সোমবার ০৩ আগস্ট ২০২০
Online Edition

শাহজাদপুরে করোনা ঝুঁকিতেও জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

করোনা ঝুঁকিতেও শাহজাদপুরের পৌর শহরের নুর সুপার মার্কেটে চলছে ঈদের কেনাকাটা -সংগ্রাম

শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা : দেশে যখন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে সেই সময়ে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ঝুঁকি নিয়েই ঈদের কেনাকাটায় দোকানগুলোতে ভিড় করছে হাজারও নারী-পুরুষ। শাহজাদপুর উপজেলা শহরের বিপনী বিতানগুলোতে সকাল থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মার্কেট ও সব দোকানপাট খোলার অনুমতি দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। গত তিনদিন ধরে এই সুযোগে ঈদ কেনাকাটা জমে উঠেছে। শহরের অলিগলি যেন ফিরে পেয়েছে প্রাণচাঞ্চল্য। প্রত্যন্ত জনপদ থেকে ছুটে আসছে নারী-পুরুষ। গত বুধবার পৌরসদরের মনিরামপুর ও দ্বারিয়াপুর বাজার ঘুরে দেখা যায়, নিরাপদ দূরত্ব বজায় না রেখেই ঈদের ক্রেতাদের ভিড় দোকানপাটে। ফুটপাত-মার্কেট সর্বত্রই ক্রেতাদের ভিড় উপচে পড়ছে। বিশেষ করে স্বপন সড়কের ফুটপাত, সরকারি কলেজের দক্ষিণ গেটের ফুটপাতে নিম্ন আয়ের মানুষের আনাগোনা বেশি। প্রায় ৭ লাখ মানুষের বাস শিল্পজনপদ এই শাহজাদপুরে। এ অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ বিদেশফেরত। ঢাকা, নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে কর্মরত অনেকই বাড়িতে ফিরে হোম কোয়ারান্টাইনে ছিলেন এবং এখনও আছেন। ঈদকে সামনে রেখে নিরাপদ দূরত্ব বজায় না রেখে এভাবে কেনাকাটা করায় শাহজাদপুরে করোনা ঝুঁকি বাড়ছে বলে মন্তব্য করেন এলাকার সচেতন মহল। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আমিনুল ইসলাম খান জানান, শাহজাদপুর থেকে ৪৩ জনের নমুনা সংগ্রহের পর পরীক্ষার জন্য সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মাধ্যমে রাজশাহী মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। ইতোমধ্যে ৪২ জনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট তারা হাতে পেয়েছেন। বাকি একজনের রিপোর্ট এখনও হাতে পাওয়া যায়নি । ৪২ জনের কারোও করোনা পজেটিভ আসেনি। এরপরেও সারা দেশে যেভাবে করোনা সংক্রমন ও মৃত্যুর হার বাড়ছে তাতে ঝুঁকি রয়ে গেছে। তাই এ সময়ে নিরাপদ দূরত্ব বজায় না রেখে ভিড় করে কেনাকাটা করাটা আত্মঘাতী।
এ ব্যাপারে শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মো. শামসুজ্জোহা বলেন, ঈদকে সামনে রেখে শর্তসাপেক্ষে শপিংমলগুলো খুলে দিয়েছি। মানুষ যদি নিরাপদ দূরত্ব বজায় না রাখে তাহলে তা বিপদ ডেকে আনবে। আমরা সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ