বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর ২০২১
Online Edition

খুলনা জেলা পরিষদের খেয়াঘাট ইজারা টেন্ডারকে কেন্দ্র করে তুলকালাম কাণ্ড

খুলনা অফিস : খুলনা জেলা পরিষদের খেয়াঘাটের ইজারাকে কেন্দ্র করে তুলকালাম কাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় আওয়ামী লীগ নেতাসহ দুইজন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়ে। এ ঘটনায় জেলা পরিষদসহ আশপাশের এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। অপরদিকে জেলা পরিষদের ১৪টি খেয়া ঘাটের ইজারার জন্য দরপত্র বিক্রি হয় ৮৬টি এবং জমা পড়েছে মাত্র ১৩টি। যে সব খেয়াঘাটের বিপরীতে দরপত্র জমা পড়েনি সেগুলো আগামী ১০ বা ৩১ মার্চ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
জানা যায়, জেলা পরিষদের ১৪টি খেয়াঘাট ইজারা প্রদানের জন্য সম্প্রতি টেন্ডার আহ্বান করা হয়। দরপত্র বিক্রির শেষ দিন ছিল গত ২৪ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টা এবং দরপত্র দাখিলের সময় ছিল মঙ্গলবার দুপুর ১টা।
অভিযোগ রয়েছে, খেয়াঘাটের দরপত্র জমা দিতে বাধা দেওয়া হয় জেলা পরিষদের সামনে। এ সময় ঠিকাদারদের ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এ সময় ২২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আব্দুর সত্তার খলিফা এবং তার ছেলে কামরুজ্জামান প্রহৃত হয়। যে সকল খেয়াঘাটের ইজারা হয়েছে সেগুলো হল তালিমপুর, ভট্টাচার্য্য-শোলপুর-চন্দনীমহল, কালিবাড়ী, কাস্টমঘাট, (দৌলতপুর-মহেশ্বরপাশা) দৌলতপুর বাজারঘাট, ( দৌলতপুর-মহেশ্বরপাশা) নগরঘাট/ রেলিগেট খেয়াঘাট, (দৌলতপুর-মহেশ্বরপাশা) বার্মাশিল খেয়াঘাট, ( দৌলতপুর-মহেশ্বরপাশা) স্টীমার খেয়াঘাট, সন্যাসীহাট, শরাফপুর, মাথাভাঙ্গা, চালনা, দাকোপ এবং চৌকুনী-মঠবাড়ী। এসব ঘাটের বিপরীতে মোট ৮৬টি দরপত্র বিক্রি হলে দরপত্র জমা হয়েছে মাত্র ১৩টি। আগামী ১০ মার্চ ২য় দফা এবং ৩১ মার্চ ৩য় দফায় দরপত্র দাখিলের সময় রয়েছে।
আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর সত্তার খলিফা বলেন, খেয়া ঘাটের ইজারার জন্য দরপত্র জমা দেওয়ার সময় জেলা পরিষদের সামনে আমার ছেলেকে এবং জেলা আওয়ামী লীগের এক নেতার অফিসের পাশে আমার ওপর হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। এগুলোর মধ্যে যুবলীগের কয়েকজনকে আমি চিনতে পেরেছি। বিষয়টি আমি থানায় অবগত করেছি।
খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহাবুবুর রহমান বলেন, খেয়া ঘাটের ইজারা নিয়ে বাইরে কি হয়েছে সেটা জানি না। তবে টেন্ডার জমা দেওয়ার সময় এখানে পুলিশ ছিল। জেলা পরিষদ চত্বরে কোন হট্টগোল হয়নি। খুলনা সদর থানার ওসি আসলাম বাহার বুলবুল জানান, জেলা পরিষদের ভেতরে টেন্ডার ড্রপিং নিয়ে সংঘর্ষের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। তবে কেউ আটক নেই।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ