বৃহস্পতিবার ০৬ আগস্ট ২০২০
Online Edition

আক্রান্ত ২১ হাজার প্রায় সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ১৭

# ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ১৬ জন ॥ আক্রান্ত ৯৩০ জন
স্টাফ রিপোর্টার : করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে দেশে প্রথম মৃত্যুর পর দুই মাসের মাথায় মৃতের সংখ্যা তিনশ ছাড়িয়ে গেল, আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছাল প্রায় ২১ হাজারে। গতকাল শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৬৭৮২টি নমুনা পরীক্ষা করে ৯৩০ জনের মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়ায় দেশে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২০ হাজার ৯৯৫ জন। আরও ১৬ জন গত এক দিনে মারা গেছেন। ফলে কোভিড-১৯ এ দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩১৪ জন হল।
সারাদেশে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন উঠেছেন আরও ২৩৫ জন। সব মিলয়ে এ পর্যন্ত মোট ৪ হাজার ১৭ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে যুক্ত হয়ে অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা শনিবার দেশে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির এই সবশেষ তথ্য তুলে ধরেন।
তিনি জানান, গত এক দিনে যারা মারা গেছেন, তাদের সবাই পুরুষ। তাদের মধ্যে ৭ জন ছিলেন ঢাকা মহানগরীর বাসিন্দা। মহানগরের বাইরে ঢাকা জেলার ২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ২ জন, রংপুর বিভাগে ২ জন, গাজীপুরের ১ জন, মুন্সীগঞ্জের ১ জন এবং নরসিংদীর ১ জন।
তাদের মধ্যে একজনের বয়স ছিল ৭০ বছরের বেশি। ৩ জনের বয়স ছিল ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে, ৬ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরেরর মধ্যে, ৫ জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে এবং ১ জনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে।
বুলেটিনে জানানো হয়, সারা দেশে এখন ৪১টি ল্যাবে করোনাভাইরাসের পরীক্ষা হলেও আগের দিন শুক্রবার ছিল বলে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৩টি ল্যাবে ৬ হাজার ৭৮২টি নমুনা পরীক্ষার তথ্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হাতে পেয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৩৪৯ জনকে আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে; সারা দেশে এখন আইসোলেশনে রয়েছেন ৩ হাজার ৪৬ জন।
ব্রিফিংয়ে করোনা প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়ে অধ্যাপক নাসিমা বলেন, তরল খাবার, কুসুম গরম পানি ও আদা চা পান করবেন। সম্ভব হলে মৌসুমী ফল খাবেন ও ফুসফুসের ব্যায়াম করবেন। এ সময় ধূমপান ত্যাগ করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, এটি ফুসফুসের কার্যকারীতা নষ্ট করে দেয়।
তিনি বলেন, ঢাকার ২০টি ল্যাবের মধ্যে ১২টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে তিন হাজার ৩২০টি ও পরীক্ষা করা হয়েছে তিন হাজার ৭২৪টি। এদের মধ্যে পজিটিভ এসেছে ৬০৫টি। ঢাকার বাইরে ২১টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে তিন হাজার ১৮১টি ও পরীক্ষা করা হয়েছে তিন হাজার ৫৮টি। পজেটিভ এসেছে ৩২৫ টি।
এদিকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা বাংলাদেশে প্রথম শনাক্ত হয় ৮ মার্চ। প্রথম শনাক্তের দিন হিসেবে গতকাল শনিবার দশম সপ্তাহ শেষ হলো।
দশম সপ্তাহে রাজধানীসহ সারাদেশে সর্বমোট সাত বাজার ৩২৫ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়। একই সময়ে মৃত্যু হয় সর্বমোট ৮৬ জনের। শতাংশের হিসাবে দৈনিক গড়ে এক হাজার ৪৬ জন আক্রান্ত ও ১২ জনের মৃত্যু হয়।
শুরুর দিকে করানোয় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা খুবই সীমিত থাকলেও চলতি দশম সপ্তাহে গত ১৫ মে একদিনে সর্বোচ্চ সংখ্যক এক হাজার ২০২ জন আক্রান্ত হন। এছাড়া গত ১৩ মে একদিনে সর্বোচ্চ ১৯ জনের মৃত্যু হয়।
পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত ১০-১৬ মে পর্যন্ত যথাক্রমে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৮৮৭ জন, এক হাজার ১৩৪ জন, ৯৬৯ জন, এক হাজার ১৬২ জন, এক হাজার ৪১ জন, এক হাজার ২০২ জন এবং ৯৩০ জন। একই সময়ে মৃত্যু হয় যথাক্রমে ১১ জন, ১১ জন, ১৯ জন, ১৪ জন, ১৫ জন ও ১৬ জন।
সবার মুখে একটাই প্রশ্ন সামনের দিনগুলোতে কী হবে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বাস্থ্যবিধি সঠিকভাবে মেনে না চললে সামনের দিনগুলোতে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়বে। তারা অপ্রয়োজনে ঘরের বাইরে বের না হতে, জরুরি প্রয়োজনে ঘরের বাইরে বের হতে হলে ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী মাস্ক ও গ্লাভস ব্যবহার এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাচলের পরামর্শ দেন।

চট্টগ্রাম বিভাগে আরো ৮৫জন করোনা পজিটিভ
চট্টগ্রাম ব্যুরো : গত চব্বিশ ঘন্টায় চট্টগ্রাম বিভাগে বিআইটিআইডি, সিভাসু এবং চমেকে ৪৬৪ নমুনা পরীক্ষা করা হয়। ফলাফলে করোনা পজিটিভ এসেছে ৮৫ জনের। শনাক্ত হওয়া ৮৫ জনের মধ্যে চট্টগ্রামের বাসিন্দা ৬৮ জন। এর মধ্যে মহানগরে ৫৮ জন এবং উপজেলায় ১০ জন। বাকি ১৭জন অন্য জেলার। শুক্রবার রাতে নমুনা পরীক্ষা শেষে এসব তথ্য জানান চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি। বিআইটিআইডি : শুক্রবার চট্টগ্রাম বিআইটিআইডিতে ২৫৫ টি নমুনা পরীক্ষায় পজিটিভ ফল এসেছে ১৭ টি। নেগেটিভ ফল ২৩০। ২৫ করোনা শনাক্ত হওয়াদের তালিকায় চট্টগ্রামের রয়েছেন ১৭ জন। এরমধ্যে নগরীতে ১৩ জন এবং আনোয়ারা ও সীতাকুন্ড উপজেলায় দুইজন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। ভিন্ন জেলায় ৮ জন। সিভাসু : চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ইউনিভার্সিটিতে (সিভাসু) ১০০ টি নমুনা পরীক্ষার ফলাফলে ১৩ টি পজিটিভ। চট্টগ্রাম জেলায় ৪ জন। এছাড়া ভিন্ন জেলার ৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল : শুক্রবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০৯ টি নমুনা পরীক্ষা করোনা পজিটিব আসে ৪৭ জনের ক্ষেত্রে। এরমধ্যে চট্টগ্রামের ৪৭ টি পজিটিভ। মহানগর এলাকায় ৪৫ টি ও উপজেলায় ২ টি। এছাড়া কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চট্টগ্রাম জেলার ২১ টি নমুনা পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে কোন করোনা পজিটিভ রোগী পাওয়া যায়নি।

মানিকগঞ্জে করোনায় আক্রান্ত নারীর মৃত্যু
মানিকগঞ্জ সংবাদদাতা : মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলায় করোনা আক্রান্ত এক নারীর (৫০) মৃত্যু হয়েছে।
গতকাল ( শনিবার)  ঢাকার কুর্মিটোলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি মারা যান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাবিনা ইয়াসমিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সাবিনা ইয়াসমিন জানান, উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ওই নারী গত ৮ মে শ্বাসকষ্টসহ শারীরিক সমস্যার কারণে ঢাকায় ইবনে সিনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই দিনই সেখানে তাঁর নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরের দিন (৯ মে) পরীক্ষায় তাঁর করোনা পজিটিভ আসে। এর পর তাঁকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
 এ ঘটনায় ১০ মে ওই নারীর বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করে উপজেলা প্রশাসন একই দিন পরিবারের সদস্যদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ১৩ মে পরীক্ষায় তাঁদের সবার করোনা নেগেটিভ আসে।
 ওই নারীর দেবর মিজানুর রহমান বলেন, করোনা পজিটিভ আসায় তাঁর ভাবীকে ঢাকায় কুর্মিটোলা হাসপাতালে আইসোলেশনে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ (শনিবার) দুপুর দুইটার দিকে তিনি মারা যান।
 স্বাস্থ্যবিধি ও ধর্মীয় বিধিবিধান মেনেই মৃত দেহ দাফনে ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবিনা ইয়াসমিন।

ফেনীতে করোনায় ৩০॥ সুস্থ ৮
ফেনী সংবাদদাতা : ফেনীতে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ জনে দাঁড়াল।  ৮ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র নিয়েছে সিভিল সার্জন অফিস সূত্র জানায়। ফুলগাজীতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মা-মেেয় সহ তনি নারী সুস্থ হয়ে উঠছেনে। অপরজন দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের উত্তর আলামপুর গ্রামে। শুক্রবার তাদের জলো স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ  থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়।
স্বাস্থ্য বভিাগ সূত্র জানায়, গত ৬  মে ফুলগাজী উপজলোর দরবারপুর ইউনয়িনরে দক্ষিন বরইয়া গ্রামে এক কিশোরী করোনায় আক্রান্ত হয়। গত ২৯ এপ্রিল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নমুনা সংগ্রহ করা হলে পজেটিভ আসে। তাকে  সেবা করতে গিয়ে সংস্পর্শে মাও আক্রান্ত হয়ে পড়েন। তিনি উপজেলা পর্যায়ের একটি সরকারি দপ্তরের অফিস সহায়ক।
উপজলো স্বাস্থ্য ও পরবিার পরকিল্পনা র্কমর্কতা ডা. মোজাম্মলে হোসনে জানান, আক্রান্ত মা-মেয়ে সহ ওই পরবিাররে ৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়। শুক্রবার নমুনা  প্রকবিদেনে রির্পোট  নেগেটিভ হয়। উপজলোয় এ র্পযন্ত ৫৫ ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করা হলে ৪১ জনের  প্রতিবেদন আসে।
এদিকে ক্যান্সার আক্রান্ত স্বামীকে চিকিৎসার জন্য রাজধানী গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হন দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের ওই নারী। গত ২২ এ প্রলি নমুনা সংগ্রহ করা হলে ২৯ এ প্রলি  প্রতবিদেনে করোনা শনাক্ত করা হয়।
পরপর নমুনা  প্রতিবেদন নেগেটিভ আসায় তাদের ছাড়পত্র দেন জেলা সভিলি র্সাজন ডা: সাজ্জাদ হোসনে। তিনি জানান, ওই তনি নারীর নমুনা পরীক্ষায় করোনা ‘নেগেটিভ’ হওয়ার পর তাদের ছাড়পত্র দেওয়া হয়। র্বতমানে তারা শারীরিকভাবে সুস্থ রয়েছেন।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, জেলায় মোট ৩০ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ১১ জন, দাগনভূঞা উপজেলায় ৫ জন, ফুলগাজী উপজেলায় ২ জন, ছাগলনাইয়া উপজেলায় ৮ জন,  সোনাগাজী উপজেলায় ২ জন, একজনকে চট্টগ্রাম জেনারলে হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে। একজন কুমল্লিার চৌদ্দগ্রামরে বাসন্দিা। আক্রান্তদের মধ্যে ৮ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র নিয়েছেন।

দিনাজপুরে নতুন আক্রান্ত চিকিৎসকসহ ৬ জন
দিনাজপুর অফিসঃ দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নাক, কান, গলা বিভাগের এক চিকিৎসকসহ নতুন ৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট ৬৪ জন করোনা রোগী শনাক্ত হলো। গতকাল দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুছ জানান, দিনাজপুর এম. আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজের পিসিআর ল্যাব থেকে ২০৫ জনের নমুনার রিপোর্ট পাওয়া গেছে। এর মধ্যে নতুন ৬ জন করোনা (কোভিড-১৯) শনাক্ত হয়েছে।
দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক, কান, গলা বিভাগের এক চিকিৎসক, বিরল উপজেলায় ১ জন, খানসামায় ১ জন, বীরগঞ্জে ১ জন, নবাবগঞ্জে ১ জন ও বোচাগঞ্জে ১ জন রয়েছে। এদের মধ্যে ৪ জন পুরুষ ও ২ নারী। বর্তমানে ৬ জনই হোম আইসোলেশনে রয়েছেন। তিনি জানান, এ নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৬৪ জনে। এর মধ্যে ৪৭ জন পুরুষ, ১৪ জন নারী ও ৩ জন শিশু। অদ্যাবধি ল্যাবে পাঠানো নমুনার সংখ্যা ১৭৬১টি এবং ফলাফল পাওয়া নমুনার সংখ্যা ১৭৪১টি। ২০টি এখনো বাকি আছে।

নীলফামারীতে মা ছেলেসহ ৭ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত
নীলফামারী সংবাদদাতা: নীলফামারীতে মা, ছেলে ও দুই স্বাস্থ্যকর্মী সহ নতুন করে আরো ৭জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। নীলফামারী সিভিল সার্জন রনজিৎ কুমার বর্মন শুক্রবার রাতে নতুন শনাক্তের বিষয়টি  নিশ্চিত করে বলেন এনিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা হলো ৬১ জনে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নতুন করে করোনা শনাক্ত ৭জনের মধ্যে  জেলার ডোমার উপজেলার হরিনচড়া ইউনিয়নের খানাবাড়ি গ্রামে মা (৫৭) ও ছেলে (৩০) , সৈয়দপুর হাসপাতাল এলাকার (৪০) ও (৪৫) দুইজন, ডোমার উপজেলা হাসপাতালের এক স্বাস্থকর্মী (৪৫), জলঢাকা উপজেলার মীরগঞ্জহাট এলাকার চা দোকানদার (৩০) এবং কিশোরগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালের এক ভ্যাকসিন ক্যারিয়ার( (৪০) রয়েছে। 

ম্যাজিস্ট্রেটসহ জেলায় মোট আক্রান্ত ৩৬৫
মুন্সীগঞ্জ সংবাদদাতা : মুন্সীগঞ্জে শনিবার গজারিয়ার ৫ ব্যাংকারসহ ১১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এই নিয়ে জেলায় মোট ৩৬৫ জনে করোনা শনাক্ত হলো। নতুন শনাক্ত ১১ জনের মধ্যে গজারিয়া উপজেলার সোনালী ব্যাংকের গজারিয়া শাখার ৫ জন কর্মকর্তার করোনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলায় ৩ জন, সিরাজদিখান উপজেলায় ২ জন ও টংগীবাড়ি উপজেলায় ১ জনের শনাক্ত হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিভিল সার্জন ডা: আবুল কালাম আজাদ।
নতুন করে সদরের ১৩ ও লৌহজংয়ে ২ জনসহ ১৫ জন সুস্থ হয়েছেন। এই নিয়ে জেলায় ৫২ জন করোনা জয় করলেন। সিভিল সার্জন অফিসের হিসাবে এখনও মৃত সংখ্যা ১৩।
মুন্সীগঞ্জ সিভিল সার্জন অফিসের দেয়া তথ্য মোতাবেক জেলায় মোট শনাক্ত ৩৬৫ জনের মধ্যে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলায়ই ১৫৪ জন, সিরাজদিখান উপজেলায় ৫৮ জন, শ্রীনগর উপজেলায় ৪৩ জন, লৌহজং উপজেলায় ৩৯ জন, গজারিয়া উপজেলায় ৩৯ জন এবং টঙ্গীবাড়ি উপজেলায় ৩২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ