সোমবার ০৩ আগস্ট ২০২০
Online Edition

বগুড়ায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন আরো ৫ জন ব্যাংক কর্মকর্তা ও শিশু করোনায় আক্রান্ত

বগুড়া অফিস: ঢাকায় ওষুধ কোম্পানীতে কর্মরত বগুড়ার ফুলতলার এক ব্যক্তির স্ত্রী করোনা আক্রান্তের পর তার একমাত্র সন্তান ও একটি বেসরকারী ব্যাংকের এক কর্মকর্তা করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এ ছাড়া বগুড়ায় করোনা আরো ৫জন আইসোলেশন কেন্দ্র থেকে সুস্থ হয়ে বুধবার বাড়ী ফিরেছেন। এ নিয়ে জেলায় সুস্থ হয়ে বাড়ী ফিরলেন ৭জন। মঙ্গলবার বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের ল্যাবে  মোট ৯৪জনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট রাতে পাওয়া গেছে। এদের মধ্য বগুড়ার ৯১জনের মধ্যে ২জন পজিটিভ। সিরাজগঞ্জের ১জন  এবং জয়পুরহাটের ২জন নেগেটিভ।
আক্রান্ত শিশুটি তার বাবা ও নার্স মায়ের সংস্পর্শে আক্রান্ত হয়েছেন বলে ডাক্তাররা জানান। পরে তার নার্স স্ত্রী কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হন। শেষে তাদের ১২ বছরের সন্তানও আক্রান্ত হয়েছেন। এদিকে, একটি বেসরকারী ব্যাংক সৈয়দপুর শাখার একজন শীর্ষ স্থানীয় কর্মকর্তা করোনার উপসর্গ নিয়ে গত ২৮ এপ্রিল বগুড়া শহরের তার বাড়ীতে আসেন। পরে তিনি তার শরীরের নমুনা পরীক্ষা করালে মঙ্গলবার তার রিপোর্ট পজেটিভ পাওয়া যায়। বগুড়ার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাক্তার মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
৫জন সুস্থ হয়ে বাড়ী ফিরেছেনঃ বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল করোনা আইসোলেশন কেন্দ্র থেকে সুস্থ হয়ে  আরো ৫ জন বাড়ী ফিরেছেন। এ নিয়ে ওই কেন্দ্র থেকে মোট ৭ জন করোনা মুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এদেরকে ছাড়পত্র দিয়ে বিদায়ের সময় ফুলদিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বগুড়া সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বপ্রাপ্ত মোঃ শাহারুল ইসলাম জানান, বগুড়ায় এ পর্যন্ত মোট ২৫ জন নারী ও পুরুষ  করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হয়েছেন। এদের কাউকে মোহাম্মাদ আলী হাসপাতালের আইসোলেশন কেন্দ্রে আবার কাউকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আইসোলেশন কেন্দ্রের আবাসিক চিকিৎসক ডা: শফিক আমিন কাজল জানান, বুধবার দুপুরে করোনা চিকিৎসায় সুস্থ হওয়া ৫ জনকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এরা হলেন, নারায়নগঞ্জ পপুলার ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে  কর্মরত বগুড়া জেলার  সারিয়াকান্দি উপজেলার মোঃ রিপন (২৫), ঢাকায় বেড়াতে যাওয়া সোনাতলা উপজেলার কহিনুর (৪৭), ঢাকার গার্মেন্টস কর্মী ধুনট উপজেলার নুরন্নবী (২৮), ঢাকা ফেরত কলেজ শিক্ষক সারিয়াকান্দির মামুনুর রশিদ এবং বগুড়ার সেল্স ডিস্টিবিউটর জাহিদুল ইসলাম (৪০)। এরা অনেকেই ১০ থেকে ১৫ দিন আগে ভর্তি হয়েছিলেন। এর আগে সুস্থ হয়ে আরো দুজন বাড়ি ফিরেছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ