মঙ্গলবার ০২ জুন ২০২০
Online Edition

প্রধানমন্ত্রী হয়েও ক্যাফেতে ঢুকতে বাধা জাসিন্ডার

১৭ মে, দ্য গার্ডিয়ান: খানিকটা খাবার খাওয়া আর আড্ডা দেওয়ার জন্য একজন প্রধানমন্ত্রী একটি সাধারণ ক্যাফেতে ঢুকছেন; নিউ জিল্যান্ডের ক্ষেত্রেও ঘটনাটি বিরল। তবে সেই প্রধানমন্ত্রীকে যদি ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়; সেক্ষেত্রে তা আরও বিরল হয়ে ওঠে। সেই বিরল ঘটনাটিই বাস্তব হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, গত শনিবার ছুটির দিনে সঙ্গী ক্লার্ক গ্যাফোর্ডকে নিয়ে রাজধানী ওয়েলিংটনের একটি ক্যাফেতে ঢুকতে গেলে করোনাকালে আরোপিত বিধি মোতাবেক প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্নকে বাধা দেওয়া হয়েছে। তবে একে খুবই সহজ আর স্বাভাবিকভাবেই নিয়েছেন বিশ্বজুড়ে আলোচিত এই তরুণ প্রধানমন্ত্রী। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে সারাবিশ্বেই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাটা এক ধরনের বাধ্যবাধকতা হয়েই দাঁড়িয়েছে। নিউ জিল্যান্ড মহামারি ঠেকাতে সফল হলেও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে এখনও একইসময়ের মধ্যে গ্রাহক সংখ্যা ১০০ তে সীমাবদ্ধ রাখছে অলিভ ক্যাফে। দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, জাসিন্ডা যখন তার সঙ্গীকে নিয়ে ক্যাফেতে প্রবেশ করতে চাইছিলেন; তখন ১০০ জনই ভেতরে ছিল। তাই তাদেরকে বাইরে অপেক্ষা করতে বলা হয়। গত শনিবার দুপুরের দিকে জোয়ি নামে একজন টুইটারে লেখেন- “হায় খোদা! এইমাত্র জাসিন্ডা অলিভ ক্যাফেতে এসেছিলেন, কিন্তু তাকে ঢুকতে দেওয়া হযনি, কারণ এটি পরিপূর্ণ হয়ে গিয়েছিল।” তার এই টুইট দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। হয়ে ওঠে আলোচনার খোরাক। কয়েক ঘণ্টা পর ওই টুইটের জবাব দেন জাসিন্ডার সঙ্গী  গ্যাফোর্ড। এই বিব্রতকর পরিস্থিতির দায় নিজের ঘাড়ে নিয়ে তিনি বলেন, তার উচিৎ ছিল বুকিং দিয়ে রাখা, যা তিনি করেননি। অলিভ রেস্তোরাঁর আচরণে একটুও মনোঃক্ষুণ্ন হননি গ্যাফোর্ড। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ