সোমবার ০১ জুন ২০২০
Online Edition

বাঁধ ভেঙে তলিয়ে গেছে ফসলি জমি ও চিংড়ি ঘের

খুলনা অফিস : প্রায় ১১ বছর আগের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় আইলার ক্ষত কেটে উঠতে না উঠতেই সুপার সাইক্লোন আম্ফানের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেল সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকা। বুধবার সারারাত ধরে প্রচণ্ড ঝড়ে খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলার উপকূলীয় এলাকার হাজার হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভারী বর্ষণ ও তীব্র জোয়ারের পানির তোড়ে বাঁধ ভেঙ্গে তলিয়ে গেছে বিভিন্ন এলাকার ফসলি জমি ও মাছের ঘের। সড়কে বড় বড় ভাঙা গাছ পড়ে থাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে। আম্ফানের তাণ্ডবে বিধ্বস্ত জনপদে পরিণত হয়েছে গোটা সুন্দরবন উপকূল।

গত বুধবার সন্ধ্যায় প্রবল গতিতে সুন্দরবন উপকূলে আঘাত হানে সুপার সাইক্লোন আম্ফান। সারা রাত ধরে চলে এর তান্ডব। প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় সিডর ও আইলার ক্ষত কেটে উঠতে না উঠতেই আবারো লন্ডভন্ড হয়ে গেছে সুন্দরবন উপকূলের খুলনার কয়রা, দাকোপ, সাতক্ষীরার শ্যামনগর, বাগেরহাটের মংলা ও শরণখোলা উপজেলাসহ বিস্তীর্ণ জনপদ। খুলনা মহানগরীসহ এসব এলাকার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। তীব্র ঝড়ের মধ্যে লাখ লাখ মানুষের সারা রাত কাটে কাটে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায়।

কয়রা সদর ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির ও স্থানীয়রা জানান, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের আঘাত ও জোয়ারের পানির তোড়ে সুন্দরবন সংলগ্ন কয়রা উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়নের ছোটো আংটিহারা বাকেরগাজীর বাড়ির পাশে শাকবাড়িয়া নদীর প্রায় ১২০ গজ বেড়িবাঁধ, আংটিহারা মজিদ গাজীর পাশে ৩০০ গজ বেড়িবাঁধ, জোড়সিং বাজারের পাশে ৫০০ গজ বেড়িবাঁধ, কপোতাক্ষ নদের চোরামোখা খেয়াঘাটের কাছে ৫০০ গজ বেড়িবাঁধ ও গোলখালী তসলিম মোল্লার বাড়ির পাশে ৫০০ গজ বেড়িবাঁধ, উত্তর বেদকাশি ইউনিয়নের গাজীপাড়া গ্রামের মাথায় কপোতাক্ষ নদের ৬০০ গজ বেড়িবাঁধ, কাটকাটা বাজারের শাকবাড়ীয়া নদীর ৩০০ গজ বেড়িবাঁধ, মহারাজপুর ইউনিয়নের দশালিয়া গ্রামে কপোতাক্ষ নদের ৭০০ গজ বেড়িবাঁধ এবং কয়রা সদর ইউনিয়নের হরিণখোলা ও গোবরা ঘাটাখালি গ্রামে কপোতাক্ষ নদের আধা কিলোমিটার এলাকাসহ ১০টি জায়গার বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে এবং মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের কয়রা নদীর পানি পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বাঁধ উপচে লবণ পানি লোকালয়ে প্রবেশ করেছে।

এছাড়া ঝড়ে কয়রা উপজেলার প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমির ফসল লবণ পানিতে প্লাবিত হয়েছে। বাঁধ ভেঙ্গে জোয়ারের ছোটবড়ো ৫ হাজার মাছের ঘের ভেসে গেছে। প্রায় ৭ কিলোমিটার রাস্তা বিধ্বস্ত হয়েছে। ঝড়ে কয়রা সদর ইউনিয়ন অফিসের টিন উড়ে গেছে। ডুবে গেছে উপজেলা পরিষদ।

খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রা) আসনের সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবু বলেন, ঝড়ে কয়রা উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬টি ইউনিয়নে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া পাইকগাছা উপজেলার লতা, দেলুটি, লস্কর, গোড়ইখালী সোলাদানাসহ ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি জায়গায় পাউবোর বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে বিস্তীর্ণ এলাকা বাড়িঘর লবণ পানিতে প্লাবিত হয়েছে। ভেসে গেছে অসংখ্য সাদা মাছ ও চিংড়ি ঘের। এছাড়া প্রচুর পরিমাণে গাছপালা, কাঁচা, আধাপাকা ঘরবাড়ি, রাস্তা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া ঘূর্ণিঝড়ে দাকোপ উপজেলার অনেক জায়গায় পাউবোর বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে গেছে। অসংখ্য গাছপালা উপড়ে গেছে। বহু কাচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। হাট-বাজারের দোকান ঘরের টিন উড়ে গেছে।

কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শিমুল কুমার সাহা বলেন, কয়রা উপজেলায় প্রায় ১৩-১৪টি জায়গায় পাউবো’র বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা চেষ্টা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ শ্রী পঞ্চানন বিশ্বাস বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে দাকোপ উপজেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অসংখ্য গাছপালা উপড়ে গেছে। বহু কাচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়া বটিয়াঘাটা উপজেলা সদরসহ অনেক হাট-বাজারের দোকান ঘরের টিন উড়ে গেছে।

খুলনা জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আজিজুল হক জোয়ার্দ্দার বলেন, খুলনায় ২ লাখ ৭ হাজার মানুষ ৮১৪টি সাইক্লোন সেন্টারে আশ্রয় নেন। ঘূর্ণিঝড়ে এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। অনেক ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। ভেঙেছে বেড়িবাঁধ। 

এদিকে, ভারী বর্ষণ ও জোয়ারের পানি বেড়ে বাঁধ ভেঙে তলিয়ে গেছে বিভিন্ন এলাকার মাছের ঘের ও ফসলি জমি। এছাড়া হাজার হাজার গাছ উপড়ে পড়েছে। সড়কে গাছ পড়ে থাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে।

বুধবার সন্ধ্যায় প্রবল গতিতে খুলনাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানে আম্ফান। রাতভর চলে ঝড়ের তান্ডব। ঝড়ের তান্ডবে বুধবার সন্ধ্যা থেকে খুলনায় বিদ্যুৎ বিছিন্ন রয়েছে প্রায় সব এলাকায়। নগরীর বিভিন্নস্থানে তার ছিড়ে ইন্টারনেট সংযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তবে, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কিছু কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ আসতে শুরু করে।

বাগেরহাটে বেড়িবাঁধ, ঘরবাড়ি-মৎস্য ঘেরের ব্যাপক ক্ষতি : সুপার সাইক্লোন আম্পানের তান্ডবে উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটের বিভিন্ন উপজেলা লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। জেলায় থাকা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বেড়িবাঁধ, ঘরবাড়ি ও মৎস্য ঘেরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে জেলার কোথাও হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। মাঠে থাকা পাকা ধান ও সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। 

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের আঘাতে বাগেরহাটের শরণখোলায় শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। উপড়ে পড়েছে অসংখ্য গাছপালা। বুধবার দিনগত রাতে ঝড়ের তান্ডবে উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে এ ক্ষয়-ক্ষতি হয়। ওই ইউনিয়নের বাসিন্দা ক্ষতিগ্রস্ত আনোয়ার শাহ বলেন, রাতে মুষলধারে বৃষ্টি ও বাতাসে আমার ঘরসহ আশপাশের অনেকের বসতঘর পড়ে গেছে।

সাউথখালী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য হালিম শাহ বলেন, বুধবার সন্ধ্যার পর থেকে মুষলধারে বৃষ্টির সঙ্গে তীব্র বাতাসে আমার এলাকার বেশকিছু কাঁচা ঘরবাড়ি পড়ে গেছে, উড়িয়ে নিয়ে গেছে ঘরের টিনের ছাউনি। উপড়ে পড়েছে অসংখ্য গাছপালা। নদীর পানির চাপে বেড়িবাঁধের কয়েকটি স্থানও ভেঙে গেছে। ফলে সাউথখালী, দক্ষিণ সাউথখালী, তেরাবেকা, বগী, গাবতলীসহ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ভেসে গেছে মাছের ঘের ও পুকুরের মাছ।

শরণখোলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক আজমল হোসেন মুক্ত বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এলাকায় ঘুরে ঘুরে দেখছি। ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তান্ডবে বিধ্বস্ত হয়েছে বিভিন্ন এলাকার শতাধিক ঘরবাড়ি। কিছু পুকুর ও মাছের ঘের ভেসে গেছে। সাউথখালী ইউনিয়নের বগি ও গাবতলা এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ২ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের কয়েকটি জায়গা ভেঙে লোকালয় প্লাবিত হয়েছে। দিনের জোয়ারে পানি বৃদ্ধি পেলে আরও বেশি ক্ষতি হবে। 

এদিকে ভাঙা বাঁধ দিয়ে পুনরায় জোয়ারের পানি ঢুকে আবারও লোকালয় প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। দ্রুত সময়ের মধ্যে এ বাঁধ সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

রামপাল উপজেলার ননী গোপাল বলেন, রাতে ঘূর্ণিঝড় আম্পানের আঘাতে আমার বসতঘর ভেঙে পড়েছে। ঝড়ের প্রভাবে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসে ভেসে গেছে মাছের ঘের। উপজেলায় আমার মতো অনেকের ঘরবাড়ি ভেঙে যাওয়াসহ ভেসে গেছে মৎস্য ঘের। এতে উপজেলার মাছ চাষিদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

কচুয়া উপজেলার মাছ চাষি রুহুল বলেন, রাতে ঝড়ের আঘাতে বাড়ির কয়েকটি গাছ ও গোয়ালঘর পড়ে গেছে। এলাকার অনেকের মৎস্য ঘেরও ভেসে গেছে। 

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজমল হোসেন মুক্তা বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে শতাধিক কাঁচা ঘরবাড়ি পড়ে গেছে, উড়িয়ে নিয়ে গেছে ঘরের টিনের ছাউনি। উপড়ে পড়েছে অসংখ্য গাছপালা। নদীর পানির চাপে বেড়িবাঁধের কয়েকটি স্থানও ভেঙে গেছে। ফলে সাউথখালী, দক্ষিণ সাউথখালী, তেরাবেকা, বগী, গাবতলীসহ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। 

পাউবো বাগেরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাহিদুজ্জামান খান বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় রিং বেড়িবাঁধ দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি চলছে।

বাগেরহাট জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. খালেদ কনক বলেন, আমরা উপজেলা কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। তারা মাঠ পর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের চেষ্টা করছে।

বাগেরহাট জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. মামুনুর রশীদ বলেন, আম্পানে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা নিরূপণ করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সাতক্ষীরায় ২০ গ্রাম প্লাবিত : উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় রাত ৮টার পর দ্বিতীয়বার ১৪৮ কিলোমিটার গতিতে আঘাত হানে সুন্দরবনঘেঁষা এ জেলায়। প্রবল বর্ষণে বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে ২০ গ্রাম। 

সাতক্ষীরা আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা জুলফিকার আলী জানান, রাত ৮টার পর এ গতিতে আঘাত হানে আম্পান। রাত ১০টা পর্যন্ত ঝড়ের গতি একইরকমভাবে বিরাজ করছে। ঝড়ের আঘাতে সাতক্ষীরা সদর থানার কামালনগরে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অসংখ্য কাঁচা ঘরবাড়ির। ভেঙেছে গাছ, বিদ্যুতের খুঁটি।

এদিকে আশাশুনি উপজেলার খোলপেটুয়া ও কপোতাক্ষ নদীর নয় পয়েন্ট ভেঙে গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। খোলপেটুয়ার দয়ারঘাট ও হিজলা এবং প্রতাপনগরে কপোতাক্ষের কুড়িকাউনিয়া, দিঘলাইট, সুভদ্রাকাঠি,  হরিসখালী, চাকলা, বন্যতলাসহ মোট ১৩ পয়েন্টে ভেঙে গেছে।

প্রতাপনগরের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন জানান, জেলা থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে প্রতাপনগর। শ্যামনগর ও আশাশুনির বিভিন্ন ইউনিয়নের বিশেষ করে গাবুরা, পদ্মপুকুর, বুড়িগোয়ালিনী, প্রতাপনগর, আনুলিয়া, খাজরা ও শ্রীউলা ইউনিয়নে ৪৫টিরও বেশি পয়েন্টে বেড়িবাঁধ ভাঙনের ঝুঁকিতে ছিল। এরই মধ্যে শ্যামনগরের গাবুরা, পদ্মপুকুর, বুড়িগোয়ালিনী, প্রতাপনগর, খাজরা ও কালিগঞ্জের মথুরেশপুরে নদীর বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল বলেন, ঝুঁকির মধ্যে থাকা ২ লাখ ৮৯ হাজার মানুষকে ১৮৪৫টি সাইক্লোন শেল্টার ও বিভিন্ন স্কুল কলেজের আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে আনা হয়েছে। একই সঙ্গে ২৯ হাজার গবাদি পশুর জীবন রক্ষায়ও এসব আশ্রয়কেন্দ্রে আনা হয়েছে।

তিনি জানান, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে দুর্গত মানুষকে সেবা দেওয়া হচ্ছে। শিশুদের জন্য আলাদা খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, প্রতিবন্ধী ও গর্ভবতী মায়েদের সেবায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গাবুরা ইউপি মেম্বার গোলাম মোস্তফা জানান, তার এলাকায় খোলপেটুয়া এবং কপোতাক্ষ নদীর পানি ওভার ফ্লো হয়েছে। সেখানে বাঁধ ঠেকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। 

সাতক্ষীরায় গাছের ডাল পড়ে নারীর মৃত্যু : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কামালনগরে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে গাছের ডাল পড়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান বলেন, সন্ধ্যার পর ঝড়ের মধ্যে কামালনগর এলাকায় গাছের ডাল পড়ে করিমন (৪০) নামের এক নারী মারা গেছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ