মঙ্গলবার ০২ জুন ২০২০
Online Edition

খুলনায় একই রাতে তিন স্থানে আগুন, একজন নিহত 

খুলনা অফিস: খুলনায় একই রাতে তিনটি স্থানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে এলাকাবাসীর সহায়তায় ফায়ার সার্ভিসের সদস্য আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছে। রোববার দিবাগত গভীর রাতের পৃথক পৃথক সময় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে নগরীর হরিণটানা থানার শ্মশান ঘাট এলাকায় আগুনে পুড়ে এক বৃদ্ধা ভিক্ষুক (৬০) নিহত হয়েছে। অপরদিকে নগরীর পশ্চিম রূপসা এলাকায় রূপসা স্ট্যান্ড রোডের তেরোগোলা এলাকার স-মিলের কাঠের আড়তে আগুন লেগেছে। এছাড়া খুলনা জেলার দিঘলিয়া উপজেলার জামান জুট মিলেও অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা গেছে, রাত ১২টার দিকে হরিণটানার শ্মশান ঘাট এলাকায় একটি কুঁড়েঘরে আগুন লাগে। খবর পেয়ে খুলনা সদর স্টেশন অফিসার মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে একটি ইউনিট সেখানে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে ঘটনাস্থল থেকে এক বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার করা হয়। রাত ১টার দিকে কোকাকোলা গোডাউনের পাশের স-মিলের কাঠের আড়তে আগুন লাগে। খবর পেয়ে টুটপাড়া স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে সেখানে দুইটি ইউনিট গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এছাড়া রাত ১টার দিকে দিঘলিয়া উপজেলার জামান জুট মিলে আগুন লাগে। খবর পেয়ে খুলনা স্থল-কাম নদীর সাইট স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার কায়েমুর জামানের নেতৃত্বে সেখানে দুইটি ইউনিট গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল আলম বলেন, হরিণটানা থানার শ্মশান ঘাট এলাকায় একটি কুঁড়েঘরে আগুন নেভানোর পর এক বৃদ্ধার লাশ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে ফায়ার সার্ভিস। তার বয়স আনুমানিক ৬০ বছর। স্থানীরা জানিয়েছেন, তিনি পেশায় ভিক্ষুক ছিলেন। শ্মশান ঘাট এলাকায় একটি কুঁড়েঘরে একা বসবাস করতেন।

রূপসা স্ট্যান্ড রোডের তেরোগোলা এলাকার আবুল কালাম আজাদ বলেন, শাহজালালের স-মিল ও বিসমিল্লাহ স-মিল পাশাপাশি। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে যে কোন একটি স-মিল থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। এতে স-মিল থেকে রূপসা নদীর পাড় পর্যন্ত প্রায় ৮-১০টি জ্বালানি কাঠের দোকান পুড়ে যায়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ