সোমবার ০১ জুন ২০২০
Online Edition

তুরস্কের প্রবীণদের জন্য খাবার প্যাকেট বিতরণের উদ্যোগ

৩০ মার্চ, ডিডব্লিউ : গতকাল সোমবার থেকে তুরস্কের ইস্তানবুলে ৫০ হাজার প্রবীণকে তিন লাখ খাবারের প্যাকেট প্রদান করা হয়েছে। ৬৫ বছরের অধিক বয়সী রোজগারহীন প্রবীণরা এ খাবার পাবেন। খ্যাতনামা দাতা সংস্থা গেটির ডেলিভারি সার্ভিস থেকে এসব প্যাকেটজাত খাবার পৌঁছানো হবে। গতকাল সোমবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে জার্মান সংবাদমাধ্যম।

করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় ইতোমধ্যে তুরস্কে প্রবীণ নাগরিকদের জন্য সুরক্ষামূলক কারফিউ জারি করা হয়েছে। ৬৫ বছরের অধিক বয়সী এবং কোনও ক্রনিক অসুখ রয়েছে এমন প্রবীণদের ক্ষেত্রে এটি কার্যকর হচ্ছে।

করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় রাজধানী আঙ্কারায় স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ক্যাফে, বার ইত্যাদি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলো বাতিল করা হয়েছে। মসজিদে জামাতে নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

এক শহর থেকে অন্য শহরে না যেতে নাগরিকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একান্ত প্রয়োজনে যেতে হলে স্থানীয় গভর্নরের অনুমতি নিতে হবে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে দর্শনার্থীদের জন্য পিকনিক স্পট, বনাঞ্চল ও প্রতœতাত্ত্বিক স্থাপনাগুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এসব বিধিনিষেধ ঠিক কতদিন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে তার কোনও সময়সীমা ঘোষণা করা হয়নি।

তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তৈয়ব এরদোগান বলেছেন, এসব পদক্ষেপের সময়সীমা নির্ভর করবে আমাদের জনগণ কতটা দৃঢ়ভাবে এসব নির্দেশনা মেনে চলে তার ওপর। এ সময় নাগরিকদের ধৈর্য ধারণ ও ত্যাগ সাধনের পরামর্শ দেন এরদোগান।

তিনি বলেন, এসব নির্দেশনা (সরকারি নির্দেশনাবলি) কঠোরভাবে মেনে চললে আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছায় আমরা খুব কম সময়ে এই সংকট কাটিয়ে উঠবো।

তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, সামনে উজ্জ্বল দিন অপেক্ষা করছে যদি আমরা নির্দেশনা মেনে চলি, সতর্ক ও সাবধান থাকি। সব নাগরিক আমাদের কাছে সমান। তাই আমরা বলছি, ‘ঘরে থাকো, তুরস্ক।'

তুর্কি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, এখন থেকে বাজারে শুধু অপরিহার্য খাদ্যসামগ্রী বিক্রি করা হবে। ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ কমাতে খোলা অবস্থায় থাকা ফল ও শাকসবজি প্যাকেটজাত করে রাখতে হবে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পোশাক, খেলনা, ব্যাগ ইত্যাদি বিক্রি বন্ধ থাকবে।

তুর্কি স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফাহরেটিন কোকা জানিয়েছেন, করোনা ভাইরাস শনাক্তের জন্য তার দেশে ১০ লাখেরও বেশি কিট রয়েছে। তিনি জানান, আক্রান্তদের অবস্থান প্রকাশ করছে না তুরস্ক। কারণ, এতে সংক্রমণের হার বেড়ে যেতে পারে। উপদ্রুত এলাকার নাম প্রকাশ করলে লোকজন অন্য এলাকায় চলে যেতে পারে; যেখানে কোনও আক্রান্ত নেই।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ