ঢাকা, শুক্রবার 7 August 2020, ২৩ শ্রাবণ ১৪২৭, ১৬ জিলহজ্ব ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

ইরানের কৃষি ও খাদ্যদ্রব্য রপ্তানি থেকে আয় ৫.৮ বিলিয়ন ডলার

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: গত ফারসি বছর (২১ মার্চ ২০১৯ থেকে ২০ মার্চ ২০২০) ইরানের ৫ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের কৃষি খাদ্যদ্রব্য রপ্তানি হয়েছে। দেশটির কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্লানিং অ্যান্ড ইকোনমিক অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্টের প্রধান শাহরোখ শাযারি এই তথ্য জানিয়েছেন।

এই কর্মকর্তার তথ্যমতে, গত বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইরান প্রায় ৭ দশমিক ১০২ মিলিয়ন টন কৃষি ও খাদ্যপণ্য রপ্তানি করে। ওই সময়ে দেশটিতে ৬ দশমিক ৩৯২ বিলিয়ন ডলারের ৬ দশমিক ৯৪১ মিলিয়ন টন কৃষি ও খাদ্যদ্রব্য আমদানি হয়েছে। খবর ইরানি বার্তা সংস্থা আইআরএনএ এর।  

গত বছর ওজনের দিক দিয়ে যে পাঁচ কৃষি ও খাদ্যপণ্য সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে তা হলো তরমুজ, আপেল, টমেটো, আলু, পেঁয়াজ এবং শিট। আর মূল্যের দিক দিয়ে রপ্তানির শীর্ষে ছিল পেস্তা, আপেল, টমেটো, পেস্তা কার্নেলস এবং তরমুজ।

ডিম রপ্তানি করে ইরানের আয়

চলতি ফার্সি বছরের প্রথম মাসেই ইরান রফতানি করেছে ১০ হাজার টন ডিম। প্রতি বছর ২১ মার্চ নতুন ফার্সি বছর শুরু হয়।ইরান ২১ মার্চ থেকে শুরু হওয়া চলতি ফার্সি বছরের প্রথম মাসেই ১০ হাজার টন ডিম রফতানি করেছে। ইরাক, আফগানিস্তান, ওমান এবং কাতারে এ সব ডিম রফতানি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের ডিমপাড়া মুরগী বিষয়ক জাতীয় ইউনিয়নের মহাপরিচালক রেজা তোরকাশবন্দ।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ইরানের ডিম উৎপাদনের বিষয় নিয়েও কথা বলেন তিনি। ডিম উৎপাদন পরিকল্পনা অনুযায়ী পরিস্থিতিকে অনুকূল হিসেবে তুলে ধরে তিনি জানান, ৭০ থেকে ৮০ হাজার টন ডিম রফতানির পরিকল্পনা রয়েছে ইরানের। উল্লেখিত চার দেশ ছাড়াও কাতারে ইরানি ডিম রফতানি হয়ে বলেও জানান তিনি।

ইরানে প্রতি বছরের এ সময়ে চাহিদা হ্রাস পাওয়ায় ডিমের বাজার পড়ে যায় বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, তবে চলতি বছরে সে রকম পরিস্থিতি দেখা দেয় নি। এর কারণ ব্যাখ্যা করতে যেয়ে তিনি জানান, অব্যাহত ডিম রফতানি এবং করোনাভাইরাসের কারণে অন্যান্য বেশির ভাগ খাদ্য সরবরাহ কমে যাওয়ায় ডিমের চাহিদা বাড়ায় চলতি বছর ডিমের দামে কমে নি।

পাশাপাশি গত ফার্সি বছরে ইরানের ডিম উৎপাদনেরও হিসাব দেন তিনি। তিনি জানান, গত বছর ইরানে ১০ লাখ টনের বেশি ডিম উৎপাদিত হয়েছে এর মধ্যে রফতানি করা হয়েছে ৪১ হাজার টনের বেশি ডিম ।

প্রতি ডিমের ওজনে গড়ে ৬০ গ্রাম হিসাবে ধরা হয়। এতে ১৬ হাজার ছয়শ ৬৬টি ডিমে এক মেট্রিক টন হয়। অন্যদিকে ডিম সরবরাহকারীরা  সাধারণ ভাবে ১২টি বা এক ডজন ধরে ডিমের হিসাব করেন। আর এতে  এক মেট্রিক টনের জন্য এক হাজার তিনশ ৮৯টি ডিমের প্রয়োজন পড়ে।

সূত্র: তেহরান টাইমস ও পার্স টুডে

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ