বৃহস্পতিবার ০৪ জুন ২০২০
Online Edition

ট্রলারে ঝুঁকি নিয়ে পদ্মা পার হচ্ছে যাত্রীরা

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম প্রবেশ দ্বার বলে পরিচিত শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ী নৌ-রুটে গেলো সোমবার দুপুর থেকেই ফেরী চলাচল বন্ধ করেছে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ তাই ট্রলারে পার হচ্ছে মানুষ

 

এম. তারিকুল ইসলাম লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ) সংবাদদাতা: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম প্রবেশ দ্বার বলে পরিচিত শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ী নৌ-রুটে গেলো সোমবার দুপুর থেকেই ফেরী চলাচল বন্ধ করেছে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ। আর ঘাটের বিভিন্ন স্থানে রয়েছে পুলিশে চেকপোস্ট। কেউ যাতে এ নৌ-রুট হয়ে পারাপার হতে না পারে সে জন্য পুলিশের সদস্যরা মহাসড়ক সহ ঘাটের বিভিন্ন স্থানে দায়িত্ব পালন করছে। শুধুমাত্র পণ্যবাহী যানবাহন ও এ্যাম্বুলেন্স ছাড়া কোন যানবাহনকেই ঘাটে ঢুকতে দেয়া হচ্ছেনা। আর এসব কারণে শিমুলিয়া ঘাটের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। সরেজমিনে শিমুলিয়া ঘাটে গিয়ে দেখা যায় এ নৌ-রুটের ফেরীগুলো ডগ ইয়ার্ডে ও মাঝ নদীতে নোঙ্গর করে রাখা হয়েছে। ঘাটে নেই কোন ফেরী, তবে ঘাটে অপেক্ষমাণ রয়েছে প্রায় তিনশতাধীক পণ্যবাহী ট্রাক, কভ্যাটভ্যান ও এ্যাম্বুলেন্স। এদিকে ঘাটে লঞ্চ, সি-বোট ও ফেরী চলাচল বন্ধ থাকায় ও ঢাকা থেকে বিভিন্ন উপায়ে আসা যাত্রীরা লৌহজংয়ের কান্দিপাড়া, যশলদিয়া, মাওয়া পুরাতন ফেরীঘাট ও মৎস্য আড়ত সংলগ্ন নদী তীরবর্তী এলাকা দিয়ে স্থানীয় এক শ্রেণীর লোকজনের পরিচালিত ট্রলারে করে ঝুঁকিপূর্ণভাবে পদ্মা নদী পাড়ী দিচ্ছে এতে যেকোন সময় মারাত্মক দুর্ঘটনার আশংকা রয়েছে। সরেজমিনে নদী তীরবর্তী এলাকা যশিলদিয়া গিয়ে দেখা যায় এখানে কয়েক ব্যক্তি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ট্রলারে ও বালু টানার বলগেটে জন প্রতি ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা করে নিয়ে যাত্রীদের পদ্মা নদী পারাপারে সুযোগ করে দিচ্ছে। এ ব্যাপারে লৌহজং থানার ওসি আলমঙ্গীর হোসাইনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে আমি পুলিশ পাঠাচ্ছি সেখানে। এ ব্যাপারে মাওয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক সিরাজুল কবিরকে গত দুদিন ধরে ফোন দেয়া হলেও তিনি ফোন রিসিব করেনি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ