ঢাকা, মঙ্গলবার 29 September 2020, ১৪ আশ্বিন ১৪২৭, ১১ সফর ১৪৪২ হিজরী
Online Edition

প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাসে বাড়ি যাওয়া যাবে

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: ঈদের দু’দিন আগে ঢাকার দুই প্রবেশ পথ প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাসের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ফলে ঈদের আগে বাড়ি ফিরতে প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাসসহ ব্যক্তিগত যানবাহনে বাধা কাটল।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে এবং ঈদের ছুটি কাটাতে ঢাকার বাইরে কাউকে যেতে কিংবা ঢুকতে দেওয়া হচ্ছিলো না। 

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, ঈদে বাড়ি ফিরতে প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাসসহ ব্যক্তিগত যানবাহনে আসা-যাওয়া করা যাবে। কিন্তু পাবলিক পরিবহন চলবে না। 

সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশনায় রাজধানীর গাবতলী এবং যাত্রাবাড়ী এলাকায় বৃহস্পতিবার (২১ মে) দিবাগত রাত থেকেই প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস চলাচলে বাধা দেয়া হচ্ছে না।

গাবতলীতে পুলিশের দুটি চেকপোস্ট নির্দেশনা মোতাবেক ‘ইন’ও ‘আউটে’র ক্ষেত্রে তুলে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মিরপুর ডিভিশনের দারুস সালাম জোনের এডিসি মাহফুজা আফরোজ লাকী।

পুলিশ কর্মকর্তা লাকী জানান, আমরা নির্দেশনা পেয়েছি। রাত ১০টার দিকে চেকপোস্ট উঠিয়ে নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, গণপরিবহন সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। কেউ যদি মাইক্রোবাস ও প্রাইভেট কার নিয়ে ঢাকা থেকে বের হয় বা প্রবেশ করে তাতে বাধা নেই। হেঁটে গেলেও বাধা নাই।

ঢাকার আরেক প্রান্তে যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মাজহারুল ইসলামও একই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে বলেন, গণপরিবহন সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। তবে প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস যোগে ইন-আউট করা যাবে।

তবে যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের চেকপোস্ট আছে বলে জানান ওসি মাজহারুল ইসলাম।

করোনা ভাইরাসের কারণে সাধারণ ছুটির মধ্যে গত ২৬ মার্চ হতে গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রেখেছে সরকার। পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন করলে আইনের কঠোর প্রয়োগের কথাও জানায় সড়ক পরিবহন বিভাগ।

আগামী ৩০ মে পর্যন্ত বর্ধিত ছুটি পর্যন্ত এই নির্দেশনা কার্যকর থাকবে বলে জানিয়ে সরকার বলেছিল, জরুরি সেবার বাহন ছাড়া অন্য যানবাহন কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। পুলিশও জানিয়েছিল, ঢাকায় প্রবেশ ও বের হওয়া কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে।

তবে ঈদের আগে বাড়ি ফিরতে মানুষ ফেরিতে পারাপার এবং পণ্যবাহী যানবাহনে ব্যবহার করছে। পুলিশের চোখ এড়াতে রড বোঝাই ট্রাকের ওপরে ত্রিপল বেধে যাওয়ার সময় গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বৃহস্পতিবার দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ১৩ জন।

ডিএস/এএইচ

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ