বুধবার ০৫ আগস্ট ২০২০
Online Edition

দেশের অর্থনীতি অনেক শক্তিশালী কিন্তু পুঁজিবাজার ঠনঠন -অর্থমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার : অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, দেশের অর্থনীতি অনেক শক্তিশালী কিন্তু পুঁজিবাজার ঠনঠন, সেটাতো হতে পারে না। সুতরাং এর কারণগুলো আপনাদের (ডিএসইর শেয়ারহোল্ডার পরিচালক মো. রকিবুল রহমান) খুঁজে বের করতে হবে। সরকার সমাধান করে দেবে না। সরকার পুঁজিবাজার সমাধান করতে পারে না। তবে পুঁজিবাজারের সমস্যা সমাধানে সব ধরনের সহযোগিতা সরকার করবে।
গতকাল রোববার ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে বাংলাদেশের অর্থনীতি কেমন চলছে শীর্ষক আলোচনা সভায় ডিএসইর শেয়ারহোল্ডার পরিচালক মো. রকিবুল রহমান দেশের পুঁজিবাজারের সমস্যার কথা তুলে ধরলে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এসময় আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, পুঁজিবাজারে সমস্যা রয়েছে। সমাধান হচ্ছে না। সমাধানের পথ তৈরি করুন। আমরা সমাধান দেখতে চাই। সমাধান আপনার হাত দিয়েই সম্ভব।
সভায় উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গর্বনর সালেহ উদ্দিন আহমেদ, সিপিডির ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান ও ডিএসইর শেয়ারহোল্ডার পরিচালক মো. রকিবুল রহমান।
অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল বলেন, সরকারের কাজ হবে পুঁজিবাজারকে সমৃদ্ধ করার জন্য এ দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা। দেশের সামস্টিক অর্থনীতি যত শক্তিশালী হবে তার রিফ্লেকশন যাবে পুঁজিবাজারে। এটা ডাইরেক্ট লিংক। তারপরও অর্থনীতি অনেক শক্তিশালী কিন্তু পুঁজিবাজার ঠনঠন, সেটাতো হতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, এক্ষেত্রে আইন অনেক আছে। আইনগুলোতে কোনো অসঙ্গতি আছে কি না সেগুলো দেখবেন। সেগুলো দেখার জন্য যারা কমিটিতে আছে তাদেরও আপনারা সাহায্য-সহযোগিতা করবেন। এখন এক হয়ে কাজ করলে এর সমাধান পাবেন। একীভূত না হয়ে একে অপরের সমালোচনা করলে আমরা কাজটি করতে পারব না।
অর্থমন্ত্রী বলেন, পুঁজিবাজারে অবশ্যই আমাদের সফলতা পেতে হবে। সরকার অর্থনীতিকে কতটা শক্তিশালী করলো এর রিফ্লেকশনটা পড়ে পুঁজিবাজারে। এটা একেবারে ডাইরেক্ট প্রতিবিম্ব, আয়না।
তিনি বলেন, যেহেতু পুঁজিবাজারের সঙ্গে আমাদের অনেক মানুষ জড়িত সুতরাং পুঁজিবাজারকে বাদ দিয়ে সরকার চিন্তা করে না। আমরা পুঁজিবাজারকে আমাদের সঙ্গে দেখতে চাই, আমাদের অর্থনীতিতে দেখতে চাই। সেজন্য যা কিছু ব্যবস্থা নেয়া দরকার, ব্যবস্থা আপনারা নেন, সরকার সব ধরনের সাহায্য করবে। এরপর পুঁজিবাজার বিষয়ে মো. রকিবুল রহমান আরও কথা বলতে চাইলে অর্থমন্ত্রী তাকে থামিয়ে দেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ