বৃহস্পতিবার ০৪ জুন ২০২০
Online Edition

আতিক উত্তরের মেয়রের দায়িত্ব নিচ্ছেন আজ শেখ তাপস দক্ষিণের দায়িত্ব নেবেন রোববার

তোফাজ্জল হোসেন কামাল : অপেক্ষার পালা শেষ। এবার দায়িত্ব নেয়ার পালা। ঢাকার দুই মেয়রের দায়িত্ব নেয়ার সেই ক্ষন এখন চলে এসেছে। নির্বাচিত হওয়ার পর শপথ,তারপর যথারীতি দায়িত্ব নেয়ার কথা। কিন্তু আইনী বাধ্যবাধকতা থাকার কারণে প্রায় সাড়ে তিনমাস সময় ধরেই দায়িত্ব নেয়ার জন্য মুখিয়ে ছিলেন ঢাকার দুই মেয়র যথাক্রমে, উত্তরের আতিকুল ইসলাম আর দক্ষিণের ব্যারিষ্টার শেখ ফজলে নুর তাপস। অবশ্য উত্তরের আতিকুল ইসলাম পুনরায় নির্বাচিত, দক্ষিণের শেখ তাপস নতুনভাবে নির্বাচিত। উত্তরের নির্বাচিত মেয়র আনিসুল হকের অকাল মৃত্যুতে উপ নির্বাচনে জয়ী হন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতা আতিকুল ইসলাম। মেয়াদ শেষে পুনরায় মনোনয়ন পেয়ে তিনি আবারও আওয়ামীলীগের টিকেটে মেয়র নির্বাচিত হন। আর দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকনের পরিবর্তে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচিত হন শেখ তাপস।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ( ডিএনসিসি) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ( ডিএসসিসি) সুত্রগুলো জানায়, আজ ১৩ মে বুধবার দুপুর ১২ টার দিকে দায়িত্ব নেবেন উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম। এরপরই তিনি গণমাধ্যমের মুখোমুখি হচ্ছেন ভার্সুয়াল মাধ্যমে। আর ১৭ মে রোববার দুপুরের দিকে দায়িত্ব নেবেন দক্ষিণের মেয়র শেখ তাপস। উত্তরের মেয়র দায়িত্ব বুঝে নেবেন বর্তমান প্যানেল মেয়র জামাল মোস্তফার কাছ থেকে। দক্ষিণের নব নির্বাচিত মেয়র শেখ তাপস দায়িত্ব বুঝে নেবেন বর্তমান মেয়র সাঈদ খোকনের কাছ থেকে। পৃথকভাবে দুই মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ে তেমন কোন আনুষ্ঠানিকতা করা হচ্ছেনা বলে উভয় সিটি কর্পোরেশন সূত্রই জানিয়েছে। এ জন্য যেটুকু আয়োজন করা দরকার তার প্রস্তুতিও শেষ।
সিটি করপোরেশন পরিচালিত হয় স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইনের মাধ্যমে। এই আইনের উপ-ধারা (১) এর দফা (খ)তে উল্লেখ আছে ‘নির্বাচিত মেয়র অথবা কাউন্সিলর করপোরেশনের মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত কার্যভার গ্রহণ করিতে পারিবেন না।’ আর উপ-ধারা (১) এর দফা (খ) দফায় বলা হয়েছে, ‘করপোরেশনের মেয়াদ শেষ হইবার ক্ষেত্রে, উক্ত মেয়াদ শেষ হইবার পূর্ববর্তী একশত আশি দিনের (১৮০ দিন) মধ্যে নির্বাচন করিতে হইবে।’
সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মেয়াদ সম্পর্কে ধারা ৬ এ বলা হয়েছে, ‘করপোরেশনের মেয়াদ উহা গঠিত হইবার পর উহার প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হইবার তারিখ থেকে পাঁচ বৎসর হইবে, তবে শর্ত থাকে যে সিটি করপোরেশনের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও উহা পুনর্গঠিত সিটি করপোরেশনের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করিয়া যাইবে।’
এক্ষেত্রে উত্তর সিটির প্রথম বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ২০১৫ সালের ১৩ মে, আর দক্ষিণ সিটির প্রথম বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয় একই বছরের ১৬ মে। এ হিসেবে উত্তর সিটির নবনির্বাচিত মেয়র আতিকুল ইসলাম ১৩ অথবা ১৪ মে দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারবেন আর দক্ষিণ সিটিতে নব নির্বাচিত মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারবেন ১৭ মে । এজন্য তাদের দুই জনকেই নির্ধারিত এ দুটি তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে। 
দক্ষিণ সিটির বর্তমান মেয়র সাঈদ খোকন জানিয়েছেন, তার নেতৃত্বাধীন বর্তমান বোর্ডের  মেয়াদ  ১৬ মে পর্যন্ত। আইন অনুযায়ী সে পর্যন্ত বর্তমান বোর্ড দায়িত্বপালন করবে। এরপর নতুন নির্বাচিত বোর্ড দায়িত্ব গ্রহণ করবে।
জানতে চাইলে দক্ষিণ সিটির নবনির্বাচিত মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, ‘গত মেয়াদে যারা নির্বাচিত হয়েছেন তারা পূর্ণ মেয়াদ পার করবেন। তাদের মেয়াদ শেষ হলেই আমরা দায়িত্বভার গ্রহণ করবো। মেয়াদ পূরণের একদিন আগেও দায়িত্ব গ্রহণের সুযোগ নেই। সে হিসেবে ১৭ মে দায়িত্ব নেবো।’
নব নির্বাচিত মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, বর্তমান বোর্ডের  মেয়াদ আজ শেষ হচ্ছে। আজই  আমরা দায়িত্বভার গ্রহণ করতে পারবো। এরপর সুযোগ বুঝে বোর্ড সভা করবো। আজকের দিন থেকে পরবর্তী ৫ বছর আমরা নতুন নির্বাচিতরা দায়িত্ব পালন করবো।
ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে দায়িত্ব নিচ্ছেন তাপস
শতকোটি টাকা ঋণের বোঝা নিয়ে দায়িত্বভার গ্রহণ করতে যাচ্ছেন ডিএসসিসির নবনির্বাচিত মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন ঠিকাদার, পরামর্শক প্রতিষ্ঠান আর সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ডিএসসিসির কাছে পাবে কমপক্ষে ১০০ কোটি টাকা। এ ছাড়া এই মুহূর্তে কর্মীদের বেতন-ভাতাসহ ঈদুল ফিতরের বোনাস দিতে হিমশিম খাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। এরই মধ্যে আগামী ১৭ মে দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত মেয়র তাপস। ঢাকা সিটি করপোরেশন দুই ভাগ হওয়ার পর তিনি হচ্ছেন ডিএসসিসির দ্বিতীয় নির্বাচিত মেয়র।
জানতে চাইলে ডিএসসিসির প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলমগীর বলেন, ‘এই মুহূর্তে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-বোনাস নিয়ে চাপে আছি। আশা করছি  দুই-এক দিনের মধ্যে বেতন দিতে পারব। আর বোনাস দিতে আরও কয়েক দিন সময় লেগে যাবে।’ এখন কী পরিমাণ টাকা ঋণে আছে ডিএসসিসি এ প্রশ্নের জবাবে এ কর্মকর্তা বলেন, ‘হিসাব না করে টাকার অংক বলা মুশকিল। তবে বেশ কিছু টাকা আমাদের কাছে পাবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো।’
ডিএসসিসির একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মেয়র হিসেবে তাপসের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে ঋণগ্রস্ত করপোরেশনের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া। এই মুহূর্তে ঠিকাদার ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান মিলে কমপক্ষে ১০০ কোটি টাকা পাবে করপোরেশনের কাছে। এ ছাড়া সরকারি যেসব প্রকল্পে ডিএসসিসি অর্থ পেয়েছে সেখানে ম্যাচিং ফান্ডও অনেক বকেয়া রয়েছে। সব মিলিয়ে করপোরেশনের ঋণের পরিমাণ শতকোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে।
ঋণের বিষয়ে করপোরেশনের কর্মকর্তারা বলেন, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন ভাগ হওয়ার ক্ষেত্রে অসম বণ্টন হয়েছে। রাজস্ব আদায়ের দিক দিয়ে সবচেয়ে বেশি এলাকা উত্তর সিটি এলাকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। দক্ষিণ সিটির তুলনায় উত্তরে রাজস্ব আয় প্রায় দ্বিগুণ। মেয়র হিসেবে সাঈদ খোকন দায়িত্ব নেওয়ার সময়ও এক থেকে দেড়শ কোটি টাকা ঋণগ্রস্ত ছিল করপোরেশন। এ ছাড়া ডিএসসিসির রাজস্ব আদায়েও ধস নেমেছে। বিশেষ করে গৃহকর আর বাজারসালামি থেকে কাংখিত রাজস্ব আদায় হচ্ছে না।
গত পাঁচ বছরের বাজেট বই পর্যালোচনায় দেখা গেছে, আর্থিক সংকটে থাকা প্রতিষ্ঠানটির রাজস্ব আদায় দিন দিন কমছে। বার্ষিক বাজেটে দেওয়া লক্ষ্যমাত্রার ৩০ শতাংশও অর্জিত হচ্ছে না। গত কয়েক বছরের রাজস্ব বিভাগের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাজারসালামি খাতে সম্ভাব্য আয় ধরা হয়েছিল ৩০৫ কোটি টাকা, আদায় হয়েছে ৬১ কোটি টাকা। একই অর্থবছরে কর (গৃহ) ধরা হয় ৩৩০ কোটি টাকা, আদায় হয়েছে ২১১ কোটি টাকা। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বাজারসালামিতে ৩১৩ কোটি টাকা আয় ধরা হলেও আদায় হয়েছে ৫৩ কোটি টাকা। আর কর (গৃহ) ধরা হয় ৫১৫ কোটি টাকা, যেখানে আদায় হয় ১৮০ কোটি টাকা। এর আগের অর্থবছরে বাজারসালামি খাতে আয় ধরা হয়েছিল ৬৫০ কোটি টাকা, আদায় হয় ১০৫ কোটি টাকা। একই অর্থবছরে কর (গৃহ) খাতে আয় ধরা হয়েছিল ৫০০ কোটি টাকা, আদায় হয় ১৯৫ কোটি টাকা। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাজারসালামি থেকে রাজস্ব আয় ধরা হয় ১০০ কোটি টাকা, আদায় হয় ১৫ কোটি টাকা। একই অর্থবছরে কর (গৃহ) খাতে আয় ধরা হয়েছিল ২৮৫ কোটি টাকা, আদায় হয় ১৮০ কোটি টাকা। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বাজারসালামি থেকে আয় ধরা হয়েছিল ১০০ কোটি টাকা আর আদায় হয় ৫৫ কোটি টাকা। একই অর্থবছরে কর (গৃহ) আয় ধরা হয়েছিল ২৭৫ কোটি টাকা, আদায় হয় ১৭৪ কোটি ২০ লাখ টাকা। আর চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাজারসালামি থেকে আয় ধরা হয়েছে ৩১০ কোটি টাকা। এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের ধারেকাছেও যেতে পারেনি রাজস্ব বিভাগ। সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাদের অদক্ষতার কারণে রাজস্ব আদায় কার্যত দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে মনে করেন অনেকে।
ডিএসসিসির প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) মো. ইউসুফ আলী সরদার বলেন, ‘মূলত সিটি করপোরেশন দুই ভাগ হওয়ার পর রাজস্বের দিক দিয়ে ডিএসসিসি ব্যাপকভাবে বঞ্চিত হয়েছে। আবার মার্কেটগুলো থেকেও মামলাসংক্রান্ত জটিলতায় কাংখিত রাজস্ব আদায় হচ্ছে না। গৃহকরের ক্ষেত্রেও বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো আদালতের মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা এনে রেখেছে। সব মিলিয়ে ডিএসসিসির নিজস্ব অর্থ দিয়ে সব কাজ করা চালিয়ে যাওয়া খুব কষ্টসাধ্য বিষয়।’
অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে ১৭ মে দায়িত্ব নেবেন তাপস
গত ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস আগামী ১৭ মে দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন। ১৬ মে বর্তমান মেয়র সাঈদ খোকনের দায়িত্ব শেষ হবে। নতুন নির্বাচিত মেয়র তাপসকে চেয়ারে বসিয়ে দিয়ে বিদায় নেবেন সাঈদ খোকন।
তবে ডিএসসিসির একটি সূত্র জানিয়েছে, সারাদেশে করোনা ভাইরাসের মহামারির কারণে দায়িত্বগ্রহণ অনুষ্ঠানে বড় ধরনের কোনো জমায়েত হবে না। সাদামাটাভাবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ছোটখাট অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে।
ঢাকা সিটি করপোরেশন দুই ভাগে বিভক্ত হওয়ার পর ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) দ্বিতীয় নির্বাচিত মেয়র। ইতোমধ্যে তিনি শপথও নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে শপথবাক্য পাঠ করিয়েছেন। তবে সাঈদ খোকনের মেয়াদ শেষ না হওয়ায় সাড়ে তিনমাস অপেক্ষা করতে হলো তাপসকে।
দায়িত্ব হস্তান্তরের অনুষ্ঠান সম্পর্কে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ছোটখাট অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে দায়িত্ব হস্তান্তর হতে পারে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সাঈদ খোকন মেয়র হিসেবে দায়িত্বগ্রহণ করার পর ডিএসসিসির প্রথম বোর্ডসভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ওই বছরের ১৬ মে। তাই ২০২০ সালের ১৬ মে’র পরে সাঈদ খোকনের মেয়াদ শেষ হবে। মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে তিনি আর ওই চেয়ারে থাকতে পারবেন না। তার স্থলাভিষিক্ত হবেন নবনির্বাচত মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।
ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের ব্যক্তিগত মিডিয়া কো-অর্ডিনেটর তারেক শিকদার বলেন, আগামী ১৭ মে ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তিনি প্রস্তুতিও নিয়েছেন। কীভাবে কাজ করবেন ইতোমধ্যে সে বিষয়ে তিনি কিছু পরিকল্পনাও গ্রহণ করেছেন। চেয়ারে বসার পর থেকেই সেগুলো বাস্তবায়ন শুরু করবেন।
গত ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ডিএসসিসি নির্বাচনে তাপস মোট ভোটারের ১৭ দশমিক ৩০ শতাংশের সমর্থন নিয়ে মেয়রের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন। নির্বাচনের আগে তার নির্বাচনী ইশতেহারে পাঁচটি প্রতিশ্রুতি ছিল। প্রতিটি নির্বাচনী সভায় তিনি জোরালোভাবে এই পাঁচ প্রতিশ্রুতির কথা বারবার উল্রেখ করেছেন। তিনি বলছেন, এই নগর বাঁচাতেই এসব পরিকল্পনা তার।
প্রতিটি অনুষ্ঠান ও মতবিনিময় সভায় শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, সময় হয়েছে ঘুরে দাঁড়ানোর, নতুন পথে যাত্রা শুরু করার। ঢাকার উন্নয়নের জন্য এখন দরকার সঠিক নেতৃত্ব। অনেক সময় পেরিয়ে গেছে, অনেক অবহেলা, গাফিলতিতে ঢাকা অপরিকল্পিত নগরী হয়ে গেছে। দূষণে আক্রান্ত নগরী হয়ে গেছে। ঢাকাকে পুনরুজ্জীবিত করতে হবে। মেয়র হলে তিনি কী কী করবেন, তা-তুলে ধরেছেন তার পাঁচ পরিকল্পনায়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ