সোমবার ০৩ আগস্ট ২০২০
Online Edition

প্রাথমিকে প্যানেল করে নিয়োগের দাবিতে প্রার্থীদের গণঅনশন কর্মসূচি চলছে

গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৮ প্যানেল বাস্তবায়ন কমিটির উদ্যোগে অনশন কর্মসূচি পালন করা হয় -সংগ্রাম

 

স্টাফ রিপোর্টার: ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৫৫ হাজার প্রার্থীকে প্যানেল করে নিয়োগের দাবিতে গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে গণ অনশন কর্মসূচি চলছে। 

গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে তৃতীয় দিন থেকে এই কর্মসূচি পালন শুরু করছেন প্রার্থীরা। প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্যানেল চাই বাস্তবায়ন কমিটির ব্যানারে এর আগে দুদিন লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করে তারা। এইসময় উপস্থিত ছিলেন, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্যানেল চাই বাস্তবায়ন  কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আব্দুল কাদের, সাধারণ সম্পাদক আবু হাসানসহ প্রার্থীরা।  

গণ অনশন কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ-২০১৮ তে এবারেই প্রথম সারাদেশ থেকে প্রায় ২৪ লাখ পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্য হতে ৫৫ হাজার ২৯৫ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়, যা মোট প্রার্থীর মাত্র ২ দশমিক ৩ শতাংশ। যা থেকে বোঝা যায়, যারা লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন তারা সবাই মেধাবী। তাই, মুজিববর্ষে প্যানেল করে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মেধাবী প্রার্থীদের নিয়োগের দাবি জানাচ্ছি। মুজিববর্ষে এই ৩৭ হাজার চাকরি প্রার্থীকে প্যানেল করে নিয়োগ দিলে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির অনেকাংশ বাস্তবায়ন হবে। কারণ, দেশের ৬১টি জেলার সব উপজেলার যোগ্য প্রার্থীরাই লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে।

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্যানেল চাই বাস্তবায়ন  কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আব্দুল কাদের বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রাথমিক শিক্ষাকে ‘শিক্ষার মূলভিত্তি’ ধরে ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে প্রায় ৩৭হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারিকরণ করেছিলেন, যা ছিল শিক্ষিত জাতি ও দেশ গঠনের এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। যার ফলশ্রুতিতে দেড় লক্ষাধিক শিক্ষকের চাকরি স্থায়ীকরণ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মদিনে তার আদর্শ কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমাদের জোড়ালো দাবি, তার পিতার মতো যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে মুজিব জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৩৭ হাজার মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী বেকার ও তাদের পরিবারের সবার মুখে হাসি ফুটাবেন। প্রাথমিক বিদ্যালয়তে তীব্র শিক্ষক সংকট দেখা দেয়ার আগেই মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্যানেলের মাধ্যমে সবাইকে যোগদানের সুব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আমরা জোড়ালো হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ