণ্য পরিবহনের কাজে নিয়োজিত যানবাহন (ট্রাক, লরি, কার্গো ভেসেল প্রভৃতি) চলাচল অব্যাহত থাকবে। 

৭. কৃষিপণ্য, সার, বীজ, কীটনাশক, খাদ্য, শিল্পপণ্য, রাষ্ট্রীয় প্রকল্পের মালামাল, কাঁচাবাজার, খাবার, ওষুধের দোকান, হাসপাতাল ও জরুরি সেবা এবং এসবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

৮. চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্স ও কর্মী এবং ওষুধসহ চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বহনকারী যানবাহন ও কর্মী, গণমাধ্যম (ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া) এবং ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্কে নিয়োজিত কর্মীরাএ নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত থাকবেন।

৯. ওষুধশিল্প, কৃষি এবং উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলো, উৎপাদন ও রপ্তানিমুখী শিল্পসহ সকল কলকারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করে চালু রাখতে পারবে। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ প্রণীত বিভিন্ন শিল্প-কারখানায় স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতকরণে নির্দেশনা প্রতিপালন নিশ্চিত করতে হবে।

১০. নিষেধাজ্ঞাকালীন কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে না। তবে, অনলাইন কোর্স/ডিসট্যান্স লার্নিং অব্যাহত থাকবে।

১১. ব্যাংকিং ব্যবস্থা পূর্ণভাবে চালু করার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।

১২. সব সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস নিজ ব্যবস্থাপনায় সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে। ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তি, অসুস্থ কর্মচারী এবং সন্তান সম্ভবা নারীরা কর্মস্থলে উপস্থিত হওয়া থেকে বিরত থাকবেন। এক্ষেত্রে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতকরণের জন্য স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে জারি করা ১৩ দফা নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় ক্ষেত্র ব্যতীত সব সভা ভার্চ্যুয়াল উপস্থিতিতে আয়োজন করতে হবে।

১৩. উক্ত নিযেধাজ্ঞাকালে কেউ কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবে না। উক্ত সময়ে শর্তসাপেক্ষে সীমিত পরিসরে নির্দিষ্ট সংখ্যক যাত্রী নিয়ে স্বাস্থ্যসম্মত বিধি নিশ্চিত করে গণপরিবহন, যাত্রীবাহী নৌযান ও রেল চলাচল করতে পারবে। তবে সর্বাবস্থায় মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ জারি করা নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনেচলা নিশ্চিত করতে হবে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

১৪. উড়োজাহাজ কর্তৃপক্ষ নিজ ব্যবস্থাপনায় প্লেন চলাচলের বিষয় বিবেচনা করবে।

১৫. উক্ত নিষেধাজ্ঞাকালে সব ধরনের সভা-সমাবেশ, গণজমায়েত ও অনুষ্ঠান আয়োজন বন্ধ থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক মসজিদে সর্বসাধারণের জামাতে নামাজ আদায় এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে প্রার্থনা অনুষ্ঠান অব্যাহত থাকবে।

৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে চলবে রেল 

এদিকে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে ট্রেন চলাচল করবে। আগামী ৩১শে মে থেকে ১৫ই জুন পর্যন্ত ৫০ শতাংশ টিকিট বিক্রির মাধ্যমে শুধুমাত্র আন্তঃনগর ট্রেন চালুর প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গতকাল  বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী । 

তিনি বলেন, সীমিত পরিসরে ট্রেন চালানো হবে। সেক্ষেত্রে একটি সিট বাদ দিয়ে টিকিট বিক্রি করা হবে। একটি ট্রেনের ৫০ শতাংশ টিকিট বিক্রি করা হবে। এদিকে, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতিতে চলমান সাধারণ ছুটি আগামী ৩০শে মে শেষ হচ্ছে। ৩১শে মে থেকে সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চালু হবে।

ভাড়া বাড়বে লঞ্চের , সিদ্ধান্ত আজ: সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামী রবিবার  থেকে সীমিত পরিসরে চলবে লঞ্চ। তবে ভাড়া বাড়বে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ লঞ্চ মালিক সমিতির সভাপতি মাহবুব উদ্দিন আহমেদ। আজ শুক্রবার বিকালে লঞ্চ মালিকদের সঙ্গে বি আইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যানের বৈঠকের পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। 

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় নয়, সরকারের আদেশেই গণপরিবহনের অংশ হিসেবে লঞ্চ চলাচল বন্ধ ছিল। যেহেতু আজকের (২৮ মে) সরকারি আদেশে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শর্তসাপেক্ষে স্বল্পসংখ্যক যাত্রী নিয়ে সীমিত পরিসরে গণপরিবহন চলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে, সেহেতু আগামী ৩১ মে থেকে লঞ্চ চলবে। তবে শর্ত পরিপালনের বিষয়সহ নানাদিক দিয়ে লঞ্চ মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন বি আইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান।’  এই সময়ে ভাড়া বাড়ানোর বিষয়টি নিয়েও ওই বৈঠকে আলোচনা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।   

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাংলাদেশ লঞ্চ মালিক সমিতির সভাপতি মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমরা সরকারের কোনও আদেশ অমান্য করতে পারবো না। তাই আগামী ৩১ মে রবিবার থেকে লঞ্চ চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে যাত্রীদের স্বাস্থ্যবিধি কতটা মানাতে পারবো, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দিহান আমি নিজেই। কারণ, ফেরিতে চলাচলের ক্ষেত্রে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সাধারণ মানুষের ঘরে ফেরার দৃশ্য দেখেছি।’  

তিনি বলেন, ‘অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে লঞ্চ চালালে ধারণ ক্ষমতার পাঁচ ভাগের একভাগ যাত্রী নিয়ে গন্তব্যে রওনা করতে হবে। সেক্ষেত্রে ভাড়া বাড়ানোর বিষয়টি তো প্রাসঙ্গিক। তাই এ বিষয়টি নিয়েও শুক্রবারের বৈঠকে আলোচনা হবে।’

মাহবুব উদ্দিন আহমেদ আরও  বলেন, ‘স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমরা যাতে লঞ্চ চালাতে পারি, সেক্ষেত্রে সরকার তথা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীরও সহযোগিতা লাগবে। কোনোভাবেই আমাদের লঞ্চের স্টাফদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলতে পারবো না।’ তারা সুস্থ না থাকলে আমাদের আম-ছালা দুটোই যাবে বলেও মন্তব্য করেন বাংলাদেশ লঞ্চ মালিক সমিতির সভাপতি

স্বাস্থ্য বিধি না মানলে ১ হাজার টাকা জরিমানার বিধান চায় দোকান মালিকরা: সারা দেশের দোকান মালিক সমতি ও মার্কেট কমিটিকে শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান খোলার অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। একই সঙ্গে সরকারকে স্বাস্থ্যবিধি অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে জরিমানার বিধান করার আহবান জানিয়েছে সংগঠনটি।

দোকান মালিক সমিতির মতে, মাস্ক বিহীন ও সমাজিক দূরত্ব মানা না হলে ৫০০ টাকা জরিমানা ও হাঁচি-কাশি ও জ্বর নিয়ে কেউ আসলে ১ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা যেতে পারে। কারণ, ঈদ বাজারে সীমিত আকারে মার্কেট খোলার সময়ে বার বার বলার পরেও দোকান মালিক, কর্মচারী ও ক্রেতাদের শতভাগ মাস্ক ব্যবহার ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা সম্ভব হয়নি।  

বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন ও মহাসচিব মো. জহিরুল হক ভূইয়া এসব কথা বলেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে ৩০ মে’র পর সাধারণ ছুটি বাড়বে না। তবে করোনা সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্যবিধি কঠোর ভাবে  মানতে হবে।  ঢাকাসহ সারা দেশে সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে দোকান খোলা রাখা যাবে।  

দোকান মালিক সমিতি জানায়, সংক্রমণ ও মৃত্যু হার বৃদ্ধি পাওয়া সত্বেও জীবন জীবিকা বাঁচানোর তাগিদে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। রমজান মাসে মার্কেট ও দোকানগুলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলার প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। তবে এই সময়ে বার বার বলার পরেও অনেক দোকান মালিক, কর্মচারী ও ক্রেতা মাস্ক ব্যবহার করেনি। এ কারণে এবার থেকে যথযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান খোলার আহবান জানায় সমিতি।

সংগঠনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একই সঙ্গে সরকার এসব স্থানে বিক্রেতা ও ক্রেতাকে স্বাস্থ্যবিধি না মানার ক্ষেত্রে জরিমানা করতে পারে। এ ক্ষেত্রে মাস্ক ছাড়া ও সামাজিক দূরত্ব বজায় না থাকলে ৫০০ টাকা জরিমানা এবং হাঁচি, কাশি ও জ্বর নিয়ে লোকালয়ে আসলে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা যেতে পারে।

সব বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা শহরের দোকান মালিক সমিতি ও মার্কেট কমিটিকে যথাযথ স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণের অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। সংগনটি বলছে, আগে জীবন পরে জীবিকা।   

ভাড়া পুনবিন্যাস চায় বাস মালিকরা: আগামী ৩১ মে নুতন ভাবে ভাড়া পুন্যবিনাস করে বাস চালাতে চাচ্ছে পরিবহন মালিকরা। আর স্বাস্থ্যবিধি মেনে টার্মিনাল থেকে যাত্রী  উঠা নামা করা হবে। বাংলাদেশ বাস –ট্রাক অনার্স এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক রাকেশ ঘোষ গতকাল এ তথ্য জানান।  

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ