শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

ব্যাংক লেনদেন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা

স্টাফ রিপোর্টার: ব্যাংকে লেনদেনের সময় ১ ঘণ্টা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে লেনদেনের নতুন সময়সূচি হবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। তবে লেনদেন পরবর্তী কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য ব্যাংক খোলা থাকবে বিকেল ৩টা পর্যন্ত।

গতকাল বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় পূর্ব ঘোষিত সাধারণ ছুটির মেয়াদ বৃদ্ধি করেছে সরকার। সেজন্য আগামী ৫ এপ্রিল থেকে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত দৈনিক ব্যাংকিং লেনদেনের সময়সূচি পুনঃনির্ধারণ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী এখন থেকে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত ব্যাংক খোলা রাখা যাবে। তবে নগদ লেনদেন হবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত।

এক্ষেত্রে লেনদেন পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট শাখা এবং প্রধান কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ বিকেল ৩টা পর্যন্ত কাজ করতে পারবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, উল্লেখিত সময়ে গ্রাহকের প্রয়োজনে নগদ অথবা চেকের মাধ্যমে অর্থ জমা ও উত্তোলনের পাশাপাশি ডিডি বা পে-অর্ডার ইত্যাদি ইস্যু, ট্রেজারি চালান জমা দেওয়া যাবে। এছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক চালু রাখা বিভিন্ন পেমেন্ট সিস্টেমের অথবা ক্লিয়ারিং ব্যবস্থার আওতাধীন অন্যান্য লেনদেন সুবিধাও ব্যাংকগুলোকে নিশ্চিত করতে হবে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ২৪ ও ২৫ মার্চ জারি বাংলাদেশ ব্যাংকের পৃথক দুইটি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল করোনা ভাইরাস সংক্রামণ প্রতিরোধে সরকারের পাঁচ দিনের সাধারণ ছুটির মধ্যেও সীমিত আকারে ব্যাংক লেনদেন হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, গত ২৯ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ব্যাংক লেনদেন চলবে। তবে আজ ২ এপ্রিল জারি নতুন প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে ৫ এপ্রিল থেকে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত সকাল ১০ টা দুপুর ১ টা পর্যন্ত ব্যাংক লেনদেন চলবে।

এছাড়া প্রজ্ঞাপনে ব্যাংকগুলোর এটিএম ও কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন চালু রাখার সুবিধার্থে এটিএম বুথগুলোতে পর্যাপ্ত নোট সরবরাহসহ সার্বক্ষণিক চালু রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, গত ২৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের পৃথক এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিভিন্ন গ্রাহকের প্রকৃত চাহিদার প্রেক্ষিতে ব্যাংকের খোলা রাখা বিভিন্ন শাখায় নগদ জমা ও উত্তোলনের পাশাপাশি ডিডি বা পে-অর্ডার ইস্যু এবং একই ব্যাংকের একই শাখার বিভিন্ন হিসাবের মধ্যে অর্থ স্থানান্তরের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ