বৃহস্পতিবার ২৬ নবেম্বর ২০২০
Online Edition

এখন যৌবন যার বাসায় থাকার শ্রেষ্ঠ সময় তার --------মাশরাফি

স্পোর্টস রিপোর্টার : করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে সবাইকে সচেতন করতে আরো একটি বার্তা দিয়েছেন দেশের সফল অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। এ নিয়ে দ্বিতীয়বার করোনা ইস্যুতে সতর্কবার্তা দিয়েছেন তিনি। কবি হেলাল হাফিজের লেখা, ‘এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়, এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়।’- এ লেখায় কিছুটা রিবর্তন এনে গতকাল নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে একটি ছবি পোস্ট করেছেন মাশরাফি। তাতে লিখা,‘এখন যৌবন যার বাসায় থাকার তার শ্রেষ্ঠ সময়। 

এখন যৌবন যার দেশ কে বাঁচানোর তার শ্রেষ্ঠ সময়।’ বর্তমানে পরিবার নিয়ে নড়াইলে আছেন মাশরাফি। নিজ এলাকাতেও ঘুরে ঘুরে চালাচ্ছেন প্রচারণা, বাড়াচ্ছেন সচেতনতা। শুধু মাশরাফিই নন, ক্রিকেটাররা সবাই করোনার বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিচ্ছেন। তামিম, মুশফিক, সৌম্য, এনামুল, সাকিব; নিজেদের ফেসবুকে ভিডিও আপলোড করে সচেতন করছেন সবাইকে। করোনা ভাইরাসের কারণে ইতিমদ্যে স্থবির হয়ে পড়েছে পুরো বিশ্ব। চীনে শুরু হওয়া এই করোনায় বাংলাদেশেও দু’জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আক্রান্তের সংখ্যা ২৭। আর প্রাণঘাতী এই রোগ থেকে বাঁচতে বিশেষজ্ঞরা জনসমাগম এড়িয়ে বাসায় থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে বাস্তবে উল্টো চিত্র  দেখা যাচ্ছে অনেক জায়গায়। তাই বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের তারকা মাশরাফি বিন মর্তুজাও এমন বিপদের সময় বাসায় থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে অবশ্য তরুণদের দিকেই নির্দেশনাটি রেখেছেন তিনি। সদ্যই ওয়ানডের নেতৃত্ব ছেড়ে দেওয়া মাশরাফি ফেসবুকে একটি ছবি পোস্ট করেন। ছবিতে নিজের মুখের সাদৃশ্য একটি অবয়ব রয়েছে। আর দুটি ভিন্ন লাইন লেখা রয়েছে। ‘এখন যৌবন যার বাসায় থাকার তার শ্রেষ্ঠ সময়।’ ‘এখন যৌবন যার দেশ কে বাঁচানোর তার শ্রেষ্ঠ সময়।’  আবার ইংরেজিতে লিখেছেন বি সেইফ ও বি এট হোম। এর আগে ফেসবুকের মাধ্যমেই করোনা থেকে নিরাপদ থাকতে বেশ কিছু নির্দেশনা দিয়েছিলেন মাশরাফি। যা অনুসরণ করলে প্রাণঘাতী এ করোনাভাইরাস থেকে অনেকাংশেই নিরাপদ থাকা সম্ভব। এছাড়া জাতীয় দলের আরেক ক্রিকেটার মুশফিকুর রহীমও এক ভিডিওবার্তায় সকলকে অনুরোধ করেছেন সচেতন থাকতে এবং প্রবাসীদের অনুরোধ করেছেন কমপক্ষে ১৪ দিন হোম  কোয়ারেন্টাইনে থাকার জন্য। একই রকমের সচেতনতামূলক কথা বলেছেন তামিম ইকবালও। ২০১৯ সালের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান  থেকে বিশ্বের ১৮৯ দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে  কোভিড-১৯। এতে মৃত্যু হয়েছে ১৪ হাজার ৪৩৩ জনের। মোট আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজার মানুষ। চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন প্রায় ৯৭ হাজার করোনা আক্রান্ত রোগী।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ