বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট ২০২০
Online Edition

দায়িত্ব নেওয়ার এটাই ছিল সেরা সময়: মুমিনুল

স্পোর্টস রিপোর্টার: সীমিত ওভারের ক্রিকেটে নিয়মিত না হলেও টেস্টে ক্রিকেটে দলের অন্যতম ভরসা মুমিনুল হক। মমিনুল হক বর্তমানে বাংলাদেশ টেস্ট দলের অধিনায়ক। সাকিব আল হাসানের নিষেধাজ্ঞার পর বাংলাদেশ টেস্ট দলের অধিনায়কত্বের দায়িত্বটা তুলে দেন মুমিনুল হকের কাঁধে। অবশ্য টাইগারদের টেস্ট অধিনায়ক মনে করেন টেস্ট অধিনায়কত্ব কাঁধে নেওয়ার এটাই ছিল উপযুক্ত সময়। তামিম ইকবালের ফেসবুক লাইভ আড্ডায় এসে মুমিনুল একথা বলেন। তামিমের সঙ্গে লাইভ আড্ডায় বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক ছাড়াও এসেছিলেন ব্যাটসম্যান লিটন দাস, সৌম্য সরকার ও স্পিনার তাইজুল ইসলাম। টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল বলেন,‘আমি অধিনায়কত্বের প্রস্তাব যখন পাই তখন আমার মনে হয়েছিল যে অধিনায়কত্ব করার এটাই সব থেকে উপযুক্ত সময়। আমার দলে চার-পাঁচটা সিনিয়র খেলোয়াড় আছে। যারা ১০ বছর ধরে ক্রিকেট খেলছে সেই সঙ্গে আরও তিন-চারজন জুনিয়র আছে যারা দুর্দান্ত খেলোয়াড়। ভালো কিছু স্পিনার আছে সেই সঙ্গে ভালো কিছু পেসারও আছে। সবকিছু মিলিয়ে আমার মনে হয়েছে এটাই সেরা সময় অধিনায়কত্বের দায়িত্ব নেওয়ার।’ মুমিনুল আরও বলেন,‘আসলে তামিম ভাই আপনারা যারা সিনিয়র আছেন তারা আমাকে সবসময় অনুেেপ্ররণা  দেন। আপনারা সিনিয়ররা আরো কমপক্ষে পাঁচ-ছয় বছর খেলবেন। তাই সব কিছু মিলিয়ে আমার চিন্তা এই সময়টাতে আমি দেশের টেস্ট ক্রিকেটটাকে আরও এগিয়ে নিতে পারব।’ লাইভ আড্ডায় লিটন দাস তিনি জানিয়েছেন,নিল ম্যাকেঞ্জিকে কিভাবে তার ব্যাটিং স্ট্রাইল বদলে নিয়েছেন। যার কারণে তিনি সাফল্য পাচ্ছেন। লিটন বলেন, ‘আমি খুব অল্প ব্যাটিং করতে পছন্দ করি যেটা আমি সবসময় করে আসি। খুব অল্প নেট করি, খুব অল্প সময় প্র্যাকটিস করে চলে যাই। বিশ্বকাপের আগে আয়ারল্যান্ড সিরিজের সময় আমি নিলের (ম্যাকেঞ্জি) সাথে অনেকক্ষণ কাজ করেছি প্রথেেম ব্যাটিং করেছি আবার শেষও ব্যাটিং করেছি। নিল আমাকে যে জিনিসটা বলেছে সেটাতেই আমার ব্যাটিং উন্নতিতে অনেক সাহায্য করেছে,  সেটা হচ্ছে প্লে লেট (দেরি করে খেলা)। এটা আমি কখনোই খেলতাম না, আমি কখনোই  কোনদিনই এই অনুশীলনটা করিনি প্লে লেট খেলার। এখন আমি এই জিনিসটা অনেক অনুশীলন করি। কত দেরি করে আমি খেলতে পারি। আমার কাছে মনে হয় আমি যখন প্লে  লেট খেলি আমার ভিশন অনেক ভালো হয়ে যায়। আমি বল দেখতে পারি যে আমি কোথায়  খেলবো। আমার জন্য তখন ক্রিকেটটা আরও সহজ হয়ে যায়।’ গত দুই সপ্তাহ ধরে সতীর্থদের নিয়ে এমন আড্ডা আয়োজনে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন তামিম। অথচ সামাজিক মাধ্যমগুলোতে সবচেয়ে অনিয়মিত দেখা যেত তাকেই। লাইফে  সৌম্য সরকার এ নিয়ে বিস্ময়ও প্রকাশ কওে বলেন, ‘এটা কীভাবে সম্ভব ভাই। আমি অবাক হয়ে ভাবি, তামিম ইকবাল খান, যে কিনা কখনো একটি সেলফিও তোলেনি, সে উপস্থাপনা করছে! ঘণ্টার পর ঘণ্টা প্রশ্ন করেই যাচ্ছে। কীভাবে সম্ভব?’ সৌম্যর বিস্ময়মাখা মুখের দিকে তাকিয়ে হেসে তামিমের উত্তর, ‘এটা আসলে শুধু আমিই না, আমার বাসার সবাই অবাক। কীভাবে করছি? অনেক সময় কিছু না বুঝেই হয়ে যায়, আমার বেলাতে সেটাই হয়েছে।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ