মঙ্গলবার ১৪ জুলাই ২০২০
Online Edition

বিশ্বজুড়ে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫১ লাখ ছাড়ালো

স্টাফ রিপোটার: বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় দেশে দেশে চলছে লকডাউন, জরুরি অবস্থাসহ নানা পদক্ষেপ।  ইতিমধ্যে এতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে পুরো দুনিয়া। চীনের উহান থেকে গত ডিসেম্বরে করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) ছড়িয়ে পড়ে ভাইরাসটি। এরপর চারমাস পেরোলেও নিয়ন্ত্রণের কোনও লক্ষণ নেই। যদিও এর ভ্যাকসিন আবিষ্কারে উঠে পড়ে লেগেছেন বিজ্ঞানীরা। এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৫১ লাখ, মারা গেছে ৩ লাখ ৩০ হাজার, আর সুস্থ হয়েছে ২০ লাখের বেশি।

মার্কিন জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত বিশ্বে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ৫১ লাখ ৩ হাজার ৩৫০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ৭৪ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছে ২০ লাখ ৩৩ হাজার ৫৫৯ জন। বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ২৯ হাজার ৯২৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ হাজার ৩৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বর্তমানে বিশ্বে ২৭ লাখ ৩৮ হাজার ১১ জন শনাক্ত রোগী রয়েছে। তাদের মধ্যে ২৬ লাখ ৯২ হাজার ২১৫ জন চিকিৎসাধীন, যাদের অবস্থা স্থিতিশীল। আর ৪৫ হাজার ৭৯৬ জনের অবস্থা গুরুতর, যাদের অধিকাংশই আইসিউতে রয়েছে।

ভাইরাসটি চীন থেকে ছড়ালেও বর্তমানে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে মোট আক্রান্ত ১৫ লাখ ৯৩ হাজার ৩৯, সুস্থ হয়েছে ৩ লাখ ৭০ হাজার ৮১২, মারা গেছে ৯৪ হাজার ৯৪১ জন। এখন পর্যন্ত করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যু এবং আক্রান্ত যুক্তরাষ্ট্রে। 

আর যেসব দেশে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যু হয়েছে, সেগুলো হলো- রাশিয়ায় আক্রান্ত ৩ লাখ ১৭ হাজার ৫৫৪, সুস্থ হয়েছে ৯২ হাজার ৬৮১, মারা গেছে ৩ হাজার ৯৯ জন। ব্রাজিলে আক্রান্ত ২ লাখ ৯৩ হাজার ৩৫৭, সুস্থ হয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৮৩, মারা গেছে ১৮ হাজার ৮৯৪ জন। স্পেনে আক্রান্ত ২ লাখ ৭৯ হাজার ৫২৪, সুস্থ হয়েছে ১ লাখ ৯৬ হাজার ৯৫৮, মারা গেছে ২৭ হাজার ৮৮৮ জন। যুক্তরাজ্যে আক্রান্ত ২ লাখ ৪৮ হাজার ২৯৩, সেখানে কর্তৃপক্ষ সুস্থতার সংখ্যা প্রকাশ করেনি, মারা গেছে ৩৫ হাজার ৭০৪ জন। ইতালিতে আক্রান্ত ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৬৪, সুস্থ হয়েছে ১ লাখ ৩২ হাজার ২৮২, মারা গেছে ৩২ হাজার ৩৩০ জন। ফ্রান্সে আক্রান্ত ১ লাখ ৮১ হাজার ৫৭৫, সুস্থ হয়েছে ৬৩ হাজার ৩৫৪, মারা গেছে ২৮ হাজার ১৩২ জন। জার্মানিতে আক্রান্ত ১ লাখ ৭৮ হাজার ৫৩১, সুস্থ হয়েছে ১ লাখ ৫৮ হাজার, মারা গেছে ৮ হাজার ২৭০ জন। তুরস্কে আক্রান্ত ১ লাখ ৫২ হাজার ৫৮৭, সুস্থ হয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৯৮৭, মারা গেছে ৪ হাজার ২২২ জন। ইরানে আক্রান্ত ১ লাখ ২৬ হাজার ৯৪৯, সুস্থ হয়েছে ৯৮ হাজার ৮০৮, মারা গেছে ৭ হাজার ১৮৩ জন। পেরুতে আক্রান্ত ১ লাখ ৪ হাজার ২০, সুস্থ হয়েছে ৪১ হাজার ৯৬৮, মারা গেছে ৩ হাজার ২৪ জন।

এ দিকে, করোনার উৎপত্তিস্থল চীনে আক্রান্ত ৮২ হাজার ৯৬৭, সুস্থ হয়েছে ৭৮ হাজার ২৪৯, মারা গেছে ৪ হাজার ৬৩৪ জন। কানাডাতে আক্রান্ত ৮০ হাজার ১৪২, সুস্থ হয়েছে ৪০ হাজার ৭৭৬, মারা গেছে ৬ হাজার ৩১ জন। মেক্সিকোতে আক্রান্ত ৫৬ হাজার ৫৯৪, সুস্থ হয়েছে ৩৮ হাজার ৮৭৬, মারা গেছে ৬ হাজার ৯০ জন। বেলজিয়ামে আক্রান্ত ৫৫ হাজার ৯৮৩, সুস্থ হয়েছে ১৪ হাজার ৮৮৭, মারা গেছে ৯ হাজার ১৫০ জন। নেদারল্যান্ডসে আক্রান্ত ৪৪ হাজার ৪৪৭, সেখানে কর্তৃপক্ষ সুস্থতার সংখ্যা প্রকাশ করেনি, মারা গেছে ৫ হাজার ৭৪৮ জন। 

অন্যদিকে, ইকুয়েডরে আক্রান্ত ৩৪ হাজার ৮৫৪, সুস্থ হয়েছে ৩ হাজার ৫৫৭, মারা গেছে ২ হাজার ৮৮৮ জন। সুইডেনে আক্রান্ত ৩১ হাজার ৫২৩, সুস্থ হয়েছে ৪ হাজার ৯৭১, মারা গেছে ৩ হাজার ৮৩১ জন। সুইজারল্যান্ডে আক্রান্ত ৩০ হাজার ৬৫৮, সুস্থ হয়েছে ২৭ হাজার ৮০০, মারা গেছে ১ হাজার ৮৯২ জন। পর্তুগালে আক্রান্ত ২৯ হাজার ৬৬০, সুস্থ হয়েছে ৬ হাজার ৪৫২, মারা গেছে ১ হাজার ২৬৩ জন। আয়ারল্যান্ডে আক্রান্ত ২৪ হাজার ৩১৫, সুস্থ হয়েছে ২১ হাজার ৬০, মারা গেছে ১ হাজার ৫৭১ জন। ইন্দোনেশিয়ায় আক্রান্ত ১৯ হাজার ১৮৯, সুস্থ হয়েছে ৪ হাজার ৫৭৫, মারা গেছে ১ হাজার ২৪২ জন। রোমানিয়ায় আক্রান্ত ১৭ হাজার ৩৮৭, সুস্থ হয়েছে ১০ হাজার ৩৫৬, মারা গেছে ১ হাজার ১৫১ জন।

 এ ছাড়া, দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতে আক্রান্ত ১ লাখ ১২ হাজার ৪৪২, সুস্থ হয়েছে ৪৫ হাজার ৪২২, মারা গেছে ৩ হাজার ৪৩৮ জন। পাকিস্তানে আক্রান্ত ৪৮ হাজার ৯১, সুস্থ হয়েছে ১৪ হাজার ১৫৫, মারা গেছে ১ হাজার ১৭ জন। বাংলাদেশে আক্রান্ত ২৮ হাজার ৫১১, সুস্থ হয়েছে ৫ হাজার ৬০২, মারা গেছে ৪০৮ জন।

 প্রসঙ্গত, এ রোগের কোনো উপসর্গ যেমন জ্বর, গলা ব্যথা, শুকনো কাশি, শ্বাসকষ্ট, শরীর ঠা-া হয়ে যাওয়া, বারবার কাঁপুনি, পেশিতে ব্যথা, মাথা ব্যথা এবং হঠাৎ করে স্বাদ বা গন্ধ না পাওয়া। তাই এগুলো দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। বাইরে চলাফেরার সময় মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। বাড়িঘর পরিষ্কার রাখতে হবে। বাইরে থেকে ঘরে ফিরে এবং খাবার আগে সাবান দিয়ে হাত পরিষ্কার করতে হবে। খাবার ভালোভাবে সিদ্ধ করে খেতে হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ