রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

শাহজাদপুরে করলার বাম্পার ফলন ন্যায্য মূল্যে কৃষকরা খুশি 

 

এমএ জাফর লিটন, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা : সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে চলতি মৌসুমে করলার বাম্পার ফলন হয়েছে। ন্যায্যমূল্য পেয়ে চাষীরা দারুন খুশি। শাহজাদপুরের গাড়াদহ ইউনিয়নের নবীপুর,টেপড়ি, কায়েমপুর, ব্রজবালা, পোরজনা ইউনিয়নের বড় মহারাজপুর, বাশুড়িয়া, গালা ইউনিয়নের মারজান, কাশিপুর, যমুনা চরের শ্রীপুর, কুরশি, দিগন্ত জোড়া মাঠ শুধু করলা আর করলার ক্ষেত। করলার গাছের সবুজ রঙে ছেঁয়ে গেছে বিস্তীর্ণ মাঠ। 

বারো মাসি সব্জি হচ্ছে করলা। তবে শীত কালে এই সবজির বিশেষ চাহিদা রয়েছে। বর্তমানে করলার দাম ও ফলনে খুশি করলা চাষীরা। এই উপজেলায় উৎপাদিত করলা নিজেদের প্রয়োজন মিটিয়ে বর্তমানে দেশের অন্যান্য স্থানে চালান হচ্ছে বিশেষ করে রাজধানী ঢাকায়। ধান উৎপাদনের পাশাপাশি এ উপজেলায় রের্কড পরিমাণ জমিতে করলার চাষ হয়েছে। 

এই সব অঞ্চলে উৎপাদিত সবজিগুলো স্থানীয় প্রয়োজন মিটিয়ে চালান হচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে। প্রতিবিঘা জমিতে ৭ থেকে ৮ মণ হারে করলার ফলন হয়েছে যা বিগত বছরের তুলনায়। 

করলা ক্ষেতে পোকা-মাকড়ের আক্রমন কম হওয়ায় ও সঠিকভাবে বালাইনামক প্রয়োগ করায় এবার করলার ফলন ভালো হয়েছে বলে কৃষকরা জানান। ফলনের পাশাপাশি বর্তমানে বাজারে করলার দাম ভালো হওয়ায় খুশি কৃষকরা। এভাবে বাজারে সবজির দাম অব্যাহত থাকলে কৃষকরা আগামীতে সবজি চাষে আরো বেশি ঝুঁকবে বলে আশা কৃষকদের। 

বাশুড়য়িা গ্রামের করলা চাষী রমজান আলী বলেন, এবার আমি ২ বিঘা জমিতে করলার চাষ করেছি। নিয়মিত জমিতে বালাইনাশক প্রয়োগ করায় গত বছরের তুলনায় এবছর ফলন খুব ভালো হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবছর করলার দামও ভালো। বর্তমানে বাজারে প্রতি মণ করলা ৫শত থেকে ৬শত টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।  

শাহজাদপুর উপজেলা সহকারি কৃষি কর্মকর্তা রবিউল আলম বলেন, কৃষকরা করলার জমিতে বালাইনাশক থিয়োভিট স্প্রে করায় পাতা কুচকে যাওয়া রোগ না হওয়ায় ফলন ভালো হয়েছে। আর এখনকার উৎপাদিত করলা পাশের জেলাগুলোতে সরবরাহ করা হচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ