রবিবার ৩১ মে ২০২০
Online Edition

বায়তুল মুকাররমে দোয়া ও মুনাজাত সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে নিরবতা 

স্টাফ রিপোর্টার : স্বাধীনতা দিবসে ভাইরাস সংক্রমণের সতর্কতার কারণে জনস্বার্থে এ বছর বাতিল করা হয়েছে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান। সব ধরনের জনসমাগম ও অনুষ্ঠান আয়োজন থেকে সবাইকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ কারণে দিবসটি উদযাপনে কোনো কর্মসূচি নেয়নি রাজনৈতিক দল এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো। তবে সীমিত পরিসরে জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে দিবসটির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।

এদিকে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে গতকাল বৃহষ্পতিবার সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সকাল ৬ টা ২০ মিনিটে বিজিবি’র সকল ইউনিটসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। দিবসের অন্যান্য কর্মসূচীর মধ্যে জাতির শান্তি ও সমৃদ্ধি, মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের আত্মার শান্তি এবং বিজিবি’র উত্তরোত্তর অগ্রগতি ও একাত্মতা কামনা করে বিজিবি’র সকল সদস্য নিজ নিজ ব্যবস্থাপনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

গতকাল দুপুরে বিজিবি সদস্যদের মাঝে উন্নত মানের খাবার পরিবেশন করা হয়। বিজিবি’র সকল ইউনিটে ‘আমাদের বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন এবং সন্ধ্যার পর পিলখানাস্থ গুরুত্বপূর্ণ অফিস ভবন ও গেইটসমূহে আলোকসজ্জা করা হয়। এছাড়ও দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় সংক্ষিপ্ত কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত হয়।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গতকাল বৃহস্পতিবার জোহর নামাজের পর বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে দোয়া ও মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মুফতী মাওলানা মিজানুর রহমান দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন। মুনাজাতে ২৬ মার্চ ও মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শাহাদাতবরণকারি সকল শহীদদেও রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মুনাজাত করা হয়। এছাড়া বর্তমানে বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস যেভাবে মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছে তা থেকে যেন বাংলাদেশের মানুষসহ বিশ্বের মানুষ পরিত্রাণ পায় সেজন্য বিশেষভাবে দোয়া করা হয়। এছাড়া মুনাজাতে দেশ ও জাতির শান্তি-সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্ট শাহাদাতবরণকারী তাঁর পরিবারের সকল সদস্যের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। এ সময় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক মুহাম্মদ মহীউদ্দিন মজুমদার, মো. আনিছুর রহমান সরকার, উপ-পরিচালক মোঃ আলমগীর হায়দার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বায়তুল মুকাররম মসজিদে জোহর নামাজ পড়তে আসা অল্প কয়েকজন সাধারণ মুসুল্লি উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের বি-ব্লকে স্থাপিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে এই শ্রদ্ধা জানান। এসময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া, প্রো-ভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. সাহানা আখতার রহমান, প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ রফিকুল আলম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল হান্নান, প্রক্টর অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোজাফফর আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। তারা বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে সামনে ১ মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালনের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। এর আগে ভোরে ক্যাম্পাসে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পতাকা উত্তোলন করা হয়। এছাড়া, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের মাঝে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়। এ সময়ে অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিএসএমএমইউ এর শিক্ষক, চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে নিয়ে রোগী ও মানুষের পাশে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তিনি আরো বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সামগ্রী নিশ্চিত করার জন্য জরুরি ভিত্তিতে সম্ভাব্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে এবং তা অব্যাহত রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন সংশ্লিষ্ট সকলের পেশাগত জ্ঞান ও দক্ষতাকে জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে জনগণের চিকিৎসা সেবায় ও সার্বিক কল্যাণে প্রয়োগের সুযোগ সৃষ্টির জন্যে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রতিবছরের এই দিনে সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনে লাখো মানুষের ঢল নামে। বেলা গড়ার সঙ্গে সঙ্গে সৌধ এলাকা কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে উঠে। কিন্তু এ বছর করোনাভাইরাসের কারণে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করা থেকে বিরত রয়েছে দেশ ও জাতি। প্রাণঘাতি করোনার বিস্তার রোধে স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা ছাড়াও দিবসটির সব অনুষ্ঠান স্থগিত করেছে সরকার।

স্মৃতিসৌধ এলাকায় শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে যাওয়া কাউকে গতকাল দেখা যায়নি। স্মৃতিসৌধের দায়িত্বে থাকা নিরপত্তাকর্মী মোজ্জাম্মেল ও এক আনসার সদস্যরা জানান, স্মৃতিসৌধ বন্ধ থাকলেও অনেক দর্শনার্থী এসে তাদের কাছে ভেতরে যেতে অনুরোধ জানায়। অথচ আজকের এই দিনে কাউকে মূল ফটকের সামনেও আসতে দেখেননি তারা। শুধু কয়েকজন সংবাদকর্মীর দেখা মিলেছে। সবারই মধ্যেই করোনা আতঙ্ক বিরাজ করায়  স্মৃতিসৌধ এলাকা শূন্য হয়ে আছে বলে জানান তারা।

সাভার গণপূর্ত বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, করোনা প্রতিরোধের জন্য সব ধরনের জনসমাগম নিষেধ করে দিয়েছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় স্মৃতিসৌধ এলাকাও বন্ধ করে রাখা হয়েছে। সাভার উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান শাহাদাৎ হোসেন খান বলেন, ২৬ মার্চের এই দিনে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে আজকের এই কর্মসূচি করা হচ্ছে না। এটা আমাদের জন্য অনেক দুঃখজনক একটি সময়।

রাজশাহী অফিস: গতকাল বৃহস্পতিবার রাজশাহীতে সীমিত পরিসরে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন করা হয়। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে রাজশাহীতে স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের সকল কর্মসূচি আগেই বাতিল করে বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসন।

এ কারণে প্রতি বছরের মত শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনসহ অন্যান্য কর্মসূচি পালন করা হয়নি। রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনগুলোরও ছিল না কোনো কার্যক্রম। তবে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকালে ছোট পরিসরে পতাকা উত্তোলন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। রাজশাহী মহানগরীর সিঅ্যান্ডবি মোড়ে অবস্থিত সার্কিট হাউসে সকাল ৯টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে পতাকা উত্তোলন করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার। এ সময় জাতীয় সংগীত বাজানো হয়। তার সাথে রাজশাহী জেলা প্রশাসক মো. হামিদুল হক, রাজশাহীর পুলিশ সুপার মো. শহীদুল্লাহ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান ও মহানগর পুলিশের (আরএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার সাজিদ হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নরসিংদী সংবাদদাতা : মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অনানুষ্ঠানিকভাবে নরসিংদীতে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে সকালে নরসিংদী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সার্কিট হাউজে পতাকা উত্তোলন করেন জেলা প্রশাসক সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন। উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার, সেক্টর কমান্ডার ফোরাম ৭১ এর সভাপতি আব্দুল মোতালিব পাঠান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কমল কুমার ঘোষ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) চৌধুরী আশরাফুল করিম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ইমরুল কায়েস, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তারসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

পরে নরসিংদীবাসীর উদ্দ্যেশ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক। বর্তমানে দেশে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক সকলকে সহযোগিতার আহবান জানিয়ে এসময় জেলা প্রশাসক বলেন, দেশের এই পরিস্থিতিতে বিত্তবানদের সহযোগিাতার পাশাপাশি নরসিংদীতে অবস্থিত শিল্পকারখানায় থার্মাল স্ক্যানার ব্যবহার করে শ্রমিকদের কাজে যোগদান নিশ্চিত, কারখানায় শ্রমিক ছাটাই না করা, অসুস্থ শ্রমিকদের ছুটিদান, প্রয়োজনে দরিদ্র শ্রমিকদের সহযোগিতার জন্য অনুরোধ জানান।

মেহেরপুর জেলা সংবাদদাতা : ৩১ বার তোপধ্বনি, শহীদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে মেহেরপুরে, মুজিবনগর, গাংনীতে অনাড়াম্বর পরিবেশে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার সকালে মেহেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দিবসের সূচনা করা হয়। পরে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে মেহেরপুর শহীদ স্মৃতিসৌধ, জেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে স্মৃতিসৌধ ও মেহেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে গণকবরে পৃথক পৃথকভাবে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের পক্ষে মেহেরপুর জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার সর্বপ্রথম পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। এরপর জেলা বাসীর পক্ষে জেলা প্রশাসক মো. আতাউল গনি এবং পুলিশের পক্ষে পুলিশ সুপার এসএম মুরাদ আলি পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন।সকাল ৮ টায় শহীদ স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। জেলা প্রশাসক মোঃ আতাউল গনি জাতীয় সংগীতের সুরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।এসময় জাতীয় পতাকার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে সালাম প্রদান করা হয়। পুলিশ সুপার এসএম মুরাদ আলী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম, মো. মুস্তাফিজুর রহমান, হাসিবুল আলম, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর মাহমুদুল হাসান ,রফিকুল প্রমুখ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

বাগমারা (রাজশাহী) সংবাদদাতা : রাজশাহীর বাগমারায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে করোনাভাইরাসের কারণে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে তেমন কর্মসূচি পালিত হয়নি। করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে বিশেষ মোনাজাত হয়েছে। ভোরে উপজেলা সদর ভবানীগঞ্জ ৩১ বার তোপ ধ্বনির এবং শহিদ মিনারে পুস্প স্তবক অর্পনের মাধ্যমে দিবসটির শুভ সূচনা করা হয়। এছাড়া সকাল ৯টায় এ উপলক্ষে উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে জাতীয় পতাকা ও সকল শহীদদের আত্মার শান্তি কামনাসহ বাংলাদেশকে করোনা ভাইরাসের কবল থেকে রক্ষায় মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ মোনাজাত করা হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরিফ আহম্মেদ, উপজেলা চেয়ারম্যান অনিল কুমার সরকার, বাগমারা থানার অফিসার ইনচার্জ আতাউর রহমান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদুল হাসান, ভাইস চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ প্রমুখ। এছাড়াও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের স্বল্প সংখ্যক কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।  

আত্রাই (নওগাঁ) সংবাদদাতা : নওগাঁর আত্রাইয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সূর্যোদয়ের সাথে সাথে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে ৩১ বার তোপধ্বনি শেষে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউএনও মো. ছানাউল ইসলাম, উপজেলা চেয়ারম্যান এবাদুর রহমান প্রামানিক, এসিল্যান্ড আরিফ মুর্শেদ মিশু, ওসি মোসলেম উদ্দিন, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সাজেদুর রহমান দুদু, আখতারুজ্জামান প্রমুখ।

মুরাদনগর (কুমিল্লা) সংবাদদাতা :  মুরাদনগরে মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে ৩১বার তপোধ্বনী শেষে সকাল ৮টায় জাতীয় সঙ্গীতের মধ্যদিয়ে আনুষ্ঠানিক জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন মুরাদনগর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) অভিশেষ দাস, এসময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ম. রুহুল আমিন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইফুল ইসলাম কমল, মুরাদনগর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম মনজুর আলম, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিউল আলম তালুকদার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাজমুল আলম, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাইন উদ্দিন আহম্মেদ সোহাগ, যুবউন্নায়ন কর্মকর্তা মুমিনুল হক, উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, পল্লী উন্নায়ন কর্মকর্তা রমেন কুমার সাহা, পল্লী উন্নায়ন কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, উপজেলা ডেভলপমেন্ট ফ্যাসিলিটেটর সোহেল রানা। মুরাদনগর উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, কৃষকলীগ, মৎসজীবী লীগ, ছাত্রলীগ, তরুণলীগ নেতৃবিন্দু উপস্থিত ছিলেন।

রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা : কুড়িগ্রামের রাজারহাটে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়েছে। ২৬ মার্চ বৃহস্পতিবার সূর্যোদয়ের সাথে সাথে ৩১ বার তোপধ্বনি মধ্যদিয়ে দিবসটির সূচনা হয়। এরপর শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে উপজেলা শহীদ মিনারে পুষ্পস্তাবক অর্পণ করা হয়। পরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাগণের আত্মার মাগফিরাত, বীর মুক্তিযোদ্ধাগণের কল্যাণ ও দীর্ঘায়ু এবং বাংলাদেশ ও সমগ্র বিশ্বের মুক্তি, কল্যাণ ও করোনা ভাইরাস থেকে পরিত্রাণের জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ৭টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে জাতীয় সঙ্গীতের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদ ইকবাল সোহরাওয়ার্দী বাপ্পি, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহা. যোবায়ের হোসেন, এসিল্যান্ড মোছা. আকলিমা বেগম, অফিসার ইনচার্জ কৃষ্ণ কুমার সরকার, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার মোঃ রজব আলী, সমবায় অফিসার মো. শাহ আলম, এ্যাসিস্ট্যান্ট প্রোগ্রামার তৌহিদুল ইসলাম।

আগৈলঝাড়া (বরিশাল) সংবাদদাতা : বরিশালের আগৈলঝাড়ায় স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপজেলা প্রশাসন যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করেছে। ৩১বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দিবসের সূচনা হয়। করোনো ভাইরাসের কারনে অনুষ্ঠান সীমিত করে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্তরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও সম্মান প্রদর্শন করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত। এসআই তৈয়বুর রহমানের নেতৃত্বে থানার একটি চৌকস দল জাতীয় পতাকাকে সম্মান প্রদর্শন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্র্বাহী কর্মকর্তা চৌধুরী রওশন ইসলাম, থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আফজাল হোসেন, উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি সুনীল কুমার বাড়ৈ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মলিনা রানী রায়, রফিকুল ইসলাম তালুকদার, উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা সুশান্ত বালা ও উপজেলা প্রকৌশলী রাজ কুমার গাইন প্রমুখ। এছাড়াও উপজেলা আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি সুনীল কুমার বাড়ৈর নেতৃত্বে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে।

বাগেরহাট সংবাদদাতা :  করোনা ভাইরাস এর কারণে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠান সারা দেশে সীমিত করা হয়েছে। বাগেরহাট জেলা পর্যায়ে বাগেরহাট সার্কিট হাউজে শুধুমাত্র জাতীয় সংগীত এর সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জেলা পুলিশের সালাম, শহীদ স্মরণে ১ মিনিট নিরবতা পালন ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক মো: মামুনুর রশীদ, বাগেরহাটের পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায়, জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও সালাম গ্রহন করেন।

ফকিরহাটে মহান স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন

বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২০ উপলক্ষে আজ সকালে ফকিরহাট কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন ফকিরহাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান স্বপন কুমার দাশ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ শাহনাজ পারভীন, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি রহিমা সুলতানা বুশরা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তহুরা খানম, মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু সাঈদ মোঃ খাইরুল আনামসহ উপজেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ