শনিবার ১১ জুলাই ২০২০
Online Edition

বঙ্গবন্ধু জাতীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের চূড়ান্ত পর্ব মার্চে 

স্পোর্টস রিপোর্টার: বঙ্গবন্ধু জাতীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের চূড়ান্ত পর্বের খেলা মাঠে গড়াবে মার্চের প্রথম সপ্তাহে। গতকাল রোববার টুর্নামেন্টের সাংগঠনিক কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। কমিটির চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন বাফুফের সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিন।দীর্ঘ ১৩ বছর পর এমন আয়োজন পেয়ে খুশী জেলা ও বিভাগীয় কর্মকর্তারা। তৃণমূল পর্যায়ে দারুণ সাড়া ফেলেছে বলেই মনে করছেন বাফুফের কর্মকর্তারা। ৬৩ জেলা দল নিয়ে গত ১৭ জানুয়ারি আঞ্চলিক পর্বের খেলা শুরু হয়েছিল। প্রাথমিক পর্ব ও সেবা বিভাগ মিলিয়ে ইতিমধ্যে আঞ্চলিক পর্বের খেলা শেষে ৯টি অঞ্চল থেকে ১০ দল চূড়ান্ত পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। 

 যার মধ্যে সেরা অঞ্চল থেকে উঠেছে দুটি দল। আর বাকী ৮ দল এসেছে আঞ্চলিক চ্যাম্পিয়ন হয়ে। চূড়ান্ত পর্বের খেলায় দুটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে দলগুলো অংশ নিবে।সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ি চূড়ান্ত পর্বের খেলা ১০ দলকে লটারির মাধ্যমে দুই গ্রুপে ভাগ করে খেলানো হবে। দুই গ্রুপ থেকে দুটি করে দল সেমিফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে। সেমিফাইনালে বিজয়ী দল দুটি শিরোপা লড়াইয়ে অংশ নিবে। 

তবে এই প্রতিযোগিতাকে ঘিরে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কেউ কেউ বলছেন পর্যাপ্ত সময় পেলে আরও ভালোভাবে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকতো। নাটোর জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (ডিএফএ) সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোস্তাক আলী বলেছেন, ‘অনেকদিন পর এই প্রতিযোগিতা হয়েছে। এটা ফুটবলের জন্য ভালো।

 তবে তড়িঘড়ি করে এটি আয়োজন না করে একটু সময় নিয়ে করলে ভালো হতো। তাহলে আমরা সময় পেতাম। মাঠে দর্শক আনতে সুবিধা হতো। শেরপুর ডিএফএ’র সভাপতি মানিক দত্ত বলছেন, ‘এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে আমাদের অনেক খরচ হয়েছে। সেই অনুযায়ী পর্যাপ্ত টাকা পাইনি। 

এছাড়া রেফারিং নিয়ে আমাদের অভিযোগ ছিল। তারপরেও এমন প্রতিযোগিতা যাতে প্রতিবছর হয়,সেটাই চাইছি আমরা। এখানেই যেন থেমে না যায়।’

বান্দরবান ডিএফএ’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন এমন প্রতিযোগিতা আরও চাইছেন, ‘আমরা বেশ খুশি এমন প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পেরে। বিশেষ করে হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিক প্রতিযোগিতা এবারই প্রথম খেললাম। আমাদের এখানে দর্শকও হয়েছে প্রচুর।এই আয়োজনের ধারাবাহিকতা থাকলে অনেক খেলোয়াড়ই বেরিয়ে আসবে।’প্রতিযোগিতায় ৬৩টি জেলাদল অংশগ্রহণ করেছে। শুধু কিশোরগঞ্জ ডিএফএতে কমিটি না থাকার কারণে তারা অংশ নিতে পারেনি। এরমধ্যে একটি বিব্রতকর ঘটনাও আছে। ঝিনাইদহ ও খুলনা জেলার মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির কারণে দুই জেলা ম্যাচের দিনে ছিল দুই ভেন্যুতে! পরে খুলনা জেলাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।প্রতিযোগিতা আয়োজন নিয়ে অবশ্য সন্তুষ্ট সাংগঠনিক কমিটির চেয়ারম্যান হারুনুর রশীদ। 

রবিবার কমিটির সভাশেষে বলেছেন, ‘ফুটবলকে দেশব্যাপী চাঙ্গা করার জন্যই এই আয়োজন। আমরা বিভিন্ন জায়গায় ভালো সাড়া পেয়েছি। ভালো দর্শকও হয়েছে। ঝিনাইদহ ও খুলনার মধ্যে ম্যাচ নিয়ে শুধু সমস্যা হয়েছিল। বাকি সব জেলাই খেলেছে। এখন চূড়ান্ত পর্ব আরও ভালোভাবে আয়োজনের চেষ্টা চলছে।’চূড়ান্ত পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জনকারী ১০ দল হচ্ছে: কুমিল্লা, নেত্রকোনা, কক্সবাজার, পাবনা, রংপুর, খুলনা, সাতক্ষীরা, সিলেট, বিকেএসপি ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ